advertisement

Why Is ATM PIN Only 4 Digits? জানেন কী কেন ATM কার্ডের পিন ৪ অঙ্কের হয় ?

Last Updated:
Why Is ATM PIN Only 4 Digits? ATM কার্ডের পিন ৪ অঙ্কের হওয়ার পিছনে রয়েছে একটি মজার ইতিহাস। নিরাপত্তা ও মানুষের মনে রাখার সুবিধার ভারসাম্য থেকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বিস্তারিত পড়ুন এখানে।
1/6
আজ বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষ এটিএম থেকে টাকা তোলার সময় ৪ অঙ্কের পিন ব্যবহার করেন। কিন্তু কখনও কি ভেবেছেন, এই পিন ৪ অঙ্কেরই হয় কেন? ৫ বা ৬ অঙ্কের নয় কেন? এর পিছনে রয়েছে এক বেশ মজার গল্প, যার কৃতিত্ব যায় জন শেফার্ড-ব্যারনের কাছে, যিনি এটিএম মেশিনের আবিষ্কারক।
আজ বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষ এটিএম থেকে টাকা তোলার সময় ৪ অঙ্কের পিন ব্যবহার করেন। কিন্তু কখনও কি ভেবেছেন, এই পিন ৪ অঙ্কেরই হয় কেন? ৫ বা ৬ অঙ্কের নয় কেন? এর পিছনে রয়েছে এক বেশ মজার গল্প, যার কৃতিত্ব যায় জন শেফার্ড-ব্যারনের কাছে, যিনি এটিএম মেশিনের আবিষ্কারক।
advertisement
2/6
১৯৬০-এর দশকে যখন জন শেফার্ড-ব্যারন এটিএম সিস্টেম নিয়ে কাজ করছিলেন, তখন তিনি প্রথমে ৬ অঙ্কের পিন রাখার কথা ভেবেছিলেন। কিন্তু যখন তিনি তাঁর স্ত্রী ক্যারোলিনের উপর এর পরীক্ষা করেন, তখন দেখেন ৬ অঙ্ক মনে রাখা ততটা সহজ নয়। তাঁর স্ত্রী স্বাচ্ছন্দ্যে সর্বোচ্চ ৪ অঙ্কই মনে রাখতে পারছিলেন।
১৯৬০-এর দশকে যখন জন শেফার্ড-ব্যারন এটিএম সিস্টেম নিয়ে কাজ করছিলেন, তখন তিনি প্রথমে ৬ অঙ্কের পিন রাখার কথা ভেবেছিলেন। কিন্তু যখন তিনি তাঁর স্ত্রী ক্যারোলিনের উপর এর পরীক্ষা করেন, তখন দেখেন ৬ অঙ্ক মনে রাখা ততটা সহজ নয়। তাঁর স্ত্রী স্বাচ্ছন্দ্যে সর্বোচ্চ ৪ অঙ্কই মনে রাখতে পারছিলেন।
advertisement
3/6
মানুষের সুবিধা ও মনে রাখার ক্ষমতার কথা বিবেচনা করে জন পিনটি ৬ অঙ্ক থেকে কমিয়ে ৪ অঙ্কের করে দেন। পরবর্তীতে এই সিদ্ধান্তই সারা বিশ্বে মানদণ্ড (স্ট্যান্ডার্ড) হয়ে যায়। ৪ অঙ্কের পিনে ০০০০ থেকে ৯৯৯৯ পর্যন্ত মোট ১০,০০০টি ভিন্ন কম্বিনেশন তৈরি করা যায়। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, সীমিত সংখ্যক চেষ্টার মধ্যে কোনও অপরিচিত ব্যক্তির পক্ষে সঠিক পিন অনুমান করা অত্যন্ত কঠিন।
মানুষের সুবিধা ও মনে রাখার ক্ষমতার কথা বিবেচনা করে জন পিনটি ৬ অঙ্ক থেকে কমিয়ে ৪ অঙ্কের করে দেন। পরবর্তীতে এই সিদ্ধান্তই সারা বিশ্বে মানদণ্ড (স্ট্যান্ডার্ড) হয়ে যায়।৪ অঙ্কের পিনে ০০০০ থেকে ৯৯৯৯ পর্যন্ত মোট ১০,০০০টি ভিন্ন কম্বিনেশন তৈরি করা যায়। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, সীমিত সংখ্যক চেষ্টার মধ্যে কোনও অপরিচিত ব্যক্তির পক্ষে সঠিক পিন অনুমান করা অত্যন্ত কঠিন।
advertisement
4/6
এই সিদ্ধান্তটি ছিল নিরাপত্তা ও মানুষের স্মৃতিশক্তির মধ্যে একটি ভারসাম্য রক্ষার প্রচেষ্টা। সেই সময়ের প্রযুক্তি ও প্রয়োজনের নিরিখে এটিকে একটি নিখুঁত ভারসাম্য বলেই মনে করা হয়।
