এই মেলায় মোট ১১০ টি স্টলে প্রত্যেকদিন দেশ ছাড়িয়ে বিদেশের বহু পর্যটকদের আনাগোনা লেগেই রয়েছে। আর তাতেই কার্যত মুখে চওড়া হাসি শিল্পীদের। বোলপুর শান্তিনিকেতনের এই মেলায় তসর, কেটিয়া, রেশম, মসলিন, গরদের পোশাকের পাশাপাশি প্রদর্শিত হচ্ছে জলপাইগুড়ির আকর্ষণীয় কাঠের পুতুল, বর্ধমান-বীরভূমের কাঁথাস্টিচ, বিষ্ণুপুরের বালুচুরি, রেশম তসরের পাশাপাশি টেরাকোটার কাজ।
আরও পড়ুন: নিখোঁজ যুবকের নিথর দেহ উদ্ধার ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা! বাড়িতে আগুন, পুলিশকে ঘিরেও তুমুল বিক্ষোভ মাটিয়ায়
advertisement
শুধুই কী তাই! এই মেলায় এলে আপনি ভিন রাজ্যের অর্থাৎ জম্মু-কাশ্মীরের বিভিন্ন গ্রামীণ শিল্প সামগ্রী দেখতে পাবেন। এরই মাঝে এই মেলার গুরুত্ব আরও বেড়ে গেল রবিবার। বর্তমানে অন্যান্য জায়গায় দেখা যায় যে কোনও অনুষ্ঠানে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে, তবে এই মেলায় মরণোত্তর দেহ ও অঙ্গদানের সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করা হয়। মেলা প্রাঙ্গনেই মেলা ঘুরতে ঘুরতে অনেকেই এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। যেখানে কেউ মৃত্যুর পর সম্পূর্ণ দেহ দান করেছেন, আবার কেউ চোখ, কিডনি, আবার লিভার দান করেছেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই মেলায় আগত একপর্যটক তিনি জানান “মৃত্যুর পরে আমাদের শরীরের কোনও অংশই কোন কাজে লাগে না, তবে আমরা সেটা যদি দান করি তাহলে হয়তো কারও কিডনির সমস্যার সমাধান হবে, আবার কেউ চোখে দেখতে পারবেন। সমাজের সমস্ত শ্রেণীর মানুষের উচিত এই ধরনের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করার।” অন্যদিকে খাদি ও গ্রামীণ শিল্প পর্ষদের জেলা আধিকারিক গোপালকৃষ্ণ বসু বলেন, “২০২৫-২৬ অর্ধবর্ষে তাঁতের তৈরি জাতীয় পতাকা উৎপাদনে রাজ্যে শুধু পশ্চিমবঙ্গই নয়, পূর্ব ভারতের মধ্যেও প্রথম স্থান অধিকার করেছে। পাশাপাশি জেলায় ১৬৬ টি তাঁতঘর নির্মাণের ফলে ৬৬৪ জন শিল্পী উপকৃত হচ্ছেন।”






