Ajwain Eating Tips: বদহজম ঠিক করার জন্য মুঠো মুঠো জোয়ান খান? এই ‘১’ ভুলেই নষ্ট হয়ে যাবে পুরো হজমশক্তি! মনে রাখবেন!
- Published by:Arpita Roy Chowdhury
Last Updated:
Ajwain Eating Tips: পেটের সমস্যার জন্য জোয়ানকে সবচেয়ে সহজ ঘরোয়া প্রতিকার হিসেবে বিবেচনা করা হয়, কিন্তু সব পদ্ধতিই কার্যকর নয়। ভুল সময়ে বা ভুল উপায়ে এটি খেলে হজমের সমস্যা আরও বাড়তে পারে। শুধুমাত্র সঠিক পদ্ধতি ব্যবহার করলেই জোয়ান গ্যাস, বদহজম এবং পেট ফাঁপার মতো সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে।
অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং শারীরিক কার্যকলাপের অভাবে আজকাল পেট সংক্রান্ত সমস্যা দ্রুত বাড়ছে। অনিয়মিত জীবনযাপন, অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড খাওয়া এবং সময়মতো খাবার না খাওয়া হজম ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দেয়। এর ফলে ক্ষুধা কমে যায়, খাওয়ার পর পেট ভারী ও ফোলাভাব অনুভূত হয় এবং ধীরে ধীরে গ্যাস, অ্যাসিডিটি ও কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা বাড়তে শুরু করে। শুরুতে মানুষ এই লক্ষণগুলোকে উপেক্ষা করে, কিন্তু এই ছোট সমস্যাগুলোই পরবর্তীতে বড় ধরনের সমস্যায় পরিণত হতে পারে।
advertisement
হজমের সমস্যার জন্য জোয়ানকে একটি অত্যন্ত কার্যকরী ঘরোয়া প্রতিকার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এতে থাইমল নামক একটি সক্রিয় উপাদান রয়েছে, যা হজমকারী এনজাইমগুলোকে সক্রিয় করে এবং গ্যাস, বদহজম ও পেট ব্যথার মতো সমস্যা কমায়। এর উষ্ণ প্রকৃতির গুণ সর্দি-কাশি থেকেও আরাম দেয়। তবে, এর সম্পূর্ণ উপকারিতা কেবল সঠিক উপায়ে এবং সঠিক মাত্রায় গ্রহণ করলেই পাওয়া যায়, কারণ অন্যথায় এটি ক্ষতিকর হতে পারে।
advertisement
অনেকেই জোয়ান কাঁচা খান বা যেকোনো সময় খেয়ে থাকেন, যা বাঞ্ছনীয় নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, খাওয়ার আগে সেলারি হালকা করে সেঁকে নেওয়া উচিত। এমনভাবে সেঁকুন যাতে এর রঙ পরিবর্তন না হয়, কিন্তু একটি হালকা সুগন্ধ থেকে যায়। এতে এর গুণাগুণ আরও বেশি কার্যকর হয়। এরপর এটি আধা চা-চামচের চেয়ে কম পরিমাণে খাওয়া উচিত, কারণ অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে পেটে অস্বস্তি হতে পারে।
advertisement
কুসুম উষ্ণ গরম জলের সঙ্গে জোয়ান খাওয়া সবসময়ই বেশি উপকারী। কুসুম গরম জল এর গুণাগুণগুলিকে দ্রুত শরীরে পৌঁছাতে সাহায্য করে এবং হজমশক্তিকে শক্তিশালী করে। এটি পাচন শক্তিকে উদ্দীপিত করে, দ্রুত হজমে সহায়তা করে এবং সঠিক সময়ে ক্ষুধা জাগায়। এছাড়াও, এটি পেটে গ্যাস তৈরি হওয়া কমিয়ে পেট ভার হওয়া থেকে মুক্তি দেয়।
advertisement
কখন জোয়ান খেতে হবে তা জানাটাও খুব জরুরি। অনেকে সকালে খালি পেটে এটি খান, কিন্তু এই পদ্ধতি সবার জন্য উপযুক্ত নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি সবসময় খাবার খাওয়ার প্রায় ৩০ মিনিট পর হালকা গরম জলের সাথে খাওয়া উচিত। মনে রাখবেন যে, কোনো প্রয়োজন ছাড়া প্রতিদিন সেলারি খাওয়া উচিত নয়। এর উষ্ণ প্রকৃতির কারণে এটি পেটের অস্বস্তি বাড়াতে পারে, তাই গ্যাস বা পেট ফাঁপার সমস্যা থাকলেই কেবল এটি খাওয়া সবচেয়ে ভাল।









