advertisement

Gajar Halwa: একবার খেলে স্বাদ ভুলবেন না,যেভাবে বানাবেন পুরুলিয়ার কাশীপুরের জনপ্রিয় গাজরের হালুয়া

Last Updated:
শীতকালে গাজরের হালুয়া খেতে ভালবাসেন না এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া দায়
1/6
পুরুলিয়ার কাশীপুরের হালুয়া অত্যন্ত জনপ্রিয়। স্থানীয় মানুষের পাশাপাশি আশপাশের এলাকাতেও বেশ সমাদৃত। ধীরে ধীরে কাশীপুরের একটি বিশেষ পরিচিতি হিসেবেই জায়গা করে নিচ্ছে এই সুস্বাদু গাজরের হালুয়া।
পুরুলিয়ার কাশীপুরের হালুয়া অত্যন্ত জনপ্রিয়। স্থানীয় মানুষের পাশাপাশি আশপাশের এলাকাতেও বেশ সমাদৃত। ধীরে ধীরে কাশীপুরের একটি বিশেষ পরিচিতি হিসেবেই জায়গা করে নিচ্ছে এই সুস্বাদু গাজরের হালুয়া।
advertisement
2/6
কাশীপুর বাজার এলাকার একটি দোকানে এখন নিয়মিতভাবে তৈরি হচ্ছে এই মিষ্টি। গাজর, দুধ, খাঁটি গাওয়া ঘি ও চিনির সঠিক সংমিশ্রণেই বানানো হচ্ছে এই হালুয়া, যা স্বাদে অতুলনীয় ও ঘ্রাণে মনকাড়া।
কাশীপুর বাজার এলাকার একটি দোকানে এখন নিয়মিতভাবে তৈরি হচ্ছে এই মিষ্টি। গাজর, দুধ, খাঁটি গাওয়া ঘি ও চিনির সঠিক সংমিশ্রণেই বানানো হচ্ছে এই হালুয়া, যা স্বাদে অতুলনীয় ও ঘ্রাণে মনকাড়া।
advertisement
3/6
হালুয়া তৈরি করতে প্রথমে গাজর দুধে ভালভাবে সিদ্ধ করা হয়। দুধ পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে, আঁচ থেকে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে ব্লেন্ডারে মিহি করে ব্লেন্ড করা হয়। এর পর একটি প্যানে ঘি গরম করে তাতে ব্লেন্ড করা গাজর, গুঁড়ো দুধ, চিনি ও এলাচ একসঙ্গে দিয়ে লাগাতার নাড়তে হয়।
হালুয়া তৈরি করতে প্রথমে গাজর দুধে ভালভাবে সিদ্ধ করা হয়। দুধ পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে, আঁচ থেকে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে ব্লেন্ডারে মিহি করে ব্লেন্ড করা হয়। এর পর একটি প্যানে ঘি গরম করে তাতে ব্লেন্ড করা গাজর, গুঁড়ো দুধ, চিনি ও এলাচ একসঙ্গে দিয়ে লাগাতার নাড়তে হয়।
advertisement
4/6
হালুয়ার জলীয় অংশ শুকিয়ে এলে আঁচ থেকে নামিয়ে, পাত্রে ঢেলে ঠাণ্ডা করতে হবে। শেষে বাদাম কুচি ও কিশমিশ দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করা হয় জিভে জল আনা গাজরের হালুয়া।
হালুয়ার জলীয় অংশ শুকিয়ে এলে আঁচ থেকে নামিয়ে, পাত্রে ঢেলে ঠাণ্ডা করতে হবে। শেষে বাদাম কুচি ও কিশমিশ দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করা হয় জিভে জল আনা গাজরের হালুয়া।
advertisement
5/6
কাশীপুরের মা দুর্গা মিষ্টান্ন ভাণ্ডারে প্রতিদিনই এই গাজরের হালুয়া পাওয়া যায়। দোকানের ব্যবসায়ী তথা হালুয়ার কারিগর অরুণ কুমার শর্মা জানান,তাঁর দোকানেরই এক পুরনো কারিগরের কাছ থেকে তিনি এই বিশেষ গাজরের হালুয়া তৈরির কৌশল শিখেছেন। বর্তমানে তিনি নিজেই এই হালুয়া প্রস্তুত করছেন এবং মানুষের চাহিদাও ক্রমশ বাড়ছে।
কাশীপুরের মা দুর্গা মিষ্টান্ন ভাণ্ডারে প্রতিদিনই এই গাজরের হালুয়া পাওয়া যায়। দোকানের ব্যবসায়ী তথা হালুয়ার কারিগর অরুণ কুমার শর্মা জানান,তাঁর দোকানেরই এক পুরনো কারিগরের কাছ থেকে তিনি এই বিশেষ গাজরের হালুয়া তৈরির কৌশল শিখেছেন। বর্তমানে তিনি নিজেই এই হালুয়া প্রস্তুত করছেন এবং মানুষের চাহিদাও ক্রমশ বাড়ছে।" (ছবি ও তথ্য: শান্তনু দাস)
advertisement
6/6
বর্তমানে এই গাজরের হালুয়া কেজি প্রতি ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। স্বাদ, মান ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে কাশীপুরের গাজরের হালুয়া এলাকাজুড়ে মিষ্টিপ্রেমীদের প্রথম পছন্দ হয়ে উঠছে।
বর্তমানে এই গাজরের হালুয়া কেজি প্রতি ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। স্বাদ, মান ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে কাশীপুরের গাজরের হালুয়া এলাকাজুড়ে মিষ্টিপ্রেমীদের প্রথম পছন্দ হয়ে উঠছে।
advertisement
advertisement
advertisement