advertisement

পৃথিবীতে সব থেকে বেশি শিকার হয় এই প্রাণীর! ৩০ হাজার টাকা কেজি মাংস বিক্রি হয় লুকিয়ে!

Last Updated:
pangolin- এই প্রাণী প্রায় সাড়ে চার ফিট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। কীটপতঙ্গ ও পিঁপড়ে খেয়ে বেঁচে থাকে এরা। শিকারীদের উৎপাতে এই প্রাণীর অস্তিত্ব এখন বিপন্ন।
1/5
বিহারের একমাত্র টাইগার রিজার্ভ "বাল্মিকী"-তে এমন একটি প্রাণীর সন্ধান পাওয়া যায়, যা নিয়ে বিশ্বব্যাপী নানা ভুল ধারণা ছড়িয়ে আছে। এই ভুল ধারণার কারণে এই প্রাণীটিকে পৃথিবীর সমস্ত প্রাণীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শিকার করা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রাণীটিকে এত বেসি শিকার করা হয়েছে যে বর্তমানে এটি বিলুপ্তির পথে।
বিহারের একমাত্র টাইগার রিজার্ভ "বাল্মিকী"-তে এমন একটি প্রাণীর সন্ধান পাওয়া যায়, যা নিয়ে বিশ্বব্যাপী নানা ভুল ধারণা ছড়িয়ে আছে। এই ভুল ধারণার কারণে এই প্রাণীটিকে পৃথিবীর সমস্ত প্রাণীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শিকার করা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রাণীটিকে এত বেসি শিকার করা হয়েছে যে বর্তমানে এটি বিলুপ্তির পথে।
advertisement
2/5
এই প্রাণীর নাম প্যাঙ্গুলিন। বিপদ বুঝলে এরা নিজেকে একটি বলের মতো করে গুটিয়ে নেয়। নেচার এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ সোসাইটির কর্তা এবং বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ অভিষেক গত ২৫ বছর ধরে কাজ করছেন। তিনি লোকাল 18-কে বলেছেন, প্যাঙ্গোলিন পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী। প্যাঙ্গোলিনের শরীরের উপরের আবরণও কেরাটিন দিয়ে তৈরি।
এই প্রাণীর নাম প্যাঙ্গুলিন। বিপদ বুঝলে এরা নিজেকে একটি বলের মতো করে গুটিয়ে নেয়। নেচার এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ সোসাইটির কর্তা এবং বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ অভিষেক গত ২৫ বছর ধরে কাজ করছেন। তিনি লোকাল 18-কে বলেছেন, প্যাঙ্গোলিন পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী। প্যাঙ্গোলিনের শরীরের উপরের আবরণও কেরাটিন দিয়ে তৈরি।
advertisement
3/5
চিনে এই প্রাণীর চাহিদা রয়েছে। এই প্রাণীর এক কেজি মাংস সেখানে ভারতীয় মুদ্রায় ২৭ থেকে ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। এমনকী এই প্রাণীর হাড়ও ওষুধ তৈরিতে কাজে লাগে।
চিনে এই প্রাণীর চাহিদা রয়েছে। এই প্রাণীর এক কেজি মাংস সেখানে ভারতীয় মুদ্রায় ২৭ থেকে ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। এমনকী এই প্রাণীর হাড়ও ওষুধ তৈরিতে কাজে লাগে।
advertisement
4/5
ট্র্যাডিশনাল চাইনিজ মেডিসিন তৈরিতে এই প্রাণীকে ব্যবহার করে চিনারা। বহিরাগত প্রাণী হিসেবে প্যাঙ্গুলিনকে দেখা হয় চিনে।
ট্র্যাডিশনাল চাইনিজ মেডিসিন তৈরিতে এই প্রাণীকে ব্যবহার করে চিনারা। বহিরাগত প্রাণী হিসেবে প্যাঙ্গুলিনকে দেখা হয় চিনে।
advertisement
5/5
এই প্রাণী প্রায় সাড়ে টার ফিট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। কীটপতঙ্গ ও পিঁপড়ে খেয়ে বেঁচে থাকে এরা। শিকারীদের উৎপাতে এই প্রাণীর অস্তিত্ব এখন বিপন্ন।
এই প্রাণী প্রায় সাড়ে চার ফিট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। কীটপতঙ্গ ও পিঁপড়ে খেয়ে বেঁচে থাকে এরা। শিকারীদের উৎপাতে এই প্রাণীর অস্তিত্ব এখন বিপন্ন।
advertisement
advertisement
advertisement