Home /News /sports /
Harshada Garud: ১২ বছর বয়সে তুলেছিল ৫০ কেজির চালের বস্তা! সেই মেয়ের উপর গর্ব করছে গোটা দেশ

Harshada Garud: ১২ বছর বয়সে তুলেছিল ৫০ কেজির চালের বস্তা! সেই মেয়ের উপর গর্ব করছে গোটা দেশ

Harshada Garud: পিঠে চালের বস্তা তুলে নিত সেই ছোট্ট মেয়ে। এবার সেই মেয়েই দেশকে গর্বিত করল।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: ভারতের হর্ষদা গারুড় সোমবার আন্তর্জাতিক ভারোত্তোলন ফেডারেশনের জুনিয়র ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে সোনার পদক জিতে ইতিহাস তৈরি করেছেন। হর্ষদা প্রথম ভারতীয় হিসেবে এই চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতেছেন। হর্ষদা ১২ বছর বয়সে মজা করে ৫০ কেজি ওজনের চালের বস্তা পিঠে তুলে নিয়েছিল। সেই থেকেই তাঁর ভারোত্তোলনের যাত্রা শুরু হয়।

    অষ্টম শ্রেণীতে পড়ার সময় তাঁর বাবাকে প্রথম দেখেন, মেয়ে ভারি বস্তা অবলীলায় পিঠে তুলে নিচ্ছে। ১২ বছরের মেয়ে, যে একসময় পিঠে চালের বস্তা বয়েছিল, আজ ভারতের সম্মান বাড়িয়েছে।

    আরও পড়ুন- সাত পাকে বাঁধা পড়লেন লালজী, হানিমুনে কোথায় যাবেন অরুণ-বুলবুল?

    জুনিয়র ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জেতার পর হর্ষদা বলেন, "ছোটবেলায় যখন চালের বস্তা পিঠে নিয়ে যেতাম, তখন ভাবিনি যে ভবিষ্যতে এই খেলায় কেরিয়ার গড়ব। কিন্তু এটাই ছিল আমার বাবার স্বপ্ন, যা পূরণ হলো।"

    পুনের ভাদগাঁও-এর বাসিন্দা হর্ষদা। সোমবার গ্রিসে চলতি জুনিয়র ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে মোট ১৫৩ কেজি (70KG + 83KG) তুলে ৪৯ কেজি ওজন বিভাগে স্বর্ণপদক জিতেছেন৷ এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি পদক জয়ের ব্যাপারে পুরোপুরি নিশ্চিত ছিলাম। কিন্তু সোনার পদক জেতাটা সত্যিই অনেক বড় ব্যাপার।"

    হর্ষদার বাবা ও মামাও ভারোত্তোলক হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁরা স্বপ্ন পূরণ করতে পারেনি। এর পর তাঁরা দুজনেই হর্ষদাকে উদ্বুদ্ধ করেন। পুনের কাছে ভাদগাঁওতে ভারোত্তোলন বেশ জনপ্রিয়। যেমন মনমাদ, সাংলি এবং কোলহাপুরসহ মহারাষ্ট্রের বেশ কিছু জায়গাতেও ভারোত্তোলন জনপ্রিয়।

    ৭৩ বছর বয়সী বিহারীলাল দুবে ১৯৭২ সালে ভাদগাঁওতে একটি ছোট জিম শুরু করেছিলেন এবং এখান থেকেই এই গ্রামটি ভারোত্তোলনের কেন্দ্র হিসাবে আবির্ভূত হতে শুরু করে।

    আরও পড়ুন- শেষমেশ অনুষ্কার ব্যবহার করা পুরনো শাড়ি পরে বিয়েবাড়িতে, নেটদুনিয়া তুলকালাম

    হর্ষদা এই নামটা পেল কী করে? এই গল্পও মজার। আসলে হর্ষদার বাবা শারদ এবং বিহারীলাল দুবের পুত্রবধূ, যিনি ভাদগাঁওয়ে একটি জিম শুরু করেছিলেন, একসঙ্গে প্রশিক্ষণ করতেন। বিহারীলালের পুত্রবধূর নামও ছিল হর্ষদা। একবার হর্ষদা ক্রস কান্ট্রি রেসে স্বর্ণপদক জেতার পর সারা গ্রামে তাঁর জন্য বিজয় মিছিল বের হয়। তা দেখেই শারদ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তিনি বাবা হলে প্রথম সন্তানের নাম হবে হর্ষদা।

    Published by:Suman Majumder
    First published:

    Tags: Weightlifting

    পরবর্তী খবর