Alipurduar News: গানের তাল বজায় রাখার আসল হাতিয়ার! মেচদের সংস্কৃতির সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে খলটপ, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলছে ব্যবহার
- Reported by:Annanya Dey
- hyperlocal
- Published by:Sneha Paul
Last Updated:
Alipurduar News: এই বাদ্যযন্ত্র বাঁশের তৈরি, দেখতে লম্বাটে হয়। আওয়াজ বের করার জন্য বাঁশের মাঝে ফাঁকা রাখা হয়।
আলিপুরদুয়ার, অনন্যা দেঃ ডুয়ার্স এলাকায় বসবাস নানা জনজাতির মানুষের। তাঁদের সংস্কৃতি একে অপরের চেয়ে আলাদা, এমনকি তাঁদের গানের সুরও ভিন্ন। গানে ব্যবহৃত বাদ্যযন্ত্রগুলির মধ্যেও রয়েছে স্বকীয়তা। তেমনই একটি বাদ্যযন্ত্র হল খলটপ। মেচ জনজাতির মানুষেরা এই বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার করে থাকেন।
এই বাদ্যযন্ত্র তাঁদের ভাষার গানে তাল বজায় রাখার জন্য ব্যবহার করা হয়। খলটপ বাঁশের তৈরি, দেখতে লম্বাটে হয়। আওয়াজ বের করার জন্য বাঁশের মাঝে ফাঁকা রাখা হয়। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই বাদ্যযন্ত্র ব্যবহৃত হচ্ছে বলে জানান বাদ্যকার রাজু কার্জি।
আরও পড়ুনঃ অবহেলার আড়ালে লুকিয়ে থাকা প্রতিভা! বিদেশি স্টাইলে বেহালা বাজিয়ে মন জয় করছেন ষাটোর্ধ্ব শিল্পী, মধুর সুরে মুগ্ধ সকলে
চিলাপাতা, কালচিনির বিভিন্ন এলাকায় মেচ জনজাতির মানুষের বসবাস। তাঁরা যখন উৎসবে নাচ-গানে মেতে ওঠেন, তখন এই বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করা হয়। মেচদের গানের সুরে এই বাদ্যযন্ত্র ছাড়া অন্য কোনও বাদ্যযন্ত্রের তেমনভাবে ব্যবহার হয় না। রাজু কার্জি জানান, “খলটপ আমাদের সংস্কৃতির একটি অঙ্গ। মেচ জনজাতির মানুষদের সম্পর্কে জানতে হলে খলটপ বুঝতে হবে। এটি বাজানো সহজ।”
advertisement
advertisement
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
রাজুবাবু আরও জানান, ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের তিনি খলটপ বাজানো শেখাচ্ছেন। মেচ সম্প্রদায়ের খুদেদের নিয়ে একটি দলও তৈরি করেছেন তিনি। সপ্তাহান্তে তাঁদের খলটপ বাজানো শেখান, তাল সম্পর্কে বোঝান। রাজুবাবুর কথায়, নতুন প্রজন্ম তাঁদের কৃষ্টি, সংস্কৃতি জানলে পর্যটক এবং বিশেষজ্ঞদের বোঝাতে পারবেন। পাশাপাশি মেচ জনজাতির নিজস্বতা বজায় থাকবে। এই বাদ্যযন্ত্রটি যাতে হারিয়ে না যায়, সেই জন্য এই উদ্যোগ বলে জানা যায়।
Location :
Alipurduar,Jalpaiguri,West Bengal
First Published :
Jan 19, 2026 12:10 PM IST
বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Alipurduar News: গানের তাল বজায় রাখার আসল হাতিয়ার! মেচদের সংস্কৃতির সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে খলটপ, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলছে ব্যবহার










