advertisement

উত্তরের বিপর্যয়ের রেশ কাটেনি, এর মাঝেই সুন্দরবনের কাছে একি অবস্থা! আতঙ্কে দিশেহারা মানুষ, ছবিতে দেখুন কী হল

Last Updated:
Raimangal River Erosion: চাষিরা জানিয়েছেন, বাঁধ পুরোপুরি ভেঙে গেলে কয়েক হাজার বিঘা কৃষিজমি নদীর জলে তলিয়ে যাবে। কৃষিজমি ও মাছ চাষ এক মুহূর্তে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু জমিতে নদীর নোনা জল ঢুকে পড়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
1/6
সুন্দরবন লাগোয়া হেমনগর অঞ্চলে ফের নদী বাঁধে বড়সড় ধস। এদিন রাতে রায়মঙ্গল নদীর প্রায় ২০০ মিটার বাঁধ নদীর জলে ভেঙে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে বাঁধের অর্ধেকেরও বেশি অংশ নদীগর্ভে তলিয়ে যায়। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সমগ্র এলাকায়। নদীর বাঁধ ভেঙে গেলে হেমনগর সহ পার্শ্ববর্তী কমপক্ষে দশটি গ্রাম জলের নিচে চলে যাওয়ার আশঙ্কায় দিশেহারা মানুষ। (ছবি ও তথ্যঃ জুলফিকার মোল্যা)
সুন্দরবন লাগোয়া হেমনগর অঞ্চলে ফের নদী বাঁধে বড়সড় ধস। এদিন রাতে রায়মঙ্গল নদীর প্রায় ২০০ মিটার বাঁধ নদীর জলে ভেঙে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে বাঁধের অর্ধেকেরও বেশি অংশ নদীগর্ভে তলিয়ে যায়। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সমগ্র এলাকায়। নদীর বাঁধ ভেঙে গেলে হেমনগর সহ পার্শ্ববর্তী কমপক্ষে দশটি গ্রাম জলের নিচে চলে যাওয়ার আশঙ্কায় দিশেহারা মানুষ। (ছবি ও তথ্যঃ জুলফিকার মোল্যা)
advertisement
2/6
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে ওই বাঁধে ফাটল দেখা দিয়েছিল। গত কয়েকদিনের ভাটার সময় নদীর তীব্র স্রোতে ফাটল বড় হতে হতে এদিন রাতে হঠাৎ ধস নামে। বাঁধের মাটি ধসে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই নদীর জল গর্জন তুলে ভিতরে ঢুকতে শুরু করে। রাতের অন্ধকারে বাঁধ সংলগ্ন গ্রামগুলিতে আতঙ্ক ছড়ায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে ওই বাঁধে ফাটল দেখা দিয়েছিল। গত কয়েকদিনের ভাটার সময় নদীর তীব্র স্রোতে ফাটল বড় হতে হতে এদিন রাতে হঠাৎ ধস নামে। বাঁধের মাটি ধসে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই নদীর জল গর্জন তুলে ভিতরে ঢুকতে শুরু করে। রাতের অন্ধকারে বাঁধ সংলগ্ন গ্রামগুলিতে আতঙ্ক ছড়ায়।
advertisement
3/6
চাষিরা জানিয়েছেন, বাঁধ পুরোপুরি ভেঙে গেলে কয়েক হাজার বিঘা কৃষিজমি নদীর জলে তলিয়ে যাবে। কৃষিজমি ও মাছ চাষ এক মুহূর্তে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু জমিতে নদীর নোনা জল ঢুকে পড়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। এই অবস্থায় সর্বত্র সরকারি হস্তক্ষেপের দাবি উঠেছে।
চাষিরা জানিয়েছেন, বাঁধ পুরোপুরি ভেঙে গেলে কয়েক হাজার বিঘা কৃষিজমি নদীর জলে তলিয়ে যাবে। কৃষিজমি ও মাছ চাষ এক মুহূর্তে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু জমিতে নদীর নোনা জল ঢুকে পড়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। এই অবস্থায় সর্বত্র সরকারি হস্তক্ষেপের দাবি উঠেছে।
advertisement
4/6
হেমনগর ও আশপাশের এলাকায় এখন যুদ্ধকালীন তৎপরতা চলছে। গ্রামবাসীরা স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধে বালির বস্তা ফেলে সাময়িক প্রতিরোধ গড়ে তুলছেন। নারকেল গাছ, বাঁশ, বস্তা, যা হাতে পাচ্ছেন তাই দিয়ে নিজেদের মতো করে বাঁধ বাঁচানোর চেষ্টা করছেন এলাকাবাসী।
হেমনগর ও আশপাশের এলাকায় এখন যুদ্ধকালীন তৎপরতা চলছে। গ্রামবাসীরা স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধে বালির বস্তা ফেলে সাময়িক প্রতিরোধ গড়ে তুলছেন। নারকেল গাছ, বাঁশ, বস্তা, যা হাতে পাচ্ছেন তাই দিয়ে নিজেদের মতো করে বাঁধ বাঁচানোর চেষ্টা করছেন এলাকাবাসী।
advertisement
5/6
বর্তমানে এলাকায় নদীর স্রোত ক্রমেই বাড়ছে। ভাটার পর পরবর্তী জোয়ারে জলস্তর আরও বৃদ্ধি পেলে বিপদের আশঙ্কা প্রবল। স্থানীয়রা প্রশাসনের কাছে স্থায়ী বাঁধ সংস্কার ও শক্তপোক্ত রক্ষণাবেক্ষণের দাবি তুলেছেন।
বর্তমানে এলাকায় নদীর স্রোত ক্রমেই বাড়ছে। ভাটার পর পরবর্তী জোয়ারে জলস্তর আরও বৃদ্ধি পেলে বিপদের আশঙ্কা প্রবল। স্থানীয়রা প্রশাসনের কাছে স্থায়ী বাঁধ সংস্কার ও শক্তপোক্ত রক্ষণাবেক্ষণের দাবি তুলেছেন।
advertisement
6/6
রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন স্থানীয় বিধায়ক। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে প্রশাসনকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন। পঞ্চায়েত ও সেচ দফতরের আধিকারিকরাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বাঁধ মেরামতির পরিকল্পনা নেন। বিধায়ক জানান, “এমন পরিস্থিতিতে প্রশাসন সর্বশক্তি দিয়ে কাজ শুরু করেছে। বাঁধ পুরোপুরি রক্ষা করতে না পারলে বড় বিপর্যয় ঘটতে পারে।” (ছবি ও তথ্যঃ জুলফিকার মোল্যা)
রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন স্থানীয় বিধায়ক। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে প্রশাসনকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন। পঞ্চায়েত ও সেচ দফতরের আধিকারিকরাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বাঁধ মেরামতির পরিকল্পনা নেন। বিধায়ক জানান, “এমন পরিস্থিতিতে প্রশাসন সর্বশক্তি দিয়ে কাজ শুরু করেছে। বাঁধ পুরোপুরি রক্ষা করতে না পারলে বড় বিপর্যয় ঘটতে পারে।” (ছবি ও তথ্যঃ জুলফিকার মোল্যা)
advertisement
advertisement
advertisement