Birbhum News: চলতি মাসেই সমাবর্তন, বদলে যাচ্ছে বিশ্বভারতীর কাঠামো! আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীকেও
- Reported by:Souvik Roy
- local18
- Published by:Rachana Majumder
Last Updated:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রাণের শহর বোলপুর শান্তিনিকেতন। আর এখানে অবস্থিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানেই একাধিক বদল হতে চলেছে। সাংবাদিক সম্মেলন করে জানালেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য প্রবীর কুমার ঘোষ। এই প্রথমবার ওয়ার্ল্ড কিউএস (Quacquarelli Symonds) র্যাঙ্কিংয়ে অংশগ্রহণ করবে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রাণের শহর বোলপুর শান্তিনিকেতন। আর এখানে অবস্থিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানেই একাধিক বদল হতে চলেছে। সাংবাদিক সম্মেলন করে জানালেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য প্রবীর কুমার ঘোষ। এই প্রথমবার ওয়ার্ল্ড কিউএস (Quacquarelli Symonds) র‍্যাঙ্কিংয়ে অংশগ্রহণ করবে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়।
advertisement
এর পাশাপাশি বিশ্বভারতীর উপাচার্য প্রবীর কুমার ঘোষ তিনি আরও জানান, বিশ্বভারতীর যাবতীয় প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথির ডিজিটালাইজেশনের কাজ করবে এশিয়াটিক সোসাইটি ৷ আর এই কারণেই এই সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মউ সাক্ষরিতও হয়ে গিয়েছে ৷ আগামী দু'মাসের মধ্যে 'পেপার লেস' অফিস করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে ৷ ইতিমধ্যেই তার প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গিয়েছে।
advertisement
এছাড়াও বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রবীর কুমার ঘোষ জানান, চলতি মাসেই সমাবর্তন করার চিন্তাভাবনা করা হয়েছে। আর এই অনুষ্ঠান এর জন্য বিশ্বভারতীর আচার্য তথা প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাঁর আসার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান উপাচার্য। তার জন্য ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে বিশ্বভারতীতে।
advertisement
শ্রীনিকেতনে ইতিমধ্যেই তৈরি হচ্ছে গোশালা। এখানে গরুদের জল ও খাবারের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকবে ৷ দিনে গরুগুলোকে একটি নিদ্দিষ্ট খোলা জায়গায় ছেড়ে দেওয়া হবে তারা নিজের মতন সবুজ খাবার খাবে। আর রাতে বাঁধা থাকবে৷ গরুর গোবর থেকে তৈরি হবে গোবর-গ্যাস। যার সাহায্যে শ্রীনিকেতন এলাকায় পথবাতি জ্বলবে। আর গরুর দুধ পাঠভবনের ছাত্রাবাস-ছাত্রীনিবাসে শিশুদের জন্য পাঠানো হবে ৷
advertisement
শ্রীনিকেতনে ইতিমধ্যেই তৈরি হচ্ছে গোশালা। এখানে গরুদের জল ও খাবারের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকবে ৷ দিনে গরুগুলোকে একটি নিদ্দিষ্ট খোলা জায়গায় ছেড়ে দেওয়া হবে তারা নিজের মতন সবুজ খাবার খাবে। আর রাতে বাঁধা থাকবে৷ গরুর গোবর থেকে তৈরি হবে গোবর-গ্যাস। যার সাহায্যে শ্রীনিকেতন এলাকায় পথবাতি জ্বলবে। আর গরুর দুধ পাঠভবনের ছাত্রাবাস-ছাত্রীনিবাসে শিশুদের জন্য পাঠানো হবে ৷







