advertisement

Kalimpong Tourism: কাঞ্চনজঙ্ঘার ১৮০ ডিগ্রি ভিউ, অপূর্ব সব হোমস্টে! গরমের ছুটিতে ঘুরে আসুন কালিম্পংয়ের '৫' হ্যামলেট

Last Updated:
Kalimpong Tourism: গরমের ছুটিতে ক'দিন ছুটি কাটাতে নিরিবিলি জায়গায় যেতে চাইলে রইল একেবারে কিছু পাহাড়ি গন্তব্যের খোঁজ। ভিড়ের বাইরে হিমালয়ের অন্যরকম স্বাদ মানেই উত্তরবঙ্গের পাহাড়ই হতে পারে আপনার সেরা গন্তব্য।
1/5
*ধীরে ধীরে গরম পড়তে শুরু করেছে বঙ্গ জুড়ে। তবে পাহাড়ে এখনও বইছে শীতল মৃদুমন্দ বাতাস। ক'দিন ছুটি কাটাতে নিরিবিলি জায়গায় যেতে চাইছেন? রইল একেবারে কিছু গন্তব্যের খোঁজ। ভিড়ের বাইরে হিমালয়ের অন্যরকম স্বাদ মানেই উত্তরবঙ্গের পাহাড়। সন্তুক: কালিম্পং থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম সন্তুক। সবুজ পাহাড়, নীরব বনভূমি এবং পাহাড়ি ঝর্ণার জন্য জায়গাটি পরিচিত। এখানে ট্রেকিং, প্রকৃতি ভ্রমণ বা স্থানীয় মঠ দর্শন করা যায়। যারা নির্জন পরিবেশে কয়েকটা দিন কাটাতে চান, তাদের জন্য সন্তুক একেবারেই উপযুক্ত। শিলিগুড়ি থেকে দূরত্ব প্রায় ৯৫ কিলোমিটার।
*ধীরে ধীরে গরম পড়তে শুরু করেছে বঙ্গ জুড়ে। তবে পাহাড়ে এখনও বইছে শীতল মৃদুমন্দ বাতাস। ক'দিন ছুটি কাটাতে নিরিবিলি জায়গায় যেতে চাইছেন? রইল একেবারে কিছু গন্তব্যের খোঁজ। ভিড়ের বাইরে হিমালয়ের অন্যরকম স্বাদ মানেই উত্তরবঙ্গের পাহাড়। সন্তুক: কালিম্পং থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম সন্তুক। সবুজ পাহাড়, নীরব বনভূমি এবং পাহাড়ি ঝর্ণার জন্য জায়গাটি পরিচিত। এখানে ট্রেকিং, প্রকৃতি ভ্রমণ বা স্থানীয় মঠ দর্শন করা যায়। যারা নির্জন পরিবেশে কয়েকটা দিন কাটাতে চান, তাদের জন্য সন্তুক একেবারেই উপযুক্ত। শিলিগুড়ি থেকে দূরত্ব প্রায় ৯৫ কিলোমিটার।
advertisement
2/5
*দারাগাঁও: কালিম্পং থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে দারাগাঁও একটি শান্ত ও প্রত্যন্ত গ্রাম। তুষারাবৃত পাহাড়ের দৃশ্য, সবুজ উপত্যকা এবং পাহাড়ি পথের সৌন্দর্য এখানে পর্যটকদের আকর্ষণ করে। স্থানীয় মানুষের সহজ-সরল জীবনযাত্রা এবং পাহাড়ি সংস্কৃতির কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগও মেলে এখানে।
*দারাগাঁও: কালিম্পং থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে দারাগাঁও একটি শান্ত ও প্রত্যন্ত গ্রাম। তুষারাবৃত পাহাড়ের দৃশ্য, সবুজ উপত্যকা এবং পাহাড়ি পথের সৌন্দর্য এখানে পর্যটকদের আকর্ষণ করে। স্থানীয় মানুষের সহজ-সরল জীবনযাত্রা এবং পাহাড়ি সংস্কৃতির কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগও মেলে এখানে।
advertisement
3/5
*ফিক্কালে গাঁও: শিলিগুড়ি থেকে প্রায় ৭৭ কিলোমিটার দূরে ফিক্কালে গাঁও প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। চারদিকে ঘন সবুজ বন, নীরব পরিবেশ এবং পাখির ডাক, সব মিলিয়ে এটি শহরের কোলাহল থেকে দূরে নিখুঁত আশ্রয়। মার্চ থেকে জুন এবং সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর এই জায়গা ভ্রমণের সেরা সময়।
