আপাতত পায়ে হেঁটে মুজনাই নদী পারাপার করছে মানুষ। সাঁকোর কাজ পুরোপুরি শেষ হলে বাইক, টোটো রিকশা, সাইকেল যাতায়াত করতে পারবে বলে জানা যাচ্ছে। জটেশ্বর এলাকা দিয়ে বহু পড়ুয়া স্কুল-কলেজে যায়। এবার এই অস্থায়ী সাঁকো ব্যবহার করে দেওগাঁও এলাকা থেকে জটেশ্বর অবধি আসতে পারবে ছাত্রছাত্রীরা। এরপর বাস বা অন্য যানবাহন ধরে তাঁরা পৌঁছে যেতে পারবে নিজেদের স্কুল, কলেজে।
advertisement
গত রবিবার একটি বড় গাড়ি সেতুর উপর দিয়ে পারাপার করার সময় আচমকাই বঙ্কিম সেতু ভেঙে পড়েছিল। মুহূর্তের মধ্যেই সেতুর মাঝামাঝি অংশ দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে যায় এবং গাড়িটি সোজা নদীতে পড়ে যায়। এই ঘটনার ভয়াবহতা এখনও এলাকার বাসিন্দাদের চোখেমুখে স্পষ্ট। এরপরেই জটেশ্বর ও পাঁচমাইল এলাকার মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ফলে কয়েক হাজার মানুষ চরম সমস্যায় পড়েন। পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত উদ্যোগ নেয় ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট রুরাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সিরর আলিপুরদুয়ার ডিভিশন। দিনরাত এক করে শুরু হয়েছে অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো নির্মাণের কাজ।
প্রশাসনের তৎপরতায় বাঁশের সাঁকো তৈরির কাজ সম্পূর্ণ হচ্ছে। ওই সাঁকো দিয়ে আপাতত সাধারণ মানুষ পারাপার করছেন। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন এলাকাবাসীরা। দ্রুততার সঙ্গে বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে তোলায় প্রশাসনের ভূয়সী প্রশংসাও করছেন তাঁরা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
অসীম দাস নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “চোখের পলকে যেভাবে সেতু ভেঙে পড়েছিল তা দেখে আমরা আতঙ্কিত। ওই সময় সেতু দিয়ে আরও কিছু যানবাহন চলাচল করলে বিপদ আরও বাড়ত। অস্থায়ী সেতু তৈরি হয়েছে ঠিকই কিন্তু ভারী যানবাহন তুললে এই সেতুটিও ভেঙে পড়বে। প্রশাসনকে বিষয়টি দেখার জন্য জানাব।”





