advertisement

Malda Railway Division: রেকর্ড চুরমার! ভাঙাচোরা বিক্রি করে একদিনে কোটি কোটি টাকা আয় মালদহ ডিভিশনের, টাকার অঙ্ক চোখ কপালে তুলবে

Last Updated:
Malda Railway Division: বাতিল লোহা আর স্ক্র্যাপ বিক্রি করেই কপাল ফিরল মালদহ রেল ডিভিশনের। পুরনো রেকর্ড ভেঙে একদিনেই ৬৬৫ লক্ষ টাকা আয় করল রেল। এই বিপুল অঙ্কের আয় ডিভিশনের বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রাকে অনেক আগেই ছাপিয়ে গিয়েছে।
1/6
ফেলে দেওয়া লোহার সামগ্রী বেচে কোটি কোটি টাকা আয় মালদহ রেল ডিভিশনের। একদিনেই ৬ কোটি ৬৫ লক্ষ টাকার অপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বিক্রি করে রেকর্ড গড়ল মালদহ রেল ডিভিশন। এই সাফল্যের জেরে চলতি অর্থবর্ষ‌ ২০২৫-২৬ এর স্ক্র্যাপ বিক্রির নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রাও ইতিমধ্যেই ছাড়িয়ে গেছে। (ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
ফেলে দেওয়া লোহার সামগ্রী বেচে কোটি কোটি টাকা আয় মালদহ রেল ডিভিশনের। একদিনেই ৬ কোটি ৬৫ লক্ষ টাকার অপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বিক্রি করে রেকর্ড গড়ল মালদহ রেল ডিভিশন। এই সাফল্যের জেরে চলতি অর্থবর্ষ‌ ২০২৫-২৬ এর স্ক্র্যাপ বিক্রির নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রাও ইতিমধ্যেই ছাড়িয়ে গেছে। (ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
2/6
রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১০ মার্চ অনলাইন ই-অকশনের মাধ্যমে বিভিন্ন দফতরের বাতিল ও অপ্রয়োজনীয় রেল সামগ্রী নিলামে তোলা হয়। সেই নিলাম থেকেই একদিনে মোট ৬.৬৫ কোটি টাকার স্ক্র্যাপ বিক্রি হয়। যা মালদহ ডিভিশনের আর্থিকভাবে একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য।
রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১০ মার্চ অনলাইন ই-অকশনের মাধ্যমে বিভিন্ন দফতরের বাতিল ও অপ্রয়োজনীয় রেল সামগ্রী নিলামে তোলা হয়। সেই নিলাম থেকেই একদিনে মোট ৬.৬৫ কোটি টাকার স্ক্র্যাপ বিক্রি হয়। যা মালদহ ডিভিশনের আর্থিকভাবে একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য।
advertisement
3/6
মালদহ রেল ডিভিশনের ডিআরএম মনিশ কুমার গুপ্তা জানান,
মালদহ রেল ডিভিশনের ডিআরএম মনিশ কুমার গুপ্তা জানান, "মালদহ ডিভিশনের সিনিয়র ডিভিশনাল ম্যাটেরিয়াল ম্যানেজার মোশেস নাগের তত্ত্বাবধানে ম্যাটেরিয়াল ম্যানেজমেন্ট টিমের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে।"
advertisement
4/6
তিনি আরও জানান,
তিনি আরও জানান, "চলতি অর্থবর্ষে মালদহ রেল ডিভিশনের স্ক্র্যাপ বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৩ কোটি টাকা। তবে এই বছর ১০ মার্চ পর্যন্ত সেই অঙ্ক ছাড়িয়ে মোট ২৫.৩৭ কোটি টাকা আয় হয়েছে। যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ১১০ শতাংশ।"
advertisement
5/6
রেল কর্তৃপক্ষের মতে, অপ্রয়োজনীয় ও বাতিল সামগ্রী সময়মতো বিক্রি করার ফলে একদিকে যেমন রেলের অতিরিক্ত আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে, অন্যদিকে স্টেশন ও রেল চত্বর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা এবং পরিকাঠামগতভাবে আরও নিরাপদ ও কার্যকর রাখাও সম্ভব হচ্ছে।
রেল কর্তৃপক্ষের মতে, অপ্রয়োজনীয় ও বাতিল সামগ্রী সময়মতো বিক্রি করার ফলে একদিকে যেমন রেলের অতিরিক্ত আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে, অন্যদিকে স্টেশন ও রেল চত্বর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা এবং পরিকাঠামগতভাবে আরও নিরাপদ ও কার্যকর রাখাও সম্ভব হচ্ছে।
advertisement
6/6
রেলের ‘জিরো স্ক্র্যাপ মিশন’ এর অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয় বলে জানান রেল আধিকারিকরা। ভবিষ্যতেও স্বচ্ছ নিলাম প্রক্রিয়া এবং দক্ষ সম্পদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই কর্মসূচিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে বলে জানিয়েছে পূর্ব রেলের মালদহ রেল ডিভিশন কর্তৃপক্ষ। (ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
রেলের ‘জিরো স্ক্র্যাপ মিশন’ এর অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয় বলে জানান রেল আধিকারিকরা। ভবিষ্যতেও স্বচ্ছ নিলাম প্রক্রিয়া এবং দক্ষ সম্পদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই কর্মসূচিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে বলে জানিয়েছে পূর্ব রেলের মালদহ রেল ডিভিশন কর্তৃপক্ষ। (ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
advertisement
advertisement