advertisement

Birbhum News: বক্রেশ্বরে এক 'ঐতিহাসিক' বিয়ের আসরে ফেলুদা! অতিথিদের মাঝে প্রকাশিত 'সুজনে দু'জনে' পত্রিকা

Last Updated:
বিয়ের হাজারও উপহারের মাঝে 'সুজনে দু'জনে' পত্রিকাটি এক কালজয়ী উপহার হিসেবে গণ্য হচ্ছে। এটি কেবল এক দম্পতির মিলন উৎসব নয়, বরং সৃজনশীল মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল। পঁচানব্বই সালের সেই বন্ধুত্বের টান আজও যে কতটা অমলিন, বক্রেশ্বরের এই বিয়ের আসর তার এক জীবন্ত দলিল হয়ে রইল।
1/5
সিউড়ি, বীরভূম, সুদীপ্ত গড়াই: আজকের ডিজিটাল যুগে যখন বিয়ের নিমন্ত্রণ থেকে শুভেচ্ছা সবই স্মার্টফোনের স্ক্রিনে সীমাবদ্ধ, ঠিক তখন বীরভূমের বক্রেশ্বর সাক্ষী থাকল এক অনন্য ঐতিহ্যের। বিশিষ্ট ছড়াকার আশিস মুখোপাধ্যায়ের কন্যা সমৃদ্ধার বিয়ের আসরকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত হল একটি বিশেষ স্মরণিকা পত্রিকা। আধুনিক জাঁকজমকের মাঝেও এই পত্রিকা প্রকাশ অনুষ্ঠানটি ছিল অত্যন্ত রুচিশীল ও আভিজাত্যপূর্ণ।
সিউড়ি, বীরভূম, সুদীপ্ত গড়াই: আজকের ডিজিটাল যুগে যখন বিয়ের নিমন্ত্রণ থেকে শুভেচ্ছা সবই স্মার্টফোনের স্ক্রিনে সীমাবদ্ধ, ঠিক তখন বীরভূমের বক্রেশ্বর সাক্ষী থাকল এক অনন্য ঐতিহ্যের। বিশিষ্ট ছড়াকার আশিস মুখোপাধ্যায়ের কন্যা সমৃদ্ধার বিয়ের আসরকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত হল একটি বিশেষ স্মরণিকা পত্রিকা। আধুনিক জাঁকজমকের মাঝেও এই পত্রিকা প্রকাশ অনুষ্ঠানটি ছিল অত্যন্ত রুচিশীল ও আভিজাত্যপূর্ণ।
advertisement
2/5
এই উদ্যোগের শিকড় লুকিয়ে আছে প্রায় তিন দশক আগে। ১৯৯৫ সালে যখন আশিস মুখোপাধ্যায় ও নুপুরদেবীর বিবাহ সম্পন্ন হয়, তখন বন্ধুদের পক্ষ থেকে 'নিক্কন' নামে একটি সংকলন উপহার দেওয়া হয়েছিল। কাকতালীয়ভাবে, সেই 'নিক্কন' ধ্বনিতেই তাঁদের বড় মেয়ে সমৃদ্ধার জন্ম। সেই পরম্পরা বজায় রেখেই সোমবার মেয়ের বিয়েতে প্রকাশিত হল 'সুজনে দু'জনে' নামে একটি বিশেষ পত্রিকা। সম্পাদক নন্দন দত্তর ইচ্ছা, এই ধারা যেন পরবর্তী প্রজন্মের নাতি-নাতনিদের বেলাতেও অটুট থাকে। ছবি ও তথ্য: সুদীপ্ত গড়াই
এই উদ্যোগের শিকড় লুকিয়ে আছে প্রায় তিন দশক আগে। ১৯৯৫ সালে যখন আশিস মুখোপাধ্যায় ও নুপুরদেবীর বিবাহ সম্পন্ন হয়, তখন বন্ধুদের পক্ষ থেকে 'নিক্কন' নামে একটি সংকলন উপহার দেওয়া হয়েছিল। কাকতালীয়ভাবে, সেই 'নিক্কন' ধ্বনিতেই তাঁদের বড় মেয়ে সমৃদ্ধার জন্ম। সেই পরম্পরা বজায় রেখেই সোমবার মেয়ের বিয়েতে প্রকাশিত হল 'সুজনে দু'জনে' নামে একটি বিশেষ পত্রিকা। সম্পাদক নন্দন দত্তর ইচ্ছা, এই ধারা যেন পরবর্তী প্রজন্মের নাতি-নাতনিদের বেলাতেও অটুট থাকে।ছবি ও তথ্য: সুদীপ্ত গড়াই
advertisement
3/5
