advertisement

Agriculture: দরকার নেই জমি চষার, লাগবে না সারও! নামমাত্র পরিশ্রমে এই পদ্ধতিতে জমিতে বীজ ফেললেই ফলবে 'সোনা'

Last Updated:
এই পদ্ধতিতে চাষ করতে প্রয়োজন নেই সার, কিংবা কর্ষণের
1/6
এই চাষ করতে প্রয়োজন নেই সার, কিংবা কর্ষণের। খুব কম পরিশ্রমেই ভাল ফলন আসতে বাধ্য। এছাড়াও প্রয়োজন নেই কোনও রাসায়নিক কিংবা কীটনাশকের।
এই চাষ করতে প্রয়োজন নেই সার কিংবা কর্ষণের। খুব কম পরিশ্রমেই ভাল ফলন আসতে বাধ্য। এছাড়াও প্রয়োজন নেই কোনও রাসায়নিক কিংবা কীটনাশকের।
advertisement
2/6
ছাতনা ব্লকের হরিবান্ধি, মিরগা ও জুগুন্থল, বালিদুমদুমি প্রভৃতি গ্রামের আদিবাসীরা বিঘার পর বিঘা জমিতে এই চাষ শুরু করেছেন। ফলনও হয়েছে বেশ।
ছাতনা ব্লকের হরিবান্ধি, মিরগা ও জুগুন্থল, বালিদুমদুমি প্রভৃতি গ্রামের আদিবাসীরা বিঘার পর বিঘা জমিতে এই চাষ শুরু করেছেন। ফলনও হয়েছে বেশ।
advertisement
3/6
একপ্রকার পরীক্ষা মূলক ভাবেই শুরু হয়েছে বিনা কর্ষণে পয়রা পদ্ধতিতে ডাল,শষ্য ও তৈলবীজের চাষ। প্রায় ১০০ বিঘা জমির উপরে প্রায় ১৫০ জন কৃষক এই চাষ করছেন।
একপ্রকার পরীক্ষামূলক ভাবেই শুরু হয়েছে বিনা কর্ষণে পয়রা পদ্ধতিতে ডাল, শষ্য ও তৈলবীজের চাষ। প্রায় ১০০ বিঘা জমির উপরে প্রায় ১৫০ জন কৃষক এই চাষ করছেন।
advertisement
4/6
বিনা কর্ষণে পয়রা পদ্ধতিতে ডাল শষ্য ও তৈল বীজের মিশ্র চাষ। মূলত খেসারী,ঘেঁসোমটর ও তিসীর চাষ হচ্ছে বাঁকুড়ার ছাতনায়। স্বল্প খরচে দেশি বীজ ব্যবহার করে বাড়তি ফসল ও আয়ের সুযোগ হবে পাশা পাশি জমির সঠিক ব্যবহার হবে মাটির জৈব পদার্থ ও স্বাস্থ্য বৃদ্ধি পাবে।
বিনা কর্ষণে পয়রা পদ্ধতিতে ডাল শষ্য ও তৈল বীজের মিশ্র চাষ। মূলত খেসারী, ঘেঁসোমটর ও তিসীর চাষ হচ্ছে বাঁকুড়ার ছাতনায়। স্বল্প খরচে দেশি বীজ ব্যবহার করে বাড়তি ফসল ও আয়ের সুযোগ হবে পাশাপাশি জমির সঠিক ব্যবহার হবে মাটির জৈব পদার্থ ও স্বাস্থ্য বৃদ্ধি পাবে।
advertisement
5/6
যদিও বৃষ্টি নির্ভর এলাকায় এবং কেবল মাত্র নীচু জমিতেই এই চাষ ভাল হয়, রয়েছে তৈল বীজও।
যদিও বৃষ্টি নির্ভর এলাকায় এবং কেবলমাত্র নীচু জমিতেই এই চাষ ভাল হয়, রয়েছে তৈল বীজও।
advertisement
6/6
আদিবাসী গ্রামবাসীদের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনে এবং একদম জৈব পদ্ধতিতে পুষ্টিগুণ সম্পন্ন দেশী শস্য উৎপাদনের লক্ষ্যেই এই পয়রা চাষ বাঁকুড়ায়। বাঁকুড়ার মাটি এই চাষের জন্য দুর্দান্ত কার্যকরী না হলেও নীচু ভূমি ব্যাবহার করে আপাতত ভাল ফল পাওয়া যাচ্ছে।
আদিবাসী গ্রামবাসীদের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনে এবং একদম জৈব পদ্ধতিতে পুষ্টিগুণ সম্পন্ন দেশী শস্য উৎপাদনের লক্ষ্যেই এই পয়রা চাষ বাঁকুড়ায়। বাঁকুড়ার মাটি এই চাষের জন্য দুর্দান্ত কার্যকরী না হলেও নীচু ভূমি ব্যবহার করে আপাতত ভাল ফল পাওয়া যাচ্ছে।
advertisement
advertisement
advertisement