advertisement

Hospital Drainage : হাসপাতালের 'গা ঘিনঘিনে' পরিবেশ থেকে এবার মুক্তি আসন্ন, নিকাশিনালার মাস্টার প্ল্যানের কাজ শুরু

Last Updated:
Hospital Drainage : আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে শুরু হল মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী নিকাশি ব্যবস্থার কাজ। দুর্ভোগ থেকে মুক্তি রোগী থেকে স্বাস্থ্য কর্মী সকলের।
1/5
আলিপুরদুয়ার, অনন্যা দে : এবারে জেলা হাসপাতালে গিয়ে নাকে রুমাল চাপা দিতে হবে না আপনাকে। আবর্জনা দেখে গা গুলিয়ে ওঠার সম্ভাবনা কমবে।জেলা হাসপাতালে নিকাশি নিয়ে মাস্টার প্ল্যান তৈরি হয়েছে।শুরু হয়েছে কাজ।
এবারে জেলা হাসপাতালে গিয়ে নাকে রুমাল চাপা দিতে হবে না আপনাকে। আবর্জনা দেখে গা গুলিয়ে ওঠার সম্ভাবনা কমবে। জেলা হাসপাতালে নিকাশি নিয়ে মাস্টার প্ল্যান তৈরি হয়েছে। শুরু হয়েছে কাজ। (ছবি ও তথ্য - অনন্যা দে)
advertisement
2/5
অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে শুরু হল মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী নিকাশি ব্যবস্থার কাজ।দীর্ঘদিন ধরে আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে নিকাশি ব্যবস্থা একেবারেই ভেঙ্গে পড়েছিল। বর্ষার সময় বাদেও হাসপাতাল ভাসত নোংরা জলে।
অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে শুরু হল মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী নিকাশি ব্যবস্থার কাজ। দীর্ঘদিন ধরে আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে নিকাশি ব্যবস্থা একেবারেই ভেঙে পড়েছিল। বর্ষার সময় বাদেও হাসপাতাল ভাসত নোংরা জলে।
advertisement
3/5
ড্রেনের নোংরা জল উপচে পড়ত ওয়ার্ডে। জলের সঙ্গে ওয়ার্ডে ঢুকে যেত নালায় বসবাস করা কীট পতঙ্গ।আর যার ফলে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা নানান সমস্যার মুখোমুখি হতেন হাসপাতালে এসে। এবার সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হতে চলেছে।
ড্রেনের নোংরা জল উপচে পড়ত ওয়ার্ডে। জলের সঙ্গে ওয়ার্ডে ঢুকে যেত নালায় বসবাস করা কীট পতঙ্গ। আর যার ফলে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা নানান সমস্যার মুখোমুখি হতেন হাসপাতালে এসে। এবার সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হতে চলেছে।
advertisement
4/5
জেলা হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান সুমন কাঞ্জিলালের উদ্যোগে হাসপাতালে নিকাশি ব্যবস্থা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। প্রায় দু কোটি টাকা মঞ্জুর হয়েছে কাজের জন্য। টেন্ডার হয়ে শিলান্যাসও হয়ে গিয়েছে কাজের।
জেলা হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান সুমন কাঞ্জিলালের উদ্যোগে হাসপাতালে নিকাশি ব্যবস্থা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। প্রায় দু কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে কাজের জন্য। টেন্ডার হয়ে শিলান্যাসও হয়ে গিয়েছে কাজের।
advertisement
5/5
হাসপাতালে রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান সুমন কাঞ্জিলাল ও হাসপাতাল সুপার পরিতোষ মন্ডল পূর্ত দফতরের এক্সকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার, ঠিকাদারকে পুরো কাজ কীভাবে সম্পন্ন করতে হবে তা জেলা হাসপাতাল ঘুরে বুঝিয়ে দেন।
হাসপাতালে রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান সুমন কাঞ্জিলাল ও হাসপাতাল সুপার পরিতোষ মন্ডল পূর্ত দফতরের এক্সকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার, ঠিকাদারকে পুরো কাজ কীভাবে সম্পন্ন করতে হবে, তা জেলা হাসপাতাল ঘুরে বুঝিয়ে দেন। (ছবি ও তথ্য - অনন্যা দে)
advertisement
advertisement
advertisement