North 24 Parganas News: জীবনের শেষেও বঞ্চনা! শ্মশানের অভাবে সীমান্ত গ্রাম চাঁড়ালখালিতে দেহ সৎকার নিয়ে চরম ভোগান্তি
- Reported by:JULFIKAR MOLLA
- Published by:Madhab Das
Last Updated:
North 24 Parganas News: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের চাঁড়ালখালি গ্রামে স্বাধীনতার এত বছর পরেও মেলেনি শ্মশান। প্রিয়জনকে শেষ বিদায় জানাতে গ্রামবাসীদের নির্ভর করতে হয় কাঁটাতারের ওপার। বিএসএফের কড়া নজরদারি, কাঁটাতার আর পরিকাঠামোর অভাবে সেখানে মৃত্যুর পর সৎকারও হয়ে দাঁড়িয়েছে এক বড় চ্যালেঞ্জ।
হিঙ্গলগঞ্জ, উত্তর ২৪ পরগণা, জুলফিকার মোল্যা: ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের চাঁড়ালখালি এলাকার বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে এক চরম মানবিক সমস্যার মুখোমুখি। গ্রামে স্থায়ী শ্মশান না থাকায় মৃতদেহ সৎকারের জন্য গ্রামবাসীদের কাঁটাতারের বেড়া পার হয়ে কালিন্দী নদীর চরে যেতে হয়। সম্প্রতি সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করতে নদীর ধারে বিএসএফ কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ায় সমস্যাটি আরও প্রকট হয়ে উঠেছে। কিছুদিন আগে গ্রামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হলে তার দেহ সৎকার করতে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা বড় বিপাকে পড়েন। সেই সময় এলাকায় একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হিঙ্গলগঞ্জের বিধায়ক দেবেশ মণ্ডল। তার উপস্থিতিতেই কাঁটাতারের বেড়ার গায়ে বিচালি বেঁধে কোনওরকমে একটি ফাঁক তৈরি করা হয় এবং বহু কষ্টে মরদেহ নদীর চরে নিয়ে গিয়ে চিতা সাজিয়ে সৎকার সম্পন্ন করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, বহু প্রজন্ম ধরে কালিন্দী নদীর চরের একটি নির্দিষ্ট জায়গায় গ্রামের মানুষের শবদাহ হয়ে আসছে। কিন্তু বর্তমানে কাঁটাতারের বেড়া থাকায় প্রতিবারই বিএসএফের অনুমতি নিয়ে শবযাত্রীদের ওই পথে যেতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত অসুবিধাজনক এবং মানসিকভাবে কষ্টদায়ক পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে। বাসিন্দা মন্মথ মৃধা বলেন, নদীর ধারে স্থায়ী শ্মশানঘাট তৈরি হলেই এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হতে পারে।
advertisement
advertisement
বিধায়ক দেবেশ মণ্ডল জানান, এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি নদীর ধারে একটি স্থায়ী শ্মশানঘাট নির্মাণ করা। কিন্তু বিএসএফের কাঁটাতারের বেড়া এবং কেন্দ্রীয় নির্দেশিকার কারণে সেই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না। যদিও কাঁটাতারের ওপারে স্থানীয় মানুষের রায়ত জমি রয়েছে এবং সেখানে শ্মশান তৈরির জন্য উপযুক্ত জায়গাও আছে।
advertisement
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে বহুবার বিএসএফের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে, কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও সমাধান মেলেনি। তাই এলাকার মানুষের সমস্যার কথা তুলে ধরে এবার কেন্দ্রীয় সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিধায়ক।
Location :
North Twenty Four Parganas,West Bengal
First Published :
Feb 17, 2026 2:08 PM IST
বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
North 24 Parganas News: জীবনের শেষেও বঞ্চনা! শ্মশানের অভাবে সীমান্ত গ্রাম চাঁড়ালখালিতে দেহ সৎকার নিয়ে চরম ভোগান্তি










