Agriculture News: রাসায়নিক সারে সিক্ত শাক-সবজি থেকে মুক্তি, নিমপীঠে বায়োফার্টিলাইজার তৈরির মহা কর্মযজ্ঞ, বছরভর জোগান জেলার চাষিদের

Last Updated:

Agriculture News: জেলার চাষিদের জন্য দারুণ সুখবর। রাসায়নিক সারের ব্যবহার থেকে মুক্তি। নিমপীঠ কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রে তৈরি হচ্ছে বায়োফার্টিলাইজার বা জীবাণু সার। বছরভর জোগান দেওয়া হবে চাষিদের।

+
নিমপীঠ

নিমপীঠ কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রে তৈরি হচ্ছে বায়োফার্টিলাইজার

দক্ষিণ ২৪ পরগনা,নিমপীঠ, সুমন সাহা: এবার নিমপীঠ কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রে তৈরি হচ্ছে জীবাণু সার অর্থাৎ বায়োফার্টিলাইজার। বর্তমানে বিভিন্ন চাষের ক্ষেত্রে রাসায়নিক সারের ব্যবহারের কথাই মাথায় আসে প্রথমে। কারণ চাষিরা রাসায়নিক সার ছাড়া সেভাবে চাষবাস করতেই পারেন না। কারণ চাষিদের মধ্যে একটি ধারণা তৈরি হয়েছে, রাসায়নিক সার ছাড়া ভাল চাষ হবে না। কিন্তু আসল ব্যাপার হল, গাছ তার প্রকৃত খাবার মাটি থেকেই নেয়।
বাতাস ও মাটিতে যে খনিজ আছে সেগুলি গাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন জীবাণু রয়েছে। এই জীবনগুলোকে বিজ্ঞানীরা মাটি থেকে সংগ্রহ করে এরপর গবেষণা কেন্দ্রে নিয়ে গয়ে জীবাণু সারের রূপ দেওয়া হয়। যাকে বায়োফার্টিলাইজার বলা হয়।
আরও পড়ুনঃ বিহারের নিখোঁজ যুবকের হদিশ বাংলায়! স্বরূপনগর থানার পুলিশের সহায়তায় মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলের ‘ঘর ওয়াপসি’, আবেগপ্রবণ ভিন রাজ্যের পরিবার
অর্থাৎ এই বায়োফার্টিলাইজার হল এক ধরনের জীবাণু। এই উপকারী জীবাণুগুলো মাটিতে প্রয়োগ করলে বংশবৃদ্ধি করে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে এবং গাছের পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করে। এই বায়োফার্টিলাইজার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন – রাইজোডিয়াম, যারা ডাল জাতীয় চাষের ক্ষেত্রে বা সরষে চাষের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। এই অণুজীব বা ব্যাকটেরিয়া গাছের শিকড়ে এক ধরনের গুটি তৈরি করে এবং সেখানে তারা বসবাস করে। গাছ থেকে তারা শর্করা জাতীয় খাবার নেয় এবং বাতাস থেকে নাইট্রোজেন আবদ্ধ রেখে বিভিন্ন প্রোটিন তৈরি করে গাছকে সরবরাহ করে।
advertisement
advertisement
আরও পড়ুনঃ কিকবক্সিংয়ে কাঁথির মেয়ের নজরকাড়া সাফল্য! বাংলার প্রতিটি জেলাকে পিছনে ফেলে প্রথম, এবার দেশ জয়ের লক্ষ্যে রিমি
ঠিক একই রকমভাবে জিন সলিউশন ব্যাকটেরিয়া, পটাশিয়াম ব্যাকটেরিয়া, সিলিকন ব্যাকটেরিয়া এই ধরনের বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া বায়োফার্টিলাইজার আকারে বাজারে পৌঁছে দিচ্ছেন কৃষি বিজ্ঞানীরা। রাষ্ট্রীয় কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রের যোজনার অন্তর্গত একটি প্রকল্পের মাধ্যমে নিমপীঠ কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রের গবেষণাগারে বায়োফার্টিলাইজার তৈরি শুরু হয়েছে। যার লক্ষ্য বছরে প্রায় পঞ্চাশ হাজার লিটার বায়োফার্টিলাইজার উৎপাদন করা।
advertisement
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বর্তমানে নিমপীঠ কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রের গবেষণা কেন্দ্র থেকে বছরে প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার লিটার বায়োফার্টিলাইজার তৈরি হচ্ছে। এই ধরনের জীবাণুসার যদি চাষিরা ব্যবহার করে তাহলে তাদের যে রাসায়নিক সারের উপর নির্ভরতা তা ৩০ শতাংশ কমে যাবে বলেই আশা কৃষি বিজ্ঞানীদের। তাতে তাদের চাষের খরচ অনেকটা কমে যাবে।
view comments
বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Agriculture News: রাসায়নিক সারে সিক্ত শাক-সবজি থেকে মুক্তি, নিমপীঠে বায়োফার্টিলাইজার তৈরির মহা কর্মযজ্ঞ, বছরভর জোগান জেলার চাষিদের