advertisement

Cinema Hall: দুর্গাপুর যাওয়ার দিন শেষ, বাঁকুড়ায় খুলছে আধুনিক 'ডোম' থিয়েটার! কী কী সুবিধা থাকছে, এখনই দেখে রাখুন

Last Updated:
Bankura Cinema Hall: দীর্ঘদিন পর বাঁকুড়ায় আবার ফিরছে বড় পর্দার আলো। শালবনি-ছাতনা রোডে প্রায় প্রস্তুত ডোম আকৃতির মিনি থিয়েটার।
1/6
দীর্ঘদিন পর বাঁকুড়া শহরের সাংস্কৃতিক জীবনে ফিরতে চলেছে সিনেমার আলো। শহরের অদূরে শালবনি–ছাতনা রোডে রাস্তার পাশেই তৈরি হচ্ছে এক অভিনব ডোম আকৃতির মিনি থিয়েটার, যার নকশা অনেকটাই প্লানেটরিয়ামের মতো। ছোট হলেও আধুনিক ও আকর্ষণীয় এই প্রেক্ষাগৃহ ইতিমধ্যেই কৌতূহল তৈরি করেছে শহরবাসীর মধ্যে। (ছবি ও তথ্য - নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)
দীর্ঘদিন পর বাঁকুড়া শহরের সাংস্কৃতিক জীবনে ফিরতে চলেছে সিনেমার আলো। শহরের অদূরে শালবনি–ছাতনা রোডে রাস্তার পাশেই তৈরি হচ্ছে এক অভিনব ডোম আকৃতির মিনি থিয়েটার, যার নকশা অনেকটাই প্লানেটরিয়ামের মতো। ছোট হলেও আধুনিক ও আকর্ষণীয় এই প্রেক্ষাগৃহ ইতিমধ্যেই কৌতূহল তৈরি করেছে শহরবাসীর মধ্যে। (ছবি ও তথ্য - নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)
advertisement
2/6
এক সময় বাঁকুড়া শহর ও শহরতলিতে একসঙ্গে পাঁচটি সিনেমা হল ছিল। কুসুম, বিশ্বকর্মা, বীণাপাণি, চণ্ডীদাস ও শিবানী। সিনেমা দেখার সেই রমরমা দিন আজ শুধুই স্মৃতি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সব ক’টি হলই পরিত্যক্ত হয়ে পড়ায়, বাঁকুড়ার যুবসমাজকে সিনেমা দেখতে যেতে হত দুর্গাপুরে, যা ছিল ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ।
এক সময় বাঁকুড়া শহর ও শহরতলিতে একসঙ্গে পাঁচটি সিনেমা হল ছিল। কুসুম, বিশ্বকর্মা, বীণাপাণি, চণ্ডীদাস ও শিবানী। সিনেমা দেখার সেই রমরমা দিন আজ শুধুই স্মৃতি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সব ক’টি হলই পরিত্যক্ত হয়ে পড়ায়, বাঁকুড়ার যুবসমাজকে সিনেমা দেখতে যেতে হত দুর্গাপুরে, যা ছিল ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ।
advertisement
3/6
এই বাস্তবতার মধ্যেই বহুদিনের দাবি ছিল, বাঁকুড়ায় যেন আবার একটি সিনেমা হল গড়ে ওঠে, যেখানে সাধারণ মানুষ সহজেই সিনেমা দেখতে পারবেন। অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণের পথে। বাঁকুড়া শহরের খুব কাছেই, শালবনি এলাকায় তৈরি হচ্ছে এই ডোম আকৃতির মিনি থিয়েটার, যা সিনেমা প্রেমীদের কাছে নতুন আশার আলো জ্বালাচ্ছে।
এই বাস্তবতার মধ্যেই বহুদিনের দাবি ছিল, বাঁকুড়ায় যেন আবার একটি সিনেমা হল গড়ে ওঠে, যেখানে সাধারণ মানুষ সহজেই সিনেমা দেখতে পারবেন। অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণের পথে। বাঁকুড়া শহরের খুব কাছেই, শালবনি এলাকায় তৈরি হচ্ছে এই ডোম আকৃতির মিনি থিয়েটার, যা সিনেমা প্রেমীদের কাছে নতুন আশার আলো জ্বালাচ্ছে।
advertisement
4/6
এই মিনি থিয়েটারটি “ছোটু মহারাজ” নামক একটি ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে যুক্ত হয়ে তৈরি করছেন বাঁকুড়ার ব্যবসায়ী পার্থ গড়াই। তাঁর যৌথ উদ্যোগে নির্মিত এই থিয়েটারটি হবে একটি সিঙ্গেল স্ক্রিন প্রেক্ষাগৃহ, যেখানে একসঙ্গে ১০০ জন দর্শক বসতে পারবেন। সব ধরনের নতুন ও জনপ্রিয় সিনেমা এখানে প্রদর্শিত হবে।
এই মিনি থিয়েটারটি “ছোটু মহারাজ” নামক একটি ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে যুক্ত হয়ে তৈরি করছেন বাঁকুড়ার ব্যবসায়ী পার্থ গড়াই। তাঁর যৌথ উদ্যোগে নির্মিত এই থিয়েটারটি হবে একটি সিঙ্গেল স্ক্রিন প্রেক্ষাগৃহ, যেখানে একসঙ্গে ১০০ জন দর্শক বসতে পারবেন। সব ধরনের নতুন ও জনপ্রিয় সিনেমা এখানে প্রদর্শিত হবে।
advertisement
5/6
প্রায় ৭৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে তৈরি এই থিয়েটারে থাকছে আধুনিক সাউন্ড সিস্টেম, আরামদায়ক আসন ও উন্নত মানের পর্দা। ছোট পরিসরে হলেও এটি বাঁকুড়ার বিনোদন জগতে নতুন দিগন্ত খুলে দেবে বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা।
প্রায় ৭৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে তৈরি এই থিয়েটারে থাকছে আধুনিক সাউন্ড সিস্টেম, আরামদায়ক আসন ও উন্নত মানের পর্দা। ছোট পরিসরে হলেও এটি বাঁকুড়ার বিনোদন জগতে নতুন দিগন্ত খুলে দেবে বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা।
advertisement
6/6
সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ১/০৩/২৬ তারিখে এই ডোম আকৃতির মিনি থিয়েটারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হওয়ার কথা। দীর্ঘ অপেক্ষার পর বাঁকুড়ার মানুষ আবার নিজের শহরেই সিনেমার আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন। অতীতের স্মৃতি আর ভবিষ্যতের স্বপ্নের মাঝে দাঁড়িয়ে এই নতুন উদ্যোগ কি আবার ফিরিয়ে আনবে বাঁকুড়ার হারিয়ে যাওয়া সিনেমা সংস্কৃতি। সেই দিকেই তাকিয়ে এখন গোটা জেলা। (ছবি ও তথ্য - নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)
সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ১/০৩/২৬ তারিখে এই ডোম আকৃতির মিনি থিয়েটারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হওয়ার কথা। দীর্ঘ অপেক্ষার পর বাঁকুড়ার মানুষ আবার নিজের শহরেই সিনেমার আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন। অতীতের স্মৃতি আর ভবিষ্যতের স্বপ্নের মাঝে দাঁড়িয়ে এই নতুন উদ্যোগ কি আবার ফিরিয়ে আনবে বাঁকুড়ার হারিয়ে যাওয়া সিনেমা সংস্কৃতি। সেই দিকেই তাকিয়ে এখন গোটা জেলা। (ছবি ও তথ্য - নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)
advertisement
advertisement
advertisement