advertisement

Success Story: চুলে পাক ধরলেও ফিটনেস অটুট, বুড়ো হাড়ের ভেলকি দেখে থ গোটা দেশ! রিলে রেসে জোড়া স্বর্ণপদক জয় স্কুল শিক্ষিকার

Last Updated:
Malda Success Story: বয়স শুধু সংখ্যামাত্র। তাতে আটকে থাকে না সাফল্যের দৌড়, সেটাই প্রমাণ করে দিলেন ৫৮ বছর বয়সী স্কুল শিক্ষিকা। ৪০০ মিটার ও ১৬০০ মিটার রিলে রেসে প্রথম স্থান অধিকার করে জয় করেন দুটি সোনার পদক।
1/5
বয়স যে কেবল একটি সংখ্যা, তারই জ্বলন্ত প্রমাণ দিলেন মালদহের পঞ্চাশোর্ধ্ব এক স্কুল শিক্ষিকা। জাতীয় স্তরের দৌড় প্রতিযোগিতায় বাংলার হয়ে একাধিক পদক জিতে জেলাকে গর্বিত করলেন লিথু রায় (৫৮)। (ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
বয়স যে কেবল একটি সংখ্যা, তারই জ্বলন্ত প্রমাণ দিলেন মালদহের পঞ্চাশোর্ধ্ব এক স্কুল শিক্ষিকা। জাতীয় স্তরের দৌড় প্রতিযোগিতায় বাংলার হয়ে একাধিক পদক জিতে জেলাকে গর্বিত করলেন লিথু রায় (৫৮)। (ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
2/5
রাজস্থানের আজমেরে আয়োজিত ৭ম ন্যাশনাল মাস্টার্স অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন তিনি। সেখানে চারটি ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে নজরকাড়া সাফল্য অর্জন করেন তিনি। ৫৪ ঊর্ধ্ব মহিলা বিভাগে ৪০০ মিটার ও ১৬০০ মিটার রিলে রেসে প্রথম স্থান অধিকার করে জয় করেন দুটি সোনার পদক।
রাজস্থানের আজমেরে আয়োজিত ৭ম ন্যাশনাল মাস্টার্স অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন তিনি। সেখানে চারটি ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে নজরকাড়া সাফল্য অর্জন করেন তিনি। ৫৪ ঊর্ধ্ব মহিলা বিভাগে ৪০০ মিটার ও ১৬০০ মিটার রিলে রেসে প্রথম স্থান অধিকার করে জয় করেন দুটি সোনার পদক।
advertisement
3/5
পাশাপাশি ৫ কিলোমিটার ওয়াকিং রেসে দ্বিতীয় হয়ে রৌপ্য এবং ৫ কিলোমিটার দৌড় প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান অর্জন করে ব্রোঞ্জ পদক পান তিনি। জাতীয় স্তরের চারটি ইভেন্টে অংশ নিয়ে একাধিক পদক জয় সত্যিই বিরল কৃতিত্ব। তাঁর এই সাফল্যে খুশির হাওয়া দেখা দিয়েছে জেলা ক্রীড়া মহলে।
পাশাপাশি ৫ কিলোমিটার ওয়াকিং রেসে দ্বিতীয় হয়ে রৌপ্য এবং ৫ কিলোমিটার দৌড় প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান অর্জন করে ব্রোঞ্জ পদক পান তিনি। জাতীয় স্তরের চারটি ইভেন্টে অংশ নিয়ে একাধিক পদক জয় সত্যিই বিরল কৃতিত্ব। তাঁর এই সাফল্যে খুশির হাওয়া দেখা দিয়েছে জেলা ক্রীড়া মহলে।
advertisement
4/5
মালদহ শহরের দুর্গাবাড়ি মোড় এলাকার বাসিন্দা লিথু রায় পেশায় একজন স্কুল শিক্ষিকা। গাজোল শ্যামসুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষিকা তিনি। রাজ্য স্তরের মাস্টার্স অ্যাথলেটিক্স মিটে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরই জাতীয় স্তরে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পান তিনি। আর সেই সুযোগকেই সাফল্যে রূপ দিলেন তাঁর অসাধারণ দক্ষতায়।
মালদহ শহরের দুর্গাবাড়ি মোড় এলাকার বাসিন্দা লিথু রায় পেশায় একজন স্কুল শিক্ষিকা। গাজোল শ্যামসুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষিকা তিনি। রাজ্য স্তরের মাস্টার্স অ্যাথলেটিক্স মিটে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরই জাতীয় স্তরে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পান তিনি। আর সেই সুযোগকেই সাফল্যে রূপ দিলেন তাঁর অসাধারণ দক্ষতায়।
advertisement
5/5
সোনা জয়ী লিথু রায় বলেন, “বয়স বাড়লেও খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ একটুও কমেনি। প্রতিদিন নিয়মিত শরীরচর্চা ও অনুশীলন করি। রাজ্য স্তরে প্রথম হওয়ার পর জাতীয় স্তরে খেলার সুযোগ পাই। রিলে রেসে প্রথম হয়ে খুব ভাল লাগছে। আগামী দিনে আন্তর্জাতিক স্তরের জন্য নিজেকে আরও প্রস্তুত করতে চাই।” (ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
সোনা জয়ী লিথু রায় বলেন, “বয়স বাড়লেও খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ একটুও কমেনি। প্রতিদিন নিয়মিত শরীরচর্চা ও অনুশীলন করি। রাজ্য স্তরে প্রথম হওয়ার পর জাতীয় স্তরে খেলার সুযোগ পাই। রিলে রেসে প্রথম হয়ে খুব ভাল লাগছে। আগামী দিনে আন্তর্জাতিক স্তরের জন্য নিজেকে আরও প্রস্তুত করতে চাই।” (ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
advertisement
advertisement