Purulia Baranti Lake Tourism: পাহাড়ের কোলে হ্রদের তিরতিরে জলে ছড়িয়ে পড়ে সূর্যাস্তের রং...শীতের ছুটিতে মোহময়ী পুরুলিয়ার বড়ন্তি হ্রদে আসুন মনের মানুষের সঙ্গে

Last Updated:
Purulia Baranti Lake Tourism: বড়ন্তির মূল আকর্ষণের মধ্যে রয়েছে বড়ন্তি পাহাড়, মুরাদি লেক এবং এখানকার স্থানীয় সরল মানুষজনের জীবনযাত্রা ও উৎসব। 
1/6
শীত হোক কিংবা বর্ষা, পুরুলিয়ার ছোট্ট স্বপ্নপুরী বড়ন্তি প্রতিটা ঋতুতেই নিজেকে নতুন সাজে মেলে ধরে। পাহাড়, জল আর সবুজের অপূর্ব মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা এই নিরিবিলি জনপদ প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে নিঃসন্দেহে এক স্বর্গভূমি। শহরের কোলাহল আর যান্ত্রিক জীবনের বাইরে এসে বড়ন্তি যেন শান্তির এক নিঃশ্বাস। (ছবি ও তথ্য: শান্তনু দাস)
শীত হোক কিংবা বর্ষা, পুরুলিয়ার ছোট্ট স্বপ্নপুরী বড়ন্তি প্রতিটা ঋতুতেই নিজেকে নতুন সাজে মেলে ধরে। পাহাড়, জল আর সবুজের অপূর্ব মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা এই নিরিবিলি জনপদ প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে নিঃসন্দেহে এক স্বর্গভূমি। শহরের কোলাহল আর যান্ত্রিক জীবনের বাইরে এসে বড়ন্তি যেন শান্তির এক নিঃশ্বাস। (ছবি ও তথ্য: শান্তনু দাস)
advertisement
2/6
বিশেষ করে শীতকালে বড়ন্তির রূপ হয়ে ওঠে আরও মোহময়। সবুজে ঢাকা টিলার মতো পাহাড়, আকাশ জুড়ে ভেসে বেড়ানো মেঘ আর তার মাঝখানে বড়ন্তি জলাধারের শান্ত জলরাশি, সব মিলিয়ে এখানে প্রকৃতি যেন নিঃশব্দে কথা বলে। চারপাশের নীরবতা মনকে ধীরে ধীরে হালকা করে দেয়, ব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি যেন কোথায় হারিয়ে যায়। সকালে কুয়াশার চাদরে মোড়া প্রকৃতি, পাখির ডাক, আর বিকেলে জলাধারের ধারে হেঁটে বেড়ানোর সেই হারিয়ে যাওয়ার অনুভূতি, যা মন ছুঁয়ে যায়। (ছবি ও তথ্য: শান্তনু দাস)
বিশেষ করে শীতকালে বড়ন্তির রূপ হয়ে ওঠে আরও মোহময়। সবুজে ঢাকা টিলার মতো পাহাড়, আকাশ জুড়ে ভেসে বেড়ানো মেঘ আর তার মাঝখানে বড়ন্তি জলাধারের শান্ত জলরাশি, সব মিলিয়ে এখানে প্রকৃতি যেন নিঃশব্দে কথা বলে। চারপাশের নীরবতা মনকে ধীরে ধীরে হালকা করে দেয়, ব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি যেন কোথায় হারিয়ে যায়। সকালে কুয়াশার চাদরে মোড়া প্রকৃতি, পাখির ডাক, আর বিকেলে জলাধারের ধারে হেঁটে বেড়ানোর সেই হারিয়ে যাওয়ার অনুভূতি, যা মন ছুঁয়ে যায়। (ছবি ও তথ্য: শান্তনু দাস)
advertisement
3/6
বড়ন্তির অন্যতম আকর্ষণ হল পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত মনোরম জলাধার। এখানে নৌকো বিহারের জন্য রয়েছে সুন্দর ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা। জলাধারের জলে নৌকো ভ্রমণের সময় উপভোগ করা যায় পাহাড়ের ছায়া, পাখির কিচিরমিচির আর সূর্যাস্তের অপরূপ দৃশ্য। পর্যটকদের জন্য কাঠের ও প্যাডেলচালিত নৌকা ভাড়ায় পাওয়া যায় এবং অভিজ্ঞ মাঝিরা নিরাপদে ভ্রমণ করিয়ে দেন। (ছবি ও তথ্য: শান্তনু দাস)
