advertisement

Bangladesh Election Results 2026: ১৮ মাস জেল খেটে ১৭ বছর দেশছাড়া! এখন হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, কে এই তারেক রহমান? কী তাঁর ইতিহাস?

Last Updated:
বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে তারেক রহমান৷ তাঁর প্রত্যাবর্তনেই প্রত্যাশাপূরণের স্বপ্ন দেখছেন বাংলাদেশের মানুষ৷ ঢালাও ভোট পেয়ে সরকারি গঠন করতে চলেছে তাঁর দল বিএনপি৷ কিন্তু, কে এই তারেক রহমান? কী তাঁর ইতিহাস? জানেন...
1/10
একটা নাম৷ তারেক রহমান৷ সেই নামকে ঘিরেই নতুন করে স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ৷ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বাংলাদেশে সরকার গড়ার দিকে এগোচ্ছে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি, বিএনপি৷ খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পরে যে দলের কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যান হিসাবে অভিষিক্ত হয়েছেন তারেক রহমান৷ বিএনপির জয়ের পরে এই তারেকই হতে চলেছেন বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী৷ PIC: AP
একটা নাম৷ তারেক রহমান৷ সেই নামকে ঘিরেই নতুন করে স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ৷ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বাংলাদেশে সরকার গড়ার দিকে এগোচ্ছে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি, বিএনপি৷ খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পরে যে দলের কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যান হিসাবে অভিষিক্ত হয়েছেন তারেক রহমান৷ বিএনপির জয়ের পরে এই তারেকই হতে চলেছেন বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী৷ PIC: AP
advertisement
2/10
দীর্ঘ ১৭ বছর লন্ডনে স্ব-আরোপিত নির্বাসনে থাকার পরে গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর স্ত্রী কন্যা-সহ দেশে ফেরেন তারেক৷ মা খালেদা জিয়া তখন মৃত্যুশয্যায়৷ তারেক প্রত্যাবর্তন ঘিরেই আশায় বুক বাঁধতে শুরু করেছিল বাংলাদেশ৷ প্রত্যাবর্তন ঘিরে জনপথে পরিণত হয়েছিল রাজধানী ঢাকা৷ থিক থিক করছিল মানুষের ভিড়৷ সেই ভিড়েরই কি প্রতিফলন ঘটল বাংলাদেশের ব্যালট বাক্সে?PIC: AP
দীর্ঘ ১৭ বছর লন্ডনে স্ব-আরোপিত নির্বাসনে থাকার পরে গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর স্ত্রী কন্যা-সহ দেশে ফেরেন তারেক৷ মা খালেদা জিয়া তখন মৃত্যুশয্যায়৷ তারেক প্রত্যাবর্তন ঘিরেই আশায় বুক বাঁধতে শুরু করেছিল বাংলাদেশ৷ প্রত্যাবর্তন ঘিরে জনপথে পরিণত হয়েছিল রাজধানী ঢাকা৷ থিক থিক করছিল মানুষের ভিড়৷ সেই ভিড়েরই কি প্রতিফলন ঘটল বাংলাদেশের ব্যালট বাক্সে?PIC: AP
advertisement
3/10
১৯৬৫ সালে ২০ নভেম্বর ঢাকায় জন্ম তারেক রহমানের৷ বাবা ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম পরিচিত নাম জিয়াউর রহমান৷ মা বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া৷ PIC: AP
১৯৬৫ সালে ২০ নভেম্বর ঢাকায় জন্ম তারেক রহমানের৷ বাবা ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম পরিচিত নাম জিয়াউর রহমান৷ মা বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া৷ PIC: AP
advertisement
4/10
তারেক তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুদরু করেন গাবতালির বগরা থেকে৷ সালটা ১৯৮৮৷ সেই সময় বিএনপি-র সাধারণ সদস্য হিসাবেই নাম নথিভুক্ত করিয়েছিলেন তিনি৷ তারপর ১৯৯১ সালে যখন সেনা শাসন থেকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হওয়ার পথে ফিরছে বাংলাদেশ, সেই সময় মা খালেদা জিয়ার হয়ে প্রথমবার সক্রিয় ভাবে প্রচারে থাকতে দেখা গিয়েছিল তারেককে৷PIC: AP
তারেক তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুদরু করেন গাবতালির বগরা থেকে৷ সালটা ১৯৮৮৷ সেই সময় বিএনপি-র সাধারণ সদস্য হিসাবেই নাম নথিভুক্ত করিয়েছিলেন তিনি৷ তারপর ১৯৯১ সালে যখন সেনা শাসন থেকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হওয়ার পথে ফিরছে বাংলাদেশ, সেই সময় মা খালেদা জিয়ার হয়ে প্রথমবার সক্রিয় ভাবে প্রচারে থাকতে দেখা গিয়েছিল তারেককে৷PIC: AP
advertisement
5/10
এরপর ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালের মধ্যো আওয়ামী লীগের সরকার থাকাকালীন বিরোধীর ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি৷ তারপরে, ২০০১ সালে ফের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়ে ক্ষমতায় আসে বিএনপি৷ প্রধানমন্ত্রী হন খালেদা জিয়া৷ PIC: AP
