advertisement

Nadia News: স্বাধীনতার ৭৯ বছর পেরিয়েও মেলেনি ট্রেন, এবার করিমপুর-কৃষ্ণনগর রেললাইনের দাবিতে রাস্তায় সাধারণ মানুষ

Last Updated:
Nadia News: ভারত স্বাধীন হওয়ার প্রায় ৭৯ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও কৃষ্ণনগর-করিমপুর রেললাইন বাস্তবায়িত হয়নি।
1/6
নদিয়া জেলায় কৃষ্ণনগর থেকে করিমপুর পর্যন্ত রেলপথ চালুর দাবিতে সহস্র কণ্ঠে গর্জে উঠলেন সাধারণ মানুষ। এদিন করিমপুর থেকে একটি বিশাল বাইক শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। (ছবি ও তথ্য: মৈনাক দেবনাথ)
নদিয়া জেলায় কৃষ্ণনগর থেকে করিমপুর পর্যন্ত রেলপথ চালুর দাবিতে সহস্র কণ্ঠে গর্জে উঠলেন সাধারণ মানুষ। এদিন করিমপুর থেকে একটি বিশাল বাইক শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। (ছবি ও তথ্য: মৈনাক দেবনাথ)
advertisement
2/6
এই র‍্যালি তেহট্ট পর্যন্ত গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন বয়সের মানুষ, যুবক-যুবতী থেকে শুরু করে প্রবীণ নাগরিকরাও।
এই র‍্যালি তেহট্ট পর্যন্ত গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন বয়সের মানুষ, যুবক-যুবতী থেকে শুরু করে প্রবীণ নাগরিকরাও।
advertisement
3/6
এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয় অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘ নদীয়া উত্তর জেলা কমিটি। তবে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এটি কোনও একটি সংগঠনের একক কর্মসূচি নয়, বরং সমস্ত রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষের যৌথ আন্দোলন।
এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয় অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘ নদীয়া উত্তর জেলা কমিটি। তবে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এটি কোনও একটি সংগঠনের একক কর্মসূচি নয়, বরং সমস্ত রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষের যৌথ আন্দোলন।
advertisement
4/6
আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, এই কর্মসূচি নিজেদের স্বার্থে হলেও মূলত এলাকার সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। ভারত স্বাধীন হওয়ার প্রায় ৭৯ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও কৃষ্ণনগর-করিমপুর রেললাইন বাস্তবায়িত হয়নি।
আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, এই কর্মসূচি নিজেদের স্বার্থে হলেও মূলত এলাকার সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। ভারত স্বাধীন হওয়ার প্রায় ৭৯ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও কৃষ্ণনগর-করিমপুর রেললাইন বাস্তবায়িত হয়নি।
advertisement
5/6
ফলে এই রুটের অন্তর্গত পাঁচটি বিধানসভার লক্ষ লক্ষ মানুষ আজও রেল পরিষেবা থেকে বঞ্চিত। পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ জেলার ডোমকল, জলঙ্গি ও শিকারপুরের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষও যাতায়াতের জন্য মূলত কৃষ্ণনগর-করিমপুর রাজ্য সড়কের ওপর নির্ভরশীল।
ফলে এই রুটের অন্তর্গত পাঁচটি বিধানসভার লক্ষ লক্ষ মানুষ আজও রেল পরিষেবা থেকে বঞ্চিত। পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ জেলার ডোমকল, জলঙ্গি ও শিকারপুরের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষও যাতায়াতের জন্য মূলত কৃষ্ণনগর-করিমপুর রাজ্য সড়কের ওপর নির্ভরশীল।
advertisement
6/6
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, রেল পরিষেবা চালু হলে যাতায়াতের সময় ও খরচ উভয়ই কমবে। পাশাপাশি সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমে বহু মানুষের প্রাণ রক্ষা পাবে। ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে, ফলে এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নও ত্বরান্বিত হবে। (ছবি ও তথ্য: মৈনাক দেবনাথ)
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, রেল পরিষেবা চালু হলে যাতায়াতের সময় ও খরচ উভয়ই কমবে। পাশাপাশি সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমে বহু মানুষের প্রাণ রক্ষা পাবে। ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে, ফলে এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নও ত্বরান্বিত হবে। (ছবি ও তথ্য: মৈনাক দেবনাথ)
advertisement
advertisement
advertisement