একতরফা ভালবাসা যখন বেদনা দেয়..... উপায় আছে এমন সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার!

Last Updated:
দুজন মানুষের মধ্যে একজনই শুধুমাত্র অপরজনকে ভালোবাসে তাহলে সেই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা উচিত নয়।
1/6
• যে সম্পর্কই হোক না কেন, প্রতিটি সম্পর্কে ভালোবাসা থাকা প্রয়োজন। আর প্রেমের সম্পর্ক হলে তো কোনও কথা নেই। সেখানে ভালোবাসাটাই প্রধান। যদি এরকম হয়, সম্পর্কে থাকা দুজন মানুষের মধ্যে একজনই শুধুমাত্র অপরজনকে ভালোবাসে তাহলে সেই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা উচিত নয়। যত দ্রুত সম্ভব অপরজনের উচিত সেই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসা। কিন্তু তাঁরা আবার সেই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে পারে না। তাহলে কীভাবে সম্ভব কোনও সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসা? রইল টিপস…
• যে সম্পর্কই হোক না কেন, প্রতিটি সম্পর্কে ভালোবাসা থাকা প্রয়োজন। আর প্রেমের সম্পর্ক হলে তো কোনও কথা নেই। সেখানে ভালোবাসাটাই প্রধান। যদি এরকম হয়, সম্পর্কে থাকা দুজন মানুষের মধ্যে একজনই শুধুমাত্র অপরজনকে ভালোবাসে তাহলে সেই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা উচিত নয়। যত দ্রুত সম্ভব অপরজনের উচিত সেই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসা। কিন্তু তাঁরা আবার সেই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে পারে না। তাহলে কীভাবে সম্ভব কোনও সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসা? রইল টিপস…
2/6
• প্রথমত, সম্পর্কে থাকা অপর মানুষটি যদি কেয়ারিং না হয় তাহলে তা অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক হয়। আর সেই যন্ত্রণা যদি অন্য কারোর কাছে না বলা যায় তাহলে তার বেদনা অসহনীয়। তাই মনের ব্যাথাগুলি অন্য কারোর সঙ্গে শেয়ার করা দরকার। কোনও প্রিয় বন্ধু বা পরিজন যাঁরা কাছের তাঁদের সঙ্গে শেয়ার করা যেতে পারে। প্রয়োজনে তাঁদের কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।
• প্রথমত, সম্পর্কে থাকা অপর মানুষটি যদি কেয়ারিং না হয় তাহলে তা অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক হয়। আর সেই যন্ত্রণা যদি অন্য কারোর কাছে না বলা যায় তাহলে তার বেদনা অসহনীয়। তাই মনের ব্যাথাগুলি অন্য কারোর সঙ্গে শেয়ার করা দরকার। কোনও প্রিয় বন্ধু বা পরিজন যাঁরা কাছের তাঁদের সঙ্গে শেয়ার করা যেতে পারে। প্রয়োজনে তাঁদের কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।
3/6
• কখনও কাউকে দোষারোপ না করাই শ্রেয়। কাউকে দোষারোপ করলে তাঁর প্রতি নেতিবাচক বিভিন্ন চিন্তাভাবনা আসতে পারে। পরবর্তীকালে সেগুলি ভাবলে নিজেকেই দোষী মনে হবে। মনে হতে পারে, কেন ওই মানুষটির সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করলেন। তাই কাউকে দোষারোপ না করে সেই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন।
• কখনও কাউকে দোষারোপ না করাই শ্রেয়। কাউকে দোষারোপ করলে তাঁর প্রতি নেতিবাচক বিভিন্ন চিন্তাভাবনা আসতে পারে। পরবর্তীকালে সেগুলি ভাবলে নিজেকেই দোষী মনে হবে। মনে হতে পারে, কেন ওই মানুষটির সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করলেন। তাই কাউকে দোষারোপ না করে সেই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন।
4/6
• সমস্ত যোগাযোগ ছিন্ন করতে হবে এবং যতরকমের বন্ধনে দুজনে আবদ্ধ, সমস্ত রকম বন্ধন থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। লং ডিস্টেন্স রিলেশনশিপ হলে রোজ দেখা করা সম্ভব হয় না। সেক্ষেত্রে ফোনে কথা বলা, মেসেজ, ভিডিও কল প্রভৃতি বন্ধ করে দিতে হবে। তাহলেই সেই সম্পর্ক থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসা সম্ভব।
• সমস্ত যোগাযোগ ছিন্ন করতে হবে এবং যতরকমের বন্ধনে দুজনে আবদ্ধ, সমস্ত রকম বন্ধন থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। লং ডিস্টেন্স রিলেশনশিপ হলে রোজ দেখা করা সম্ভব হয় না। সেক্ষেত্রে ফোনে কথা বলা, মেসেজ, ভিডিও কল প্রভৃতি বন্ধ করে দিতে হবে। তাহলেই সেই সম্পর্ক থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসা সম্ভব।
5/6
• যতটা সম্ভব দূরে থাকতে হবে। কোনও মানুষের যত কাছে থাকা যায় ততই মানসিকভাবে সেই মানুষটির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। তাই প্রয়োজন দূরে দূরে থাকা। যতটা কম দেখা হবে ততই তাড়াতাড়ি সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব।
• যতটা সম্ভব দূরে থাকতে হবে। কোনও মানুষের যত কাছে থাকা যায় ততই মানসিকভাবে সেই মানুষটির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। তাই প্রয়োজন দূরে দূরে থাকা। যতটা কম দেখা হবে ততই তাড়াতাড়ি সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব।
6/6
• এমন কাউকে খুঁজতে হবে যিনি একই সমস্যায় ভুগছেন। কারণ এতে দুজনের মধ্যে বিভিন্ন সমস্যাগুলি নিয়ে আলোচনা করতে পারবেন। এবং সেই সমস্যা থেকে কীভাবে বেরিয়ে আসা সম্ভব সেনিয়েও দুজনের মধ্যে আলোচনা করা সম্ভব। তাই একই সমস্যায় জর্জরিত মানুষকে খুঁজে পেলে পরিস্থিতি থেকে বের হতে সুবিধা হয়।
• এমন কাউকে খুঁজতে হবে যিনি একই সমস্যায় ভুগছেন। কারণ এতে দুজনের মধ্যে বিভিন্ন সমস্যাগুলি নিয়ে আলোচনা করতে পারবেন। এবং সেই সমস্যা থেকে কীভাবে বেরিয়ে আসা সম্ভব সেনিয়েও দুজনের মধ্যে আলোচনা করা সম্ভব। তাই একই সমস্যায় জর্জরিত মানুষকে খুঁজে পেলে পরিস্থিতি থেকে বের হতে সুবিধা হয়।