advertisement

অস্ত্রোপচারে কমছে গজের চাহিদা! নন-স্টিক প্যাড কিংবা তরল ব্যান্ডেজে সারছে রোগী, এদিকে পেটে টান তাঁতিদের

Last Updated:
Gauze Bandages: বর্তমানে চিকিৎসা ক্ষেত্রে গজ ব্যান্ডেজের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ না হলেও আগের মতো চাহিদা নেই। অস্ত্রোপচার বা ছোটখাটো চিকিৎসায় এখন বিশেষ ধরনের আঠা ও টেপ ব্যবহার বাড়ায় ব্যান্ডেজের উপর নির্ভরশীলতা কমে গিয়েছে।
1/6
দুর্ঘটনা কিংবা অসুখ-বিসুখে গজ ব্যান্ডেজের ব্যবহার একসময় ছিল অপরিহার্য। উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার দেভোগ, মাঝেরপাড়া, বাগানআইট-সহ একাধিক গ্রাম বহুদিন ধরেই পরিচিত এই গজ ব্যান্ডেজ তৈরির জন্য। তাঁত শিল্পের মাধ্যমেই প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তৈরি হচ্ছে এই ব্যান্ডেজ। (ছবি ও তথ্য: জুলফিকার মোল্যা)
দুর্ঘটনা কিংবা অসুখ-বিসুখে গজ ব্যান্ডেজের ব্যবহার একসময় ছিল অপরিহার্য। উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার দেভোগ, মাঝেরপাড়া, বাগানআইট-সহ একাধিক গ্রাম বহুদিন ধরেই পরিচিত এই গজ ব্যান্ডেজ তৈরির জন্য। তাঁত শিল্পের মাধ্যমেই প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তৈরি হচ্ছে এই ব্যান্ডেজ। (ছবি ও তথ্য: জুলফিকার মোল্যা)
advertisement
2/6
তবে বর্তমানে চিকিৎসা ক্ষেত্রে গজ ব্যান্ডেজের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ না হলেও আগের মতো চাহিদা নেই। অস্ত্রোপচার বা ছোটখাটো চিকিৎসায় এখন বিশেষ ধরনের আঠা ও টেপ ব্যবহার বাড়ায় ব্যান্ডেজের উপর নির্ভরশীলতা কমে গিয়েছে। এর ফলে বসিরহাটের গজ ব্যান্ডেজ শিল্পীরা আর্থিক টানাপোড়েনের মুখে পড়েছেন।
তবে বর্তমানে চিকিৎসা ক্ষেত্রে গজ ব্যান্ডেজের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ না হলেও আগের মতো চাহিদা নেই। অস্ত্রোপচার বা ছোটখাটো চিকিৎসায় এখন বিশেষ ধরনের আঠা ও টেপ ব্যবহার বাড়ায় ব্যান্ডেজের উপর নির্ভরশীলতা কমে গিয়েছে। এর ফলে বসিরহাটের গজ ব্যান্ডেজ শিল্পীরা আর্থিক টানাপোড়েনের মুখে পড়েছেন।
advertisement
3/6
অন্যদিকে, সুতো, তুলো, রঙ-সহ প্রয়োজনীয় কাঁচামালের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। এতে উৎপাদন খরচ বাড়লেও আয় বাড়েনি। সংসারের খরচ মেটানো কার্যত অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবুও পেটের টানে তাঁত মেশিনে গজ ব্যান্ডেজ তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন শিল্পীরা।
অন্যদিকে, সুতো, তুলো, রঙ-সহ প্রয়োজনীয় কাঁচামালের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। এতে উৎপাদন খরচ বাড়লেও আয় বাড়েনি। সংসারের খরচ মেটানো কার্যত অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবুও পেটের টানে তাঁত মেশিনে গজ ব্যান্ডেজ তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন শিল্পীরা।
advertisement
4/6
দেভোগ থেকে শুরু করে বসিরহাট পুরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় গেলে সারাদিন শোনা যায় তাঁতের খটখট শব্দ। আগে হাতে চালানো হলেও এখন বিদ্যুতের মাধ্যমে তাঁত চালানো হয়। কিন্তু প্রযুক্তির ছোঁয়া পেলেও আয়ের অঙ্কে স্বস্তি মেলেনি।
দেভোগ থেকে শুরু করে বসিরহাট পুরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় গেলে সারাদিন শোনা যায় তাঁতের খটখট শব্দ। আগে হাতে চালানো হলেও এখন বিদ্যুতের মাধ্যমে তাঁত চালানো হয়। কিন্তু প্রযুক্তির ছোঁয়া পেলেও আয়ের অঙ্কে স্বস্তি মেলেনি।
advertisement
5/6
সুনীল মণ্ডল অভিজ্ঞ তাঁত শিল্পী জানালেন, তিনি প্রায় ৪৫ বছর ধরে এই পেশায় আছেন। দিনে চারটি তাঁত মেশিন চালিয়েও একজন মজুর সর্বোচ্চ ২০০ টাকা উপার্জন করতে পারেন। এই সামান্য আয়ে সংসার টানা কার্যত অসম্ভব হলেও অন্য কাজ না মেলায় পুরনো ঐতিহ্য আঁকড়ে রয়েছেন তারা।
সুনীল মণ্ডল অভিজ্ঞ তাঁত শিল্পী জানালেন, তিনি প্রায় ৪৫ বছর ধরে এই পেশায় আছেন। দিনে চারটি তাঁত মেশিন চালিয়েও একজন মজুর সর্বোচ্চ ২০০ টাকা উপার্জন করতে পারেন। এই সামান্য আয়ে সংসার টানা কার্যত অসম্ভব হলেও অন্য কাজ না মেলায় পুরনো ঐতিহ্য আঁকড়ে রয়েছেন তারা।
advertisement
6/6
আর এক শিল্পীর কথায়,  'এ আমাদের বাপ-ঠাকুরদার ব্যবসা। বয়স হয়েছে, তাই অন্য কাজ জোটানো মুশকিল। সংসার না চললেও তাঁত চালিয়েই দিন কাটছে'। মানুষের সুস্থতার জন্য ব্যান্ডেজ বানালেও নিজেদের আর্থিক সুস্থতা ফিরবে কবে - সেই উত্তর আজও খুঁজে চলেছেন বসিরহাটের তাঁত শিল্পীরা।
আর এক শিল্পীর কথায়,  'এ আমাদের বাপ-ঠাকুরদার ব্যবসা। বয়স হয়েছে, তাই অন্য কাজ জোটানো মুশকিল। সংসার না চললেও তাঁত চালিয়েই দিন কাটছে'। মানুষের সুস্থতার জন্য ব্যান্ডেজ বানালেও নিজেদের আর্থিক সুস্থতা ফিরবে কবে - সেই উত্তর আজও খুঁজে চলেছেন বসিরহাটের তাঁত শিল্পীরা।
advertisement
advertisement
advertisement