Home /News /sports /
Ashes 4-0 : ফের লজ্জার হার ইংল্যান্ডের, ১৪৬ রানে হোবার্ট টেস্ট জিতে ৪-০ অ্যাশেজ জিতল অস্ট্রেলিয়া

Ashes 4-0 : ফের লজ্জার হার ইংল্যান্ডের, ১৪৬ রানে হোবার্ট টেস্ট জিতে ৪-০ অ্যাশেজ জিতল অস্ট্রেলিয়া

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ডকে উড়িয়ে দিয়ে ফাইনাল অ্যাশেজ টেস্টে ট্রফি নিয়ে সেলিব্রেশন অস্ট্রেলিয়ার

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ডকে উড়িয়ে দিয়ে ফাইনাল অ্যাশেজ টেস্টে ট্রফি নিয়ে সেলিব্রেশন অস্ট্রেলিয়ার

Ashes England endured yet another batting collapse in Hobart. মার্ক উডের দুর্দান্ত বোলিং বৃথা, ইংল্যান্ড ব্যাটসম্যানদের আত্মসমর্পনে অস্ট্রেলিয়ার ৪-০ জয়

  • Share this:

    #হোবার্ট: ছন্নছাড়া ক্রিকেট ও অসহায় আত্মসমর্পণ। এককথায় অস্ট্রেলিয়ায় এবারের অ্যাশেজে এটাই রইল ইংল্যান্ডের পারফরমেন্স। হাতে ছিল আড়াই দিন সময়। কিন্তু ২৭১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র একবেলাতেই ৩৮ ওভারে ১২৪ রানেই শেষ হয়ে গেল ইংল্যান্ড। মাত্র তিন দিনে হোবার্টে পঞ্চম টেস্ট ১৪৬ রানে জিতে এবারের অ্যাশেজ ৪-০ জিতে নিল অস্ট্রেলিয়া।

    আরও পড়ুন - Shane Warne on Virat: টেস্ট ক্রিকেটের প্রতি আবেগপূর্ণ সমর্থনের জন্য কোহলিকে ধন্যবাদ ওয়ার্নের

    আগের টেস্টে ভাগ্য অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে একটু সহায় হলে হয়তো এবারও অ্যাশেজে হোয়াইটওয়াশের লজ্জাই পোহাতে হত ইংল্যান্ডকে। ৪৩/৩ থেকে তৃতীয় দিন শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। তবে দিনের শুরু তাদের একেবারেই ভাল হয়নি। প্রথমে নৈশ প্রহরী স্কট বোল্যান্ড, তারপর গত ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান ট্র্যাভিস হেড মাত্র ৮ রানে, স্টিভ স্মিথ ২৭ রানে সাজঘরে ফিরে যান। ৬৩ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়া রীতিমত ধুকছিল।

    আরও পড়ুন - Lakshya Sen Indian Open : লক্ষ্যভেদ লক্ষ্য সেনের, বিশ্ব চ্যাম্পিয়নকে হারিয়ে জিতলেন ইন্ডিয়া ওপেন খেতাব

    শর্ট পিচ বলে আগুনে পেস ঝড়াচ্ছিলেন মার্ক উড। অস্ট্রেলিয়ার সেই সময় লিড ছিল মাত্র ১৭৮ রানের। সেখান থেকে ছোট পার্টনারশিপ গড়েন এলেক্স কেরি ও ক্যামেরুন গ্রিন। ১৯ রানের মাথায় ক্রিস ওকসের বল পুল করতে গিয়ে ব্যাটের কানায় লেগে বোল্ড হন কেরি, কিন্তু ওকস ওভারস্টেপ করায় বেঁচে যান কেরি। দলের ১১২ রানের মাথায় আউট হন গ্রিন।  ব্রডের ভিতরে ঢুকে আসা বলে লেগ বিফোর হয়ে ২৩ রানে ফিরে যান তিনি।

    এর কিছুক্ষণ পরেই উডের সেই শর্ট পিচ বলে শর্ট লেগে ক্যাচ দিয়ে মাত্র ১ রানে ফিরে যান স্টার্কও। এরপর কামিন্স ও কেরির মধ্যেও ছোট পার্টনারশিপ হয়। ওকস এর কাছ থেকে জীবনদান পাওয়ার পর, নিশ্চিত এলবিডাবলুও কোনোমতে বেঁচে যান কেরি, কিন্তু তার পূর্ণ সুযোগ তোলেন তিনি। ৮৮ বলে ৪৯ রান করে দলকে সম্মানজনক জায়গায় নিয়ে যান। অধিনায়ক কামিন্স করেন ১৩ রান। নৈশভোজের কিছু পরেই ১৫৫ রানে শেষ হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস।

    আগুনে পেস ঝরিয়ে ৩৭ রানে ৬ উইকেট নিয়ে কেরিয়ারের সেরা বোলিং প্রদর্শন এদিন দেখালেন মার্ক উড। নৈশালোকে অস্ট্রেলিয়ার পেস ব্যাটারিদের সামলানো মোটেই সহজ কাজ ছিল না ইংরেজ ওপেনারদের। কিন্তু স্টার্ক, কামিন্স,বোল্যান্ডদের ভালোই সামলাচ্ছিলেন জ্যাক ক্রলি ও ররি বার্নস। জ্যাক ক্রলি কয়েকটি দর্শনীয় বাউন্ডারিও মারলেন। প্রথম উইকেটে ৬৮ রান যোগ করেন তারা।

    চা পানের বিরতির ঠিক আগেই ক্যামেরুন গ্রিনের বল ছাড়তে গিয়ে উইকেটে লাগিয়ে বসেন বার্নস। এই ছিল শুরু। চা পানের বিরতির পর ইংল্যান্ড ইনিংসের নামে ধস। প্রথমে মালান, এরপর সেট হয়ে যাওয়া জ্যাক ক্রলি,তারপর একে একে স্টোকস, রুট, বিলিংস, পোপ ও অন্যান্যরা। কামিন্স, বোল্যান্ড, গ্রিন তিনজনেই ৩ টি করে উইকেট নিলেন। মাত্র ৫৬ রানের মধ্যে বাকি ৯ উইকেট হারিয়ে বোধবুদ্ধিহীন, লড়াইহীন ক্রিকেট খেলে তিনদিনেই ম্যাচ অস্ট্রেলিয়াকে উপহার দিল ইংল্যান্ড।

    ম্যাচ ও সিরিজের সেরা হলেন ট্র্যাভিস হেড। এবার অ্যাশেজে তাদের প্রদর্শন একেবারেই আশানুরূপ ছিল না উল্লেখ করেও ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দিলেন রুট। অন্যদিকে অ্যাশেজ জয়ের জন্য দলের সবার অবদানের কথা স্বীকার করেন কামিন্স।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published:

    Tags: England vs Australia

    পরবর্তী খবর