advertisement

Harish Rana Update: হরিশ রানার মৃত্যু যন্ত্রণা লাঘব করতে মস্তিষ্কে দেওয়া হচ্ছে বিশেষ ওষুধ, মৃত্যুকে তরান্বিত করা হচ্ছে সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে

Last Updated:
Harish Rana Update: ইচ্ছামৃত্যুর ক্ষেত্রে প্রোটোকল হল সর্বোত্তম স্বার্থ নীতি। যখন কোনো রোগী নিজের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না, তখন মেডিকেল বোর্ড এবং পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসা করা উচিত যে রোগী কী চাইতেন।
1/7
কলকাতা: একটাই লক্ষ্য- কষ্ট যত সম্ভব কম দেওয়া৷ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে  এইমস-এ হরিশ রানার ইচ্ছামৃত্যুর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পদ্ধতি শুরু হয়েছে৷  তাঁর জীবন রক্ষাকারী ব্যবস্থা, যার মধ্যে ফিডিং টিউব এবং ভেন্টিলেটর- তা খুলে নেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ বছর ধরে কোমায় থাকা হরিশ রানাকে এখন জেনারেল বেডে স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে হরিশ রানার অবস্থা স্থিতিশীল। সুপ্রিম কোর্ট হরিশ রানাকে ইচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দেওয়ার পর, এইমসের একটি মেডিকেল বোর্ড তাঁর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছে। যদিও হরিশ রানার ফিডিং টিউব খুলে ফেলা হয়েছে, ডাক্তাররা এখনও মস্তিষ্কের জন্য আরামদায়ক ওষুধ দিচ্ছেন। Photo- Collected 
কলকাতা: একটাই লক্ষ্য- কষ্ট যত সম্ভব কম দেওয়া৷ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে  এইমস-এ হরিশ রানার ইচ্ছামৃত্যুর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পদ্ধতি শুরু হয়েছে৷  তাঁর জীবন রক্ষাকারী ব্যবস্থা, যার মধ্যে ফিডিং টিউব এবং ভেন্টিলেটর- তা খুলে নেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ বছর ধরে কোমায় থাকা হরিশ রানাকে এখন জেনারেল বেডে স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে হরিশ রানার অবস্থা স্থিতিশীল। সুপ্রিম কোর্ট হরিশ রানাকে ইচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দেওয়ার পর, এইমসের একটি মেডিকেল বোর্ড তাঁর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছে। যদিও হরিশ রানার ফিডিং টিউব খুলে ফেলা হয়েছে, ডাক্তাররা এখনও মস্তিষ্কের জন্য আরামদায়ক ওষুধ দিচ্ছেন। Photo- Collected
advertisement
2/7
হরিশ রানার বাবা-মা কাউন্সেলিং করানো হচ্ছেহেলথ অ্যান্ড মি সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, গাজিয়াবাদ থেকে হরিশ রানার বাবা-মা ও ভাই প্রত্যেকেই প্রতিদিন কাউন্সিলিং করাচ্ছেন। তাঁরা এইমসেও রয়েছেন।
হরিশ রানার বাবা-মা কাউন্সেলিং করানো হচ্ছেহেলথ অ্যান্ড মি সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, গাজিয়াবাদ থেকে হরিশ রানার বাবা-মা ও ভাই প্রত্যেকেই প্রতিদিন কাউন্সিলিং করাচ্ছেন। তাঁরা এইমসেও রয়েছেন।
advertisement
3/7
এইমস-র অ্যানেস্থেশিয়া ও প্যালিয়েটিভ মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডক্টর সীমা মিশ্রের নেতৃত্বে একটি দল হরিশ রানার প্যাসিভ ইউথানেশিয়া প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করছে।
এইমস-র অ্যানেস্থেশিয়া ও প্যালিয়েটিভ মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডক্টর সীমা মিশ্রের নেতৃত্বে একটি দল হরিশ রানার প্যাসিভ ইউথানেশিয়া প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করছে।