এরপর ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালের মধ্যো আওয়ামী লীগের সরকার থাকাকালীন বিরোধীর ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি৷ তারপরে, ২০০১ সালে ফের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়ে ক্ষমতায় আসে বিএনপি৷ প্রধানমন্ত্রী হন খালেদা জিয়া৷ PIC: AP
advertisement
6/10
এরপরে, ২০০৪ সালের ঘটনায় ফের আলোড়ন গোটা বাংলাদেশে৷ ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে ২০০৪ সালে হয় ঢাকা গ্রেনেড হামলা৷ আওয়ামী লীগের মিছিলে হওয়া সেই হামলায় তৎকালীন বিরোধী দলনেত্রী শেখ হাসিনা সহ আওয়ামী লীগের একাধিক নেতাকে নিশানা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে৷ মারা যান ২৪ জন মানুষ৷ PIC: AP
এরপরে, ২০০৪ সালের ঘটনায় ফের আলোড়ন গোটা বাংলাদেশে৷ ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে ২০০৪ সালে হয় ঢাকা গ্রেনেড হামলা৷ আওয়ামী লীগের মিছিলে হওয়া সেই হামলায় তৎকালীন বিরোধী দলনেত্রী শেখ হাসিনা সহ আওয়ামী লীগের একাধিক নেতাকে নিশানা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে৷ মারা যান ২৪ জন মানুষ৷ PIC: AP
advertisement
7/10
২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। তার পরেই বাংলাদেশের শাসনক্ষমতা যায় সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে। সেই সময়েই দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হন তারেক। ১৮ মাস জেলে থাকার পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর মুক্তি দেওয়া হয় তাঁকে। জেলে খালেদা-পুত্রের উপর অত্যাচার করারও অভিযোগ ওঠে। PIC: AP
২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। তার পরেই বাংলাদেশের শাসনক্ষমতা যায় সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে। সেই সময়েই দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হন তারেক। ১৮ মাস জেলে থাকার পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর মুক্তি দেওয়া হয় তাঁকে। জেলে খালেদা-পুত্রের উপর অত্যাচার করারও অভিযোগ ওঠে। PIC: AP
advertisement
8/10
সেই সময় জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের সেনাকর্তাদের সঙ্গে ‘রাজনীতিতে না ফেরার’ প্রতিশ্রুতি দিয়ে রীতিমতো রফা করেই দেশ ছেড়েছেন তারেক৷ খালেদা বা তারেকের তরফে কখনওই আনুষ্ঠানিক ভাবে এমন কোনও শর্তের কথা স্বীকার করা হয়নি। PIC: AP
সেই সময় জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের সেনাকর্তাদের সঙ্গে ‘রাজনীতিতে না ফেরার’ প্রতিশ্রুতি দিয়ে রীতিমতো রফা করেই দেশ ছেড়েছেন তারেক৷ খালেদা বা তারেকের তরফে কখনওই আনুষ্ঠানিক ভাবে এমন কোনও শর্তের কথা স্বীকার করা হয়নি। PIC: AP
advertisement
9/10
আঠারো মাসের কারাবাসের পর ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ছেড়ে লন্ডনে পাড়ি দিয়েছিলেন তারেক রহমান। সেই সময় খালেদা জানিয়েছিলেন, তারেক পড়াশোনা এবং চিকিৎসার জন্যই লন্ডনে গিয়েছেন।PIC: AP
আঠারো মাসের কারাবাসের পর ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ছেড়ে লন্ডনে পাড়ি দিয়েছিলেন তারেক রহমান। সেই সময় খালেদা জানিয়েছিলেন, তারেক পড়াশোনা এবং চিকিৎসার জন্যই লন্ডনে গিয়েছেন।PIC: AP
advertisement
10/10
তারপরে, গত ২০২৪ সালে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পরে ফের সক্রিয় হতে শুরু করেন তারেক৷ ২০২৪ সালে ব্রিটেনে থাকা অবস্থাতেই বাংলাদেশে চলা মামলা থেকে অব্যাহতি পান৷ তারপরে, ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর দীর্ঘ ১৭ বছর ৩ মাস পরে দেশে ফেরেন তারেক৷ তাঁর আসার ৫ দিনের মাথায় মারা যান খালেদা জিয়া৷ এরই মাঝে শুরু হয়ে গিয়েছিল ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতিও৷ অবশেষে, সেই ভোটে এল কাঙ্ক্ষিত জয়৷ PIC: AP
তারপরে, গত ২০২৪ সালে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পরে ফের সক্রিয় হতে শুরু করেন তারেক৷ ২০২৪ সালে ব্রিটেনে থাকা অবস্থাতেই বাংলাদেশে চলা মামলা থেকে অব্যাহতি পান৷ তারপরে, ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর দীর্ঘ ১৭ বছর ৩ মাস পরে দেশে ফেরেন তারেক৷ তাঁর আসার ৫ দিনের মাথায় মারা যান খালেদা জিয়া৷ এরই মাঝে শুরু হয়ে গিয়েছিল ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতিও৷ অবশেষে, সেই ভোটে এল কাঙ্ক্ষিত জয়৷ PIC: AP
advertisement
advertisement
advertisement