*ফিক্কালে গাঁও: শিলিগুড়ি থেকে প্রায় ৭৭ কিলোমিটার দূরে ফিক্কালে গাঁও প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। চারদিকে ঘন সবুজ বন, নীরব পরিবেশ এবং পাখির ডাক, সব মিলিয়ে এটি শহরের কোলাহল থেকে দূরে নিখুঁত আশ্রয়। মার্চ থেকে জুন এবং সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর এই জায়গা ভ্রমণের সেরা সময়।
advertisement
4/5
*রেশমগাঁও: কালিম্পংয়ের কাছেই পাহাড়ের কোলে অবস্থিত শান্ত গ্রাম রেশমগাঁও। পর্যটকের ভিড় কম হওয়ায় এখানে প্রকৃতির নীরবতা উপভোগ করা যায় মন ভরে। শীতকালে ঠান্ডার আবহাওয়া গ্রামটির সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দেয়। ভাগ্য ভাল থাকলে এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার অপূর্ব দৃশ্যও দেখা যায়।
*রেশমগাঁও: কালিম্পংয়ের কাছেই পাহাড়ের কোলে অবস্থিত শান্ত গ্রাম রেশমগাঁও। পর্যটকের ভিড় কম হওয়ায় এখানে প্রকৃতির নীরবতা উপভোগ করা যায় মন ভরে। শীতকালে ঠান্ডার আবহাওয়া গ্রামটির সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দেয়। ভাগ্য ভাল থাকলে এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার অপূর্ব দৃশ্যও দেখা যায়।
advertisement
5/5
*লোলেগাঁও: কালিম্পং থেকে প্রায় ২৪ কিলোমিটার দূরে লোলেগাঁও একটি পরিচিত কিন্তু এখনও শান্ত অফবিট গন্তব্য। এখানকার বিখ্যাত ‘ক্যানোপি ওয়াক’ এবং সূর্যোদয়ের দৃশ্য পর্যটকদের আকর্ষণ করে। ঘন বন, পাখির ডাক আর পরিষ্কার আকাশ—সব মিলিয়ে প্রকৃতির কাছে ফিরে যাওয়ার এক অনন্য সুযোগ দেয় এই গ্রাম। কালিম্পংয়ের কাছাকাছি এই অফবিট গন্তব্যগুলো এখন ধীরে ধীরে পর্যটকদের নজর কেড়েছে। বড় হোটেলের বদলে স্থানীয় হোমস্টেতে থাকার সুযোগ থাকায় এখানে পাহাড়ি জীবনের স্বাদও কাছ থেকে অনুভব করা যায়। কয়েকদিনের জন্য ভিড় থেকে দূরে প্রকৃতির কাছে ফিরতে চাইলে এই জায়গাগুলি হতে পারে আদর্শ ঠিকানা।
*লোলেগাঁও: কালিম্পং থেকে প্রায় ২৪ কিলোমিটার দূরে লোলেগাঁও একটি পরিচিত কিন্তু এখনও শান্ত অফবিট গন্তব্য। এখানকার বিখ্যাত ‘ক্যানোপি ওয়াক’ এবং সূর্যোদয়ের দৃশ্য পর্যটকদের আকর্ষণ করে। ঘন বন, পাখির ডাক আর পরিষ্কার আকাশ—সব মিলিয়ে প্রকৃতির কাছে ফিরে যাওয়ার এক অনন্য সুযোগ দেয় এই গ্রাম। কালিম্পংয়ের কাছাকাছি এই অফবিট গন্তব্যগুলো এখন ধীরে ধীরে পর্যটকদের নজর কেড়েছে। বড় হোটেলের বদলে স্থানীয় হোমস্টেতে থাকার সুযোগ থাকায় এখানে পাহাড়ি জীবনের স্বাদও কাছ থেকে অনুভব করা যায়। কয়েকদিনের জন্য ভিড় থেকে দূরে প্রকৃতির কাছে ফিরতে চাইলে এই জায়গাগুলি হতে পারে আদর্শ ঠিকানা।
advertisement
advertisement
advertisement