advertisement

Food to cause Kidney Stone: পালং শাক, রেডমিট...আর কোন কোন খাবার খেলে কিডনিতে জমবে পাথর? কী খেলে গলবে? মুখে দেওয়ার আগে জানুন

Last Updated:
Food to cause Kidney Stone: কিডনি পাথরের জন্য খাদ্যাভ্যাস সংক্রান্ত পরামর্শ: আজকাল কিডনি পাথরের সমস্যা দ্রুত বাড়ছে। বহু তরুণ-তরুণী কিডনি পাথরের সমস্যায় ভুগছেন। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে, ত্রুটিপূর্ণ জীবনযাপন এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসই কিডনি পাথরের প্রধান কারণ। খাদ্যাভ্যাসের উন্নতি এই সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে। কিছু নির্দিষ্ট খাবার কিডনি পাথর প্রতিরোধে কার্যকর, এবং সেগুলো পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্রহণ করা উচিত। কিছু নির্দিষ্ট খাবার এড়িয়ে চলাও জরুরি।
1/8
কিডনিতে পাথরের সমস্যা খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাত্রার সাথে সম্পর্কিত। যখন ক্যালসিয়াম, অক্সালেট এবং ইউরিক অ্যাসিডের মতো উপাদান শরীরে জমা হয় এবং সেগুলোকে দ্রবীভূত করার জন্য পর্যাপ্ত জল থাকে না, তখন সেগুলো শক্ত হয়ে পাথর তৈরি করে। সঠিক খাদ্যাভ্যাস শুধু নতুন পাথর তৈরি হওয়াই প্রতিরোধ করে না, বরং ছোট পাথরগুলোকেও শরীর থেকে বের করে দিতে সাহায্য করে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কিডনির পাথরের জন্য কোন খাবারগুলো উপকারী এবং কোন খাবারগুলো এড়িয়ে চলা উচিত।
কিডনিতে পাথরের সমস্যা খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাত্রার সাথে সম্পর্কিত। যখন ক্যালসিয়াম, অক্সালেট এবং ইউরিক অ্যাসিডের মতো উপাদান শরীরে জমা হয় এবং সেগুলোকে দ্রবীভূত করার জন্য পর্যাপ্ত জল থাকে না, তখন সেগুলো শক্ত হয়ে পাথর তৈরি করে। সঠিক খাদ্যাভ্যাস শুধু নতুন পাথর তৈরি হওয়াই প্রতিরোধ করে না, বরং ছোট পাথরগুলোকেও শরীর থেকে বের করে দিতে সাহায্য করে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কিডনির পাথরের জন্য কোন খাবারগুলো উপকারী এবং কোন খাবারগুলো এড়িয়ে চলা উচিত।
advertisement
2/8
পুষ্টিবিদ রঞ্জনা সিং জানিয়েছেন যে, কিডনিতে পাথরের সমস্যার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল শরীরকে আর্দ্র রাখা। প্রস্রাব পাতলা রাখতে এবং খনিজ পদার্থ জমা হওয়া রোধ করতে প্রতিদিন অন্তত ২.৫ থেকে ৩ লিটার জল পান করুন। লেবুর জল এবং ডাবের জলও ভাল বিকল্প। লেবুতে থাকা সাইট্রেট ক্যালসিয়াম পাথর তৈরি হতে বাধা দেয়।
পুষ্টিবিদ রঞ্জনা সিং জানিয়েছেন যে, কিডনিতে পাথরের সমস্যার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল শরীরকে আর্দ্র রাখা। প্রস্রাব পাতলা রাখতে এবং খনিজ পদার্থ জমা হওয়া রোধ করতে প্রতিদিন অন্তত ২.৫ থেকে ৩ লিটার জল পান করুন। লেবুর জল এবং ডাবের জলও ভাল বিকল্প। লেবুতে থাকা সাইট্রেট ক্যালসিয়াম পাথর তৈরি হতে বাধা দেয়।
advertisement
3/8
 পাথর হলে অনেকেই ক্যালসিয়াম খাওয়া পুরোপুরি বন্ধ করে দেন, যা ভুল। খাবার থেকে পাওয়া ক্যালসিয়াম অন্ত্রে অক্সালেটের সাথে যুক্ত হয়ে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। তাই, পরিমিত পরিমাণে কম চর্বিযুক্ত দুধ, দই এবং পনির খাওয়া উপকারী। তবে, ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা উচিত নয়।
পাথর হলে অনেকেই ক্যালসিয়াম খাওয়া পুরোপুরি বন্ধ করে দেন, যা ভুল। খাবার থেকে পাওয়া ক্যালসিয়াম অন্ত্রে অক্সালেটের সাথে যুক্ত হয়ে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। তাই, পরিমিত পরিমাণে কম চর্বিযুক্ত দুধ, দই এবং পনির খাওয়া উপকারী। তবে, ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা উচিত নয়।
advertisement