পত্রিকাটি কোন সাধারণ শুভেচ্ছা পত্র নয়, বরং এটি একটি অমূল্য সংকলন। রাজ্যের মোট ২৮ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এই পত্রিকায় তাঁদের লেখা, ছবি ও আশীর্বাণী পাঠিয়েছেন। লেখক তালিকায় রয়েছেন চলচ্চিত্রকার সন্দীপ রায়, বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক পবিত্র সরকার, পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং অতনু বর্মন এর মতো দিকপালরা। ছবি ও তথ্য: সুদীপ্ত গড়াই
পত্রিকাটি কোন সাধারণ শুভেচ্ছা পত্র নয়, বরং এটি একটি অমূল্য সংকলন। রাজ্যের মোট ২৮ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এই পত্রিকায় তাঁদের লেখা, ছবি ও আশীর্বাণী পাঠিয়েছেন। লেখক তালিকায় রয়েছেন চলচ্চিত্রকার সন্দীপ রায়, বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক পবিত্র সরকার, পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং অতনু বর্মন এর মতো দিকপালরা।ছবি ও তথ্য: সুদীপ্ত গড়াই
advertisement
4/5
নবদম্পতিকে আশীর্বাদ জানাতে এবং এই বিশেষ পত্রিকাটি প্রকাশ করতে বিয়ের আসরে সশরীরে উপস্থিত হয়েছিলেন প্রখ্যাত অভিনেতা সব্যসাচী চক্রবর্তী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন চিত্রভানু বসু, সমরেশ মন্ডল ও আদিত্য মুখোপাধ্যায়ের মতো বিশিষ্টজনেরা। অভিনেতা সব্যসাচী চক্রবর্তী এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন,
নবদম্পতিকে আশীর্বাদ জানাতে এবং এই বিশেষ পত্রিকাটি প্রকাশ করতে বিয়ের আসরে সশরীরে উপস্থিত হয়েছিলেন প্রখ্যাত অভিনেতা সব্যসাচী চক্রবর্তী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন চিত্রভানু বসু, সমরেশ মণ্ডল ও আদিত্য মুখোপাধ্যায়ের মতো বিশিষ্টজনেরা। অভিনেতা সব্যসাচী চক্রবর্তী এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, "এটি একটি অভিনব প্রয়াস। বিয়ের সাধারণ ছবির ভিড়ে এই পত্রিকাটি একটি অনন্য স্মৃতি হিসেবে অমলিন থাকবে।"ছবি ও তথ্য: সুদীপ্ত গড়াই
advertisement
5/5
বিয়ের হাজারো উপহারের মাঝে 'সুজনে দু'জনে' পত্রিকাটি এক কালজয়ী উপহার হিসেবে গণ্য হচ্ছে। এটি কেবল এক দম্পতির মিলন উৎসব নয়, বরং সৃজনশীল মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল। পঁচানব্বই সালের সেই বন্ধুত্বের টান আজও যে কতটা অমলিন, বক্রেশ্বরের এই বিয়ের আসর তার এক জীবন্ত দলিল হয়ে রইল। ছবি ও তথ্য: সুদীপ্ত গড়াই
বিয়ের হাজারও উপহারের মাঝে 'সুজনে দু'জনে' পত্রিকাটি এক কালজয়ী উপহার হিসেবে গণ্য হচ্ছে। এটি কেবল এক দম্পতির মিলন উৎসব নয়, বরং সৃজনশীল মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল। পঁচানব্বই সালের সেই বন্ধুত্বের টান আজও যে কতটা অমলিন, বক্রেশ্বরের এই বিয়ের আসর তার এক জীবন্ত দলিল হয়ে রইল।ছবি ও তথ্য: সুদীপ্ত গড়াই
advertisement
advertisement
advertisement