Harish Rana Update: হরিশ রানার মৃত্যু যন্ত্রণা লাঘব করতে মস্তিষ্কে দেওয়া হচ্ছে বিশেষ ওষুধ, মৃত্যুকে তরান্বিত করা হচ্ছে সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে
- Published by:Debalina Datta
Last Updated:
Harish Rana Update: ইচ্ছামৃত্যুর ক্ষেত্রে প্রোটোকল হল সর্বোত্তম স্বার্থ নীতি। যখন কোনো রোগী নিজের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না, তখন মেডিকেল বোর্ড এবং পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসা করা উচিত যে রোগী কী চাইতেন।
কলকাতা: একটাই লক্ষ্য- কষ্ট যত সম্ভব কম দেওয়া৷ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এইমস-এ হরিশ রানার ইচ্ছামৃত্যুর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পদ্ধতি শুরু হয়েছে৷ তাঁর জীবন রক্ষাকারী ব্যবস্থা, যার মধ্যে ফিডিং টিউব এবং ভেন্টিলেটর- তা খুলে নেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ বছর ধরে কোমায় থাকা হরিশ রানাকে এখন জেনারেল বেডে স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে হরিশ রানার অবস্থা স্থিতিশীল। সুপ্রিম কোর্ট হরিশ রানাকে ইচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দেওয়ার পর, এইমসের একটি মেডিকেল বোর্ড তাঁর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছে। যদিও হরিশ রানার ফিডিং টিউব খুলে ফেলা হয়েছে, ডাক্তাররা এখনও মস্তিষ্কের জন্য আরামদায়ক ওষুধ দিচ্ছেন। Photo- Collected
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
সর্বোত্তম স্বার্থ নীতি কী?ইচ্ছামৃত্যুর ক্ষেত্রে প্রোটোকল হল সর্বোত্তম স্বার্থ নীতি। যখন কোনো রোগী নিজের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না, তখন মেডিকেল বোর্ড এবং পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসা করা উচিত যে রোগী কী চাইতেন। হরিশ রানা মামলাতেও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছিল। এমনকি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথনও হরিশ রানাকে পরোক্ষ ইচ্ছামৃত্যু মঞ্জুর করার সিদ্ধান্তে রোগীর সর্বোত্তম স্বার্থের কথা উল্লেখ করেছিলেন।
advertisement
আদালত ৩০ দিনের বিবেচনার সময়সীমা নির্ধারন করেছেহরিশ রানার মামলায়, আদালত ৩০ দিনের বিবেচনার সময়সীমা প্রদান করপেছে, কারণ মেডিকেল বোর্ড এবং পরিবারের সদস্যরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিলেন যে হরিশ রানার সুস্থ হয়ে ওঠা এখন তার নাগালের বাইরে। ফলস্বরূপ, হরিশ রানার জন্য ইচ্ছামৃত্যুর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।