এই সিদ্ধান্তটি ছিল নিরাপত্তা ও মানুষের স্মৃতিশক্তির মধ্যে একটি ভারসাম্য রক্ষার প্রচেষ্টা। সেই সময়ের প্রযুক্তি ও প্রয়োজনের নিরিখে এটিকে একটি নিখুঁত ভারসাম্য বলেই মনে করা হয়।
advertisement
5/6
জন শেফার্ড-ব্যারনের জন্ম ১৯২৫ সালে ভারতের শিলংয়ে হয়েছিল। পরে তিনি ব্রিটেনে বড় হয়ে ওঠেন। তিনি ‘ডে লা রু’ নামে একটি সংস্থায় কাজ করতেন, যা নোট ছাপানোর কাজ করত।এটিএমের ধারণা তাঁর মাথায় আসে এক সাধারণ ঘটনা থেকে। একদিন তিনি ব্যাঙ্ক থেকে টাকা তুলতে গিয়েছিলেন, কিন্তু ব্যাঙ্ক তখন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সেই রাতেই তাঁর মনে প্রশ্ন জাগে—যখন ভেন্ডিং মেশিনে কয়েন ফেললে চকলেট বেরিয়ে আসে, তখন এমন একটি মেশিন কেন তৈরি করা যাবে না, যেখানে চেক ঢোকালে টাকা বেরিয়ে আসবে? তিনি তাঁর এই ধারণা বার্কলেজ ব্যাঙ্কের সামনে তুলে ধরেন এবং ব্যাঙ্ক সেটি গ্রহণ করে। ১৯৬৭ সালের ২৭ জুন লন্ডনে বিশ্বের প্রথম এটিএম বসানো হয়, যা ব্যাঙ্কিং জগতের চেহারাই বদলে দেয়।
জন শেফার্ড-ব্যারনের জন্ম ১৯২৫ সালে ভারতের শিলংয়ে হয়েছিল। পরে তিনি ব্রিটেনে বড় হয়ে ওঠেন। তিনি ‘ডে লা রু’ নামে একটি সংস্থায় কাজ করতেন, যা নোট ছাপানোর কাজ করত।এটিএমের ধারণা তাঁর মাথায় আসে এক সাধারণ ঘটনা থেকে। একদিন তিনি ব্যাঙ্ক থেকে টাকা তুলতে গিয়েছিলেন, কিন্তু ব্যাঙ্ক তখন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সেই রাতেই তাঁর মনে প্রশ্ন জাগে—যখন ভেন্ডিং মেশিনে কয়েন ফেললে চকলেট বেরিয়ে আসে, তখন এমন একটি মেশিন কেন তৈরি করা যাবে না, যেখানে চেক ঢোকালে টাকা বেরিয়ে আসবে?তিনি তাঁর এই ধারণা বার্কলেজ ব্যাঙ্কের সামনে তুলে ধরেন এবং ব্যাঙ্ক সেটি গ্রহণ করে। ১৯৬৭ সালের ২৭ জুন লন্ডনে বিশ্বের প্রথম এটিএম বসানো হয়, যা ব্যাঙ্কিং জগতের চেহারাই বদলে দেয়।
advertisement
6/6
আজও কি ৪ অঙ্কের পিনই ব্যবহার করা হয়?বর্তমানে প্রযুক্তি অনেক এগিয়ে গেছে। বহু দেশ ও ব্যাঙ্কে এখন ৬ অঙ্কের পিন বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে, ফলে সম্ভাব্য কম্বিনেশনের সংখ্যা ১০,০০০ থেকে বেড়ে ১০ লাখে পৌঁছে যায়। এর ফলে নিরাপত্তার মাত্রা আরও শক্তিশালী হয়। তবে ভারত-সহ বিশ্বের বহু দেশে এখনও ৪ অঙ্কের পিনই সবচেয়ে বেশি প্রচলিত। কারণ এটি মনে রাখা সহজ এবং সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য বেশ সুবিধাজনক।
আজও কি ৪ অঙ্কের পিনই ব্যবহার করা হয়?বর্তমানে প্রযুক্তি অনেক এগিয়ে গেছে। বহু দেশ ও ব্যাঙ্কে এখন ৬ অঙ্কের পিন বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে, ফলে সম্ভাব্য কম্বিনেশনের সংখ্যা ১০,০০০ থেকে বেড়ে ১০ লাখে পৌঁছে যায়। এর ফলে নিরাপত্তার মাত্রা আরও শক্তিশালী হয়।তবে ভারত-সহ বিশ্বের বহু দেশে এখনও ৪ অঙ্কের পিনই সবচেয়ে বেশি প্রচলিত। কারণ এটি মনে রাখা সহজ এবং সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য বেশ সুবিধাজনক।
advertisement
advertisement
advertisement