4/8
বেশিরভাগ কিডনি পাথরই ক্যালসিয়াম-অক্সালেট ধরনের হয়, তাই পালং শাক, বিট, মিষ্টি আলু, বাদাম, চকোলেট এবং সয়ার মতো খাবার খাওয়া সীমিত করুন। কালো চা খাওয়াও সীমিত করুন। যদি এই খাবারগুলো খান, তবে অবশ্যই ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার অন্তর্ভুক্ত করুন।
বেশিরভাগ কিডনি পাথরই ক্যালসিয়াম-অক্সালেট ধরনের হয়, তাই পালং শাক, বিট, মিষ্টি আলু, বাদাম, চকোলেট এবং সয়ার মতো খাবার খাওয়া সীমিত করুন। কালো চা খাওয়াও সীমিত করুন। যদি এই খাবারগুলো খান, তবে অবশ্যই ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার অন্তর্ভুক্ত করুন।
advertisement
5/8
অতিরিক্ত লবণ মূত্রে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়, যা পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ পরিহার করুন এবং জাঙ্ক ফুড, প্যাকেটজাত খাবার, আচার ও টিনজাত খাদ্যদ্রব্য এড়িয়ে চলুন। আপনার দৈনিক সোডিয়াম গ্রহণের পরিমাণ ২৩০০ মিলিগ্রামের নিচে রাখাই সবচেয়ে ভাল।
অতিরিক্ত লবণ মূত্রে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়, যা পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ পরিহার করুন এবং জাঙ্ক ফুড, প্যাকেটজাত খাবার, আচার ও টিনজাত খাদ্যদ্রব্য এড়িয়ে চলুন। আপনার দৈনিক সোডিয়াম গ্রহণের পরিমাণ ২৩০০ মিলিগ্রামের নিচে রাখাই সবচেয়ে ভাল।
advertisement
6/8
লাল মাংস, মুরগির মাংস, ডিম এবং মাছে উচ্চ মাত্রায় পিউরিন থাকে, যা ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং এর ফলে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। এগুলো শরীরে সাইট্রেটের মাত্রাও কমিয়ে দেয়। প্রোটিনের জন্য মসুর ডাল, শিম এবং অন্যান্য শিম জাতীয় খাবার খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করাই উত্তম।
লাল মাংস, মুরগির মাংস, ডিম এবং মাছে উচ্চ মাত্রায় পিউরিন থাকে, যা ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং এর ফলে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। এগুলো শরীরে সাইট্রেটের মাত্রাও কমিয়ে দেয়। প্রোটিনের জন্য মসুর ডাল, শিম এবং অন্যান্য শিম জাতীয় খাবার খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করাই উত্তম।
advertisement
7/8
শস্যদানা, ফল এবং শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে এবং এগুলো হজমশক্তি উন্নত করে। তবে, অতিরিক্ত ভিটামিন সি সাপ্লিমেন্ট অক্সালেটের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। প্রাকৃতিক উৎস থেকে ভিটামিন সি গ্রহণ করা বেশি নিরাপদ।
শস্যদানা, ফল এবং শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে এবং এগুলো হজমশক্তি উন্নত করে। তবে, অতিরিক্ত ভিটামিন সি সাপ্লিমেন্ট অক্সালেটের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। প্রাকৃতিক উৎস থেকে ভিটামিন সি গ্রহণ করা বেশি নিরাপদ।
advertisement
8/8
স্থূলতা এবং দুর্বল বিপাকক্রিয়াও কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। নিয়মিত ব্যায়াম এবং সুষম খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। যদি ঘন ঘন কিডনিতে পাথর হয়, তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিন, যাতে একটি উপযুক্ত খাদ্যতালিকা তৈরি করা যায়।
স্থূলতা এবং দুর্বল বিপাকক্রিয়াও কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। নিয়মিত ব্যায়াম এবং সুষম খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। যদি ঘন ঘন কিডনিতে পাথর হয়, তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিন, যাতে একটি উপযুক্ত খাদ্যতালিকা তৈরি করা যায়।
advertisement
advertisement
advertisement