এবার বাও কুল, ভারত সুন্দরী, তাইওয়ান, নূরানী ও বল কুলের রেকর্ড উৎপাদন হয়েছে। বিশেষ করে বাও কুল ও ভারত সুন্দরীর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। পাইকারি বাজারে এই দুই প্রজাতির দর উঠেছে কেজি প্রতি প্রায় ৪০ টাকা পর্যন্ত। বল কুল বিক্রি হচ্ছে ৩২ থেকে ৩৫ টাকায়। ভাল দামের পাশাপাশি ফলনও হয়েছে আশাতীত, যা বাড়তি উৎসাহ জুগিয়েছে চাষিদের। গত ১০ থেকে ১২ বছর ধরে এলাকার কৃষকেরা উন্নত প্রজাতির কুল চাষ করে আসছেন। ধীরে ধীরে এই চাষই এখন অনেকের প্রধান আয়ের উৎস হয়ে উঠেছে।
advertisement
মৃত্যুঞ্জয় দাস নামে এক চাষি প্রায় ১৫ বিঘা জমিতে কুল চাষ করেছেন। তাঁর কথায়, সঠিক পরিচর্যা ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর ফলন অত্যন্ত ভাল হয়েছে। বর্তমানে গোটা মাঠ জুড়ে পাকা কুল তুলতে ব্যস্ত শ্রমিকেরা। কুল চাষি পরিমল দাস, মৃত্যুঞ্জয় দাসেরা বলেন, “বিঘাতে কুল চাষ করে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা লাভ থাকে। ধান চাষের থেকে অনেক ভাল এই চাষ। বিহার, ওড়িশা-সহ বিভিন্ন রাজ্যে আমাদের কুল যাচ্ছে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
চাষিদের মতে, প্রথম বছরে এক বিঘা জমিতে কুল চাষ করতে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়। এই খরচের বড় অংশটাই চারা কেনার জন্য লাগে। তবে পরবর্তী বছরগুলোতে খরচ তুলনামূলকভাবে কমে যায় এবং লাভের পরিমাণ বাড়তে থাকে। এক বিঘা জমি থেকে বছরে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কুইন্টাল কুল উৎপাদন সম্ভব বলে জানিয়েছেন কৃষকেরা। চাষিদের আশা, আগামী বছরও যদি আবহাওয়া অনুকূলে থাকে এবং বাজারদর স্থিতিশীল থাকে, তাহলে সরডাঙ্গা গ্রামে কুল চাষ আরও বিস্তৃত হবে। বর্তমানে রেকর্ড ফলন ও দামে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন এলাকার কুল চাষিরা। আর এসবের পরিপ্রেক্ষিতে আপনিও কুল চাষের প্রতি ঝুঁকতে পারেন মোটা লাভের জন্য।