বড়ন্তির অন্যতম আকর্ষণ হল পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত মনোরম জলাধার। এখানে নৌকো বিহারের জন্য রয়েছে সুন্দর ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা। জলাধারের জলে নৌকো ভ্রমণের সময় উপভোগ করা যায় পাহাড়ের ছায়া, পাখির কিচিরমিচির আর সূর্যাস্তের অপরূপ দৃশ্য। পর্যটকদের জন্য কাঠের ও প্যাডেলচালিত নৌকা ভাড়ায় পাওয়া যায় এবং অভিজ্ঞ মাঝিরা নিরাপদে ভ্রমণ করিয়ে দেন। (ছবি ও তথ্য: শান্তনু দাস)
advertisement
4/6
বড়ন্তির পাহাড় খুব বেশি উঁচু না হলেও ঘন জঙ্গলে ঘেরা পাহাড়ি পথে হাঁটা বা হালকা ট্রেকিং বেশ রোমাঞ্চকর। ভোরবেলায় লেকের পাশে হাঁটলে শরীর ও মন দুটোই সতেজ হয়ে ওঠে। আর বিকেলবেলায় জলাধারের ধারে দাঁড়িয়ে সূর্যাস্ত দেখা, এ এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা। (ছবি ও তথ্য: শান্তনু দাস)
বড়ন্তির পাহাড় খুব বেশি উঁচু না হলেও ঘন জঙ্গলে ঘেরা পাহাড়ি পথে হাঁটা বা হালকা ট্রেকিং বেশ রোমাঞ্চকর। ভোরবেলায় লেকের পাশে হাঁটলে শরীর ও মন দুটোই সতেজ হয়ে ওঠে। আর বিকেলবেলায় জলাধারের ধারে দাঁড়িয়ে সূর্যাস্ত দেখা, এ এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা। (ছবি ও তথ্য: শান্তনু দাস)
advertisement
5/6
যাতায়াতের দিক থেকেও বড়ন্তি বেশ সুবিধাজনক। কলকাতা থেকে ট্রেনে আসতে চাইলে হাওড়া বা শিয়ালদহ থেকে আসানসোলগামী যে কোনও ট্রেনে উঠে আসানসোল পৌঁছাতে পারেন। সেখান থেকে মুরাদি যাওয়ার ট্রেন ধরুন। মুরাদি থেকে বড়ন্তির দূরত্ব মাত্র ৬ কিলোমিটার, যা গাড়িতে খুব সহজেই পৌঁছানো যায়। বিকল্পভাবে, হাওড়া থেকে আদ্রা পর্যন্ত ট্রেনে এসে সেখান থেকে আদ্রা–আসানসোল বা বোকারো–আসানসোল রুটের ট্রেনে মুরাদি পৌঁছানো যায়। (ছবি ও তথ্য: শান্তনু দাস)
যাতায়াতের দিক থেকেও বড়ন্তি বেশ সুবিধাজনক। কলকাতা থেকে ট্রেনে আসতে চাইলে হাওড়া বা শিয়ালদহ থেকে আসানসোলগামী যে কোনও ট্রেনে উঠে আসানসোল পৌঁছাতে পারেন। সেখান থেকে মুরাদি যাওয়ার ট্রেন ধরুন। মুরাদি থেকে বড়ন্তির দূরত্ব মাত্র ৬ কিলোমিটার, যা গাড়িতে খুব সহজেই পৌঁছানো যায়। বিকল্পভাবে, হাওড়া থেকে আদ্রা পর্যন্ত ট্রেনে এসে সেখান থেকে আদ্রা–আসানসোল বা বোকারো–আসানসোল রুটের ট্রেনে মুরাদি পৌঁছানো যায়। (ছবি ও তথ্য: শান্তনু দাস)
advertisement
6/6
বড়ন্তির মূল আকর্ষণের মধ্যে রয়েছে বড়ন্তি পাহাড়, মুরাদি লেক এবং এখানকার স্থানীয় সরল মানুষজনের জীবনযাত্রা ও উৎসব। থাকার জন্য বড়ন্তিতে রয়েছে ১০টিরও বেশি হোটেল ও রিসর্ট, প্রায় সবকটিই লেকের ধারে অবস্থিত। বাজেট ও পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো একটি বেছে নিয়ে নিশ্চিন্তে চেক-ইন করা যায়। নতুন বছরে বা ছুটির দিনে যদি প্রকৃতির কাছে একটু শান্তি খুঁজতে চান, তবে বড়ন্তি নিঃসন্দেহে আপনার তালিকায় রাখার মতো এক আদর্শ গন্তব্য। (ছবি ও তথ্য: শান্তনু দাস)
বড়ন্তির মূল আকর্ষণের মধ্যে রয়েছে বড়ন্তি পাহাড়, মুরাদি লেক এবং এখানকার স্থানীয় সরল মানুষজনের জীবনযাত্রা ও উৎসব। থাকার জন্য বড়ন্তিতে রয়েছে ১০টিরও বেশি হোটেল ও রিসর্ট, প্রায় সবকটিই লেকের ধারে অবস্থিত। বাজেট ও পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো একটি বেছে নিয়ে নিশ্চিন্তে চেক-ইন করা যায়। নতুন বছরে বা ছুটির দিনে যদি প্রকৃতির কাছে একটু শান্তি খুঁজতে চান, তবে বড়ন্তি নিঃসন্দেহে আপনার তালিকায় রাখার মতো এক আদর্শ গন্তব্য। (ছবি ও তথ্য: শান্তনু দাস)
advertisement
advertisement
advertisement