advertisement
4/7
রোগীর ব্যথা কমানোর জন্য নেওয়া হচ্ছে বিশেষ ব্যবস্থাদিল্লির AIIMS-র অনকো-অ্যানেস্থেসিয়া বিভাগের প্রাক্তন প্রধান ডক্টর সুষমা ভাটনাগরের মতে, এই প্রক্রিয়ায় সাধারণত ধীরে ধীরে পুষ্টি সহায়তা বন্ধ করা হয় এবং ব্যথা ন্যূনতম রাখা নিশ্চিত করা হয়।
রোগীর ব্যথা কমানোর জন্য নেওয়া হচ্ছে বিশেষ ব্যবস্থাদিল্লির AIIMS-র অনকো-অ্যানেস্থেসিয়া বিভাগের প্রাক্তন প্রধান ডক্টর সুষমা ভাটনাগরের মতে, এই প্রক্রিয়ায় সাধারণত ধীরে ধীরে পুষ্টি সহায়তা বন্ধ করা হয় এবং ব্যথা ন্যূনতম রাখা নিশ্চিত করা হয়।
advertisement
5/7
ভাটনাগরের মতে, রোগীর মৃত্যু যন্ত্রণার জন্য উপশমমূলক অ্যানাসথেসিয়া দেওয়া হয়। কৃত্রিম পুষ্টি, অক্সিজেন এবং ওষুধের মতো জীবন রক্ষাকারী ব্যবস্থাগুলি ধীরে ধীরে সরিয়ে ফেলা হয়। এর লক্ষ্য হল মৃত্যুকে দীর্ঘায়িত করা বা ত্বরান্বিত করা—কোনোটিই নয়।
ভাটনাগরের মতে, রোগীর মৃত্যু যন্ত্রণার জন্য উপশমমূলক অ্যানাসথেসিয়া দেওয়া হয়। কৃত্রিম পুষ্টি, অক্সিজেন এবং ওষুধের মতো জীবন রক্ষাকারী ব্যবস্থাগুলি ধীরে ধীরে সরিয়ে ফেলা হয়। এর লক্ষ্য হল মৃত্যুকে দীর্ঘায়িত করা বা ত্বরান্বিত করা—কোনোটিই নয়।
advertisement
6/7
সর্বোত্তম স্বার্থ নীতি কী?ইচ্ছামৃত্যুর ক্ষেত্রে প্রোটোকল হল সর্বোত্তম স্বার্থ নীতি। যখন কোনো রোগী নিজের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না, তখন মেডিকেল বোর্ড এবং পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসা করা উচিত যে রোগী কী চাইতেন। হরিশ রানা মামলাতেও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছিল। এমনকি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথনও হরিশ রানাকে পরোক্ষ ইচ্ছামৃত্যু মঞ্জুর করার সিদ্ধান্তে রোগীর সর্বোত্তম স্বার্থের কথা উল্লেখ করেছিলেন।
সর্বোত্তম স্বার্থ নীতি কী?ইচ্ছামৃত্যুর ক্ষেত্রে প্রোটোকল হল সর্বোত্তম স্বার্থ নীতি। যখন কোনো রোগী নিজের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না, তখন মেডিকেল বোর্ড এবং পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসা করা উচিত যে রোগী কী চাইতেন। হরিশ রানা মামলাতেও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছিল। এমনকি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথনও হরিশ রানাকে পরোক্ষ ইচ্ছামৃত্যু মঞ্জুর করার সিদ্ধান্তে রোগীর সর্বোত্তম স্বার্থের কথা উল্লেখ করেছিলেন।
advertisement
7/7
আদালত ৩০ দিনের বিবেচনার সময়সীমা নির্ধারন করেছেহরিশ রানার মামলায়, আদালত ৩০ দিনের বিবেচনার সময়সীমা প্রদান করপেছে, কারণ মেডিকেল বোর্ড এবং পরিবারের সদস্যরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিলেন যে হরিশ রানার সুস্থ হয়ে ওঠা এখন তার নাগালের বাইরে। ফলস্বরূপ, হরিশ রানার জন্য ইচ্ছামৃত্যুর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।
আদালত ৩০ দিনের বিবেচনার সময়সীমা নির্ধারন করেছেহরিশ রানার মামলায়, আদালত ৩০ দিনের বিবেচনার সময়সীমা প্রদান করপেছে, কারণ মেডিকেল বোর্ড এবং পরিবারের সদস্যরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিলেন যে হরিশ রানার সুস্থ হয়ে ওঠা এখন তার নাগালের বাইরে। ফলস্বরূপ, হরিশ রানার জন্য ইচ্ছামৃত্যুর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।
advertisement
advertisement
advertisement