নামেই লুকিয়ে গায়ে কাঁটা দেওয়া গল্প...! ফুল্লরা মন্দির কবে আর কে কী ভাবে প্রতিষ্ঠা করেছিল জানেন?

Last Updated:
Birbhum News: বীরভূম নামের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে নানান অজানা কাহিনী। আর পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় যে কটি সতীপীঠ রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম লাভপুরের ফুল্লরা মন্দির। কথিত আছে ও ভক্তদের বিশ্বাস এখানে সতীর অধর অর্থাৎ নিচের ঠোঁট পড়েছিল। যদিও এই নিয়ে অবশ্য দ্বিমত রয়েছে। কেউ কেউ আবার বলেন পূর্ব বর্ধমানের অট্টহাসে রয়েছে সতীর অধঃওষ্ঠ বা নীচের ঠোঁট। সেই থেকেই নাকি নাম হয়েছে অট্টহাস।
1/5
বীরভূম,সৌভিক রায়: বীরভূম নামের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে নানান অজানা কাহিনী। আর পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় যে কটি সতীপীঠ রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম লাভপুরের ফুল্লরা মন্দির। কথিত আছে ও ভক্তদের বিশ্বাস এখানে সতীর অধর অর্থাৎ নিচের ঠোঁট পড়েছিল। যদিও এই নিয়ে অবশ্য দ্বিমত রয়েছে। কেউ কেউ আবার বলেন পূর্ব বর্ধমানের অট্টহাসে রয়েছে সতীর অধঃওষ্ঠ বা নিচের ঠোঁট। সেই থেকেই নাকি নাম হয়েছে অট্টহাস।
বীরভূম নামের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে নানান অজানা কাহিনী। আর পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় যে কটি সতীপীঠ রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম লাভপুরের ফুল্লরা মন্দির। কথিত আছে ও ভক্তদের বিশ্বাস এখানে সতীর অধর অর্থাৎ নিচের ঠোঁট পড়েছিল। যদিও এই নিয়ে অবশ্য দ্বিমত রয়েছে। কেউ কেউ আবার বলেন পূর্ব বর্ধমানের অট্টহাসে রয়েছে সতীর অধঃওষ্ঠ বা নিচের ঠোঁট। সেই থেকেই নাকি নাম হয়েছে অট্টহাস।ছবি ও তথ্য: সৌভিক রায়
advertisement
2/5
সারাবছর কমবেশি ভক্ত সমাগম হয় ফুল্লরা মন্দিরে। কারণ এই বীরভূমে ৫১ টি সতীপীঠ এর মধ্যে ৫ টি সতীপীঠ রয়েছে। মন্দিরের এক সেবায়েত জানান
সারাবছর কমবেশি ভক্ত সমাগম হয় ফুল্লরা মন্দিরে। কারণ এই বীরভূমে ৫১ টি সতীপীঠ এর মধ্যে ৫ টি সতীপীঠ রয়েছে। মন্দিরের এক সেবায়েত জানান " আগে মায়ের ২টি ছোট মন্দির ছিল। এটি হচ্ছে মায়ের তৃতীয় মন্দির। লাভপুরের জমিদার যাদবলাল বন্দ্যোপাধ্যায় মায়ের পুজো করে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হন নাম অর্জন করেন। তারপর তিনিই ১৩০২ বঙ্গাব্দে এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন। তবে তখন মন্দির ছিল চুনসুড়কির। পরবর্তী কালে তা কংক্রিটে পরিণত করা হয়।"ছবি ও তথ্য: সৌভিক রায়
advertisement
3/5
সারবছরই ভক্তদের আনাগনা থাকে মন্দিরে। ভক্তদের সুবিধার্থে পর্যটন দফতর একটি গেস্ট হাউসও তৈরি করে দিয়েছে এখানে। বর্তমানে মন্দিরের পরিচালন সমিতিই সেটি দেখাশোনা করে। তবে এই মন্দিরে কোনও নির্দিষ্ট প্রতিমা নেই, বরং ১৫-১৮ ফুট উঁচু একটি শিলাখণ্ড দেবীর অধরোষ্ঠের প্রতীক হিসেবে পূজিত হয়। মন্দির চত্বরে পঞ্চমুণ্ডির আসনও বিদ্যমান, যা তন্ত্র সাধনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
সারবছরই ভক্তদের আনাগনা থাকে মন্দিরে। ভক্তদের সুবিধার্থে পর্যটন দফতর একটি গেস্ট হাউসও তৈরি করে দিয়েছে এখানে। বর্তমানে মন্দিরের পরিচালন সমিতিই সেটি দেখাশোনা করে। তবে এই মন্দিরে কোনও নির্দিষ্ট প্রতিমা নেই, বরং ১৫-১৮ ফুট উঁচু একটি শিলাখণ্ড দেবীর অধরোষ্ঠের প্রতীক হিসেবে পূজিত হয়। মন্দির চত্বরে পঞ্চমুণ্ডির আসনও বিদ্যমান, যা তন্ত্র সাধনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।ছবি ও তথ্য: সৌভিক রায়
advertisement
4/5
বহু বছর আগে ফুল্লরা মন্দিরের অদূরে দিনমণির রাজধানী গড়ে ওঠে। ফুল্লরা দেবীর মন্দির প্রথম প্রতিষ্ঠা করেন কৃষ্ণানন্দ গিরি। জানা যায়, একসময় মন্দিরের চূড়ায় স্বর্ণকলস শোভা পেত। প্রচলিত রীতি অনুযায়ী অন্যান্য পীঠের মতো এখানেও ভৌরব শিবের মন্দির রয়েছে।
বহু বছর আগে ফুল্লরা মন্দিরের অদূরে দিনমণির রাজধানী গড়ে ওঠে। ফুল্লরা দেবীর মন্দির প্রথম প্রতিষ্ঠা করেন কৃষ্ণানন্দ গিরি। জানা যায়, একসময় মন্দিরের চূড়ায় স্বর্ণকলস শোভা পেত। প্রচলিত রীতি অনুযায়ী অন্যান্য পীঠের মতো এখানেও ভৌরব শিবের মন্দির রয়েছে।ছবি ও তথ্য: সৌভিক রায়
advertisement
5/5
তবে এবার প্রশ্ন আপনি এখানে যাবেন কী ভাবে! আর কী দেখার রয়েছে? বীরভূমের লাভপুর শহর থেকে অটোরিকশা বা টোটোতে করে এখানে পৌঁছানো যায়। মন্দিরের কাছাকাছি লেখক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়-এর বাড়ি ও জাদুঘর (ঠাকুরবাড়ি) এবং হাঁসুলি বাঁক-এর মতো স্থানও ঘুরে দেখা যায়।
তবে এবার প্রশ্ন আপনি এখানে যাবেন কী ভাবে! আর কী দেখার রয়েছে? বীরভূমের লাভপুর শহর থেকে অটোরিকশা বা টোটোতে করে এখানে পৌঁছানো যায়। মন্দিরের কাছাকাছি লেখক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়-এর বাড়ি ও জাদুঘর (ঠাকুরবাড়ি) এবং হাঁসুলি বাঁক-এর মতো স্থানও ঘুরে দেখা যায়।ছবি ও তথ্য: সৌভিক রায়
advertisement
advertisement
advertisement