Everyday Carcinogens:আপনি রোজ না বুঝেই 'কার্সিনোজেন' কিনছেন, রোজের কোন কোন খাবার ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়? বদলে কী খাবেন? জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ
- Published by:Rukmini Mazumder
- news18 bangla
Last Updated:
আপনি রোজ না বুঝেই 'কার্সিনোজেন' কিনে আনছেন বাজার থেকে। জেনে নিন রোজের কোন কোন খাবারে ক্যানসারের বীজ
ক্রমেই, মহামারির আকার নিচ্ছে ক্যানসার বা কর্কট রোগ। ক্রমাগত আরও ভয়ঙ্কর, আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে মারণ রোগ। মেডিক্যাল জার্নাল ‘দ্য ল্যানসেট’-এর প্রতিবেদন বলছে, ২০২২ থেকে চালানো সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, দেশে প্রতি ১ লক্ষ জনের মধ্যে ক্যানসারে মৃতের সংখ্যা ৬৪.৭ থেকে বেড়ে প্রায় ১০৯.৬ জনে পৌঁছবে। ক্যানসার নিয়ে গোটা বিশ্বে হাজারো পরীক্ষা-নীরিক্ষা চলছে।
advertisement
সাম্প্রতিক বিভিন্ন গবেষণা ও সাক্ষাৎকারে হাভার্ডের একাধিক চিকিৎসক ও পুষ্টিবিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, আমাদের রোজের খাদ্যতালিকায় এমন কিছু সাধারণ খাবার আছে, যা অতিরিক্ত খেলে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তবে এইসব খাবারের স্বাস্থ্যকর বিকল্পও রয়েছে। খাদ্যাভ্যাসে সামান্য পরিবর্তন আনলেই ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।জেনে নিন, রোজের কোন কোন খাবার কার্সেনোজেনিক, তার বদলে কী কী খাবেন?
advertisement
প্রসেসড মাংস যেমন বেকন, সসেজ, হট ডগ:বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) প্রসেসড মাংসকে গ্রুপ ১ কার্সিনোজেন হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করেছে। এগুলি কোলোরেক্টাল (বৃহদান্ত্র) ও পাকস্থলীর ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়ায়। প্রক্রিয়াজাতকরণের সময় তৈরি হওয়া নাইট্রেট, নাইট্রাইট এবং পলিসাইক্লিক অ্যারোম্যাটিক হাইড্রোকার্বন (PAHs)-এর মতো রাসায়নিক যৌগের কারণেই ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে।
advertisement
advertisement
রেড মিট (বিশেষ করে পুড়িয়ে বা গ্রিল করা)--অতিরিক্ত রেড মিট খাওয়া, বিশেষ করে গ্রিল বা বারবিকিউ করা হলে, কোলন ও অগ্ন্যাশয়ের (প্যানক্রিয়াটিক) ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। বেশি তাপে রান্নার ফলে হেটেরোসাইক্লিক অ্যামাইনস (HCAs) এবং পলিসাইক্লিক অ্যারোম্যাটিক হাইড্রোকার্বন (PAHs)-এর মতো যৌগ তৈরি হয়, যা ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
অ্যালকোহল--আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটির মতে, অল্প বা মাঝারি মাত্রায় অ্যালকোহল গ্রহণ করলেও স্তন, লিভার, খাদ্যনালী (ইসোফেজিয়াল) ও কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে। শরীরে অ্যালকোহল ভেঙে অ্যাসিটালডিহাইড নামের একটি রাসায়নিক তৈরি হয়, যা ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং কোষের ক্ষতি মেরামতের প্রক্রিয়ায় বাধা দেয়।






