• Home
  • »
  • News
  • »
  • uncategorized
  • »
  • Savings Tips: ভবিষ্যতে আগত বিপদের জন্য তৈরি করুন এমার্জেন্সি ফান্ড, জানুন কীভাবে জমাবেন টাকা!

Savings Tips: ভবিষ্যতে আগত বিপদের জন্য তৈরি করুন এমার্জেন্সি ফান্ড, জানুন কীভাবে জমাবেন টাকা!

প্রতীকী ছবি ৷

প্রতীকী ছবি ৷

Emergency Fund|Savings|Business: ভবিষ্যতের বিভিন্ন অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধানে এমার্জেন্সি ফান্ড তৈরি করুন এই ভাবেই, একটি এমার্জেন্সি ফান্ডের টাকার অঙ্ক মাসিক বেতনের ৬ গুণ হতে হবে।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: বিপদ দরজায় কড়া নাড়িয়ে আসে না। চিকিৎসা হোক কিংবা অন্য কোনও প্রয়োজনীয়তা, হঠাৎ করে উদয় হওয়া সমস্যার জন্য মোটা অঙ্কের টাকা জোগাড় করা যেন দুর্বিষহ ব্যাপার। এই জাতীয় পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতের জন্য জমিয়ে রাখা সঞ্চয় ব্যবহার করে সাময়িক সমস্যার সমাধান তো হয়ে যায় কিন্তু অন্য বিপদ মাথা চারা দিয়ে ওঠে। আগামী দিনের জন্য হাতে কিছুই পড়ে থাকে না এবং যে উদ্দেশ্যে অর্থ সঞ্চয় করা হয়েছিল তা অপূর্ণই থেকে যায়। এই সমস্যা এড়ানোর সবচেয়ে ভালো বিকল্প হল জরুরি তহবিল বা এমার্জেন্সি ফান্ড (Emergency fund)। এই ফান্ডগুলি জরুরি সমস্যার সমাধানের সঙ্গে সঙ্গে ভবিষ্যতের জন্যও সঞ্চয় রাখবে।

আরও পড়ুন:  LIC-র প্রিমিয়াম জমা করার জন্য ব্যবহার করা যাবে প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা, জেনে নিন কীভাবে!

৬ মাসের এমার্জেন্সি ফান্ড

একটি এমার্জেন্সি ফান্ডের টাকার অঙ্ক মাসিক বেতনের ৬ গুণ হতে হবে। হঠাৎ করে বিপদ দোরগোড়ায় এলে যাতে আগের মতোই কমপক্ষে ৬ মাস সংসারে কোনও আঁচ না আসে। যদি মাসিক বেতন ৫০ হাজার টাকা হয় তবে জরুরি তহবিলে ৩ লক্ষ টাকা রাখতে হবে।

আরও পড়ুন:  Atal Pension Yojana: বিবাহিতদের জন্য বাম্পার সুযোগ সরকারি স্কিমে! প্রতি মাসে মিলবে ১০ হাজার টাকা! জানুন...

জরুরি তহবিল বানানোর আগে মনে রাখতে হবে একমাত্র হঠাৎ করে আগত এমার্জেন্সি ছাড়া অন্য কোনও কারণে এই ফান্ড ব্যবহার করা চলবে না এবং একে সঞ্চয় হিসেবে ধরা যাবে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও সমস্যায় ৬ মাসের বেশি সময় ধরে স্থায়ী হয় না। এই সময়ের মধ্যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিপদ কেটে যায় বা আমরা সমস্যা সমাধানের পথ খুঁজে বের করে ফেলি।

এমার্জেন্সি ফান্ড কী ভাবে জমা করা যায়?

জরুরি তহবিলের অর্থকে এমন জায়গায় বিনিয়োগ করতে হবে যেখান থেকে খুব সহজেই টাকা তোলা যাবে। নগদ টাকা হিসেবে সাধারণ সেভিংস ব্যাঙ্ক (Saving Bank) অ্যাকাউন্টে জমা করা যেতে পারে যেখান থেকে যে কোনও সময় কার্ড ব্যবহার করে এটিএম থেকে টাকা তোলা যাবে। এটিকে লিকুইড মিউচুয়াল ফান্ড (Liquid MF) হিসেবেও বিনিয়োগ করা যেতে পারে কারণ এই তহবিলের টাকা শুধুমাত্র মানি মার্কেট সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করা হয়। এই কারণেই এই লগ্নিতে ঝুঁকি খুবই কম থাকে। ফিক্সড ডিপোজিট (FD) বা রেকারিং ডিপোজিট (RD) রূপেও জরুরি তহবিল জমানো যেতে পারে।

এমার্জেন্সি ফান্ডকে তিনটি ভাগ করে অতি স্বল্পমেয়াদী, স্বল্পমেয়াদী এবং মধ্যমেয়াদী বিনিয়োগ হিসেবে আলাদা আলাদা দিকে লগ্নি করা যেতে পারে।

Published by:Arjun Neogi
First published: