প্রায় তিন বছর আগে কালচিনি ব্লকের গাঙ্গুটিয়া এবং কুমারগ্রাম ব্লকের ভুটিয়া বন বস্তির ৬৫ টি পরিবারকে ভাটপাড়া চা বাগান সংলগ্ন সরকারি জমিতে পুনর্বাসন দেওয়া হয় সেখানে দ্রুত শেষ হচ্ছে বলে জানা যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের কথায় জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এই এলাকায় অনেকেই হোমস্টে খুলেছেন। গ্রামটিকে আর্ট ভিলেজ হিসেবে গড়ে তুলতে উদ্যোগ নিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।
advertisement
নামেই ‘ভারত মহাসাগর’! ভারতের নিয়ন্ত্রণ কতটুকু? ইরানের যুদ্ধজাহাজ IRIS Dena ডুবতেই উঠছে প্রশ্ন!
জানা যায় এই গ্রামে বিভিন্ন জনজাতির শিল্প ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরা হবে জেলা প্রশাসনের তরফে পরিকাঠামো তৈরি হলে পর্যটন শিল্পে আরও প্রসার ঘটবে বলে জানা যায়। এলাকায় একটি কমিউনিটি হল ও একটি মুক্তমঞ্চ তৈরির কাজ প্রায় শেষের দিকে। জেলা প্রশাসনের তরফে বন ছায়া বস্তি সংলগ্ন বায়োডাইভারসিটি পার্ক তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।এই এলাকায় পর্যটন এক আলাদা মাত্র নেবে বলে দাবি জেলা প্রশাসনের। পাহাড় ও চা বাগান ঘেরা এলাকায় হাওয়া বদল করতে পারবেন পর্যটকরা।মনীষ সুব্বা নামের এক বাসিন্দা জানান, “এই এলাকার আরও প্রচার ঘটলে আমাদের রুজিরুটি বৃদ্ধি পাবে। পর্যটকদের কোনও অসুবিধা এখানে হবে না। আমরা সব ব্যবস্থা রাখছি তাঁদের জন্য।”
এই বনবস্তিতে ১৬ টি হোমস্টে তৈরি হয়েছে প্রশাসনের সহযোগিতায়। জেলা প্রশাসনের তরফে এক লক্ষ টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছে। জেলা তথা রাজ্যের বিভিন্ন পর্যটনমেলায় এই পর্যটন কেন্দ্রের কথা তুলে ধরা হচ্ছে বলে জানা যায়।