corona virus btn
corona virus btn
Loading

খানাখন্দে ভরা বেহাল রাস্তা, অসুস্থ রোগীকে হাসপাতাল নিয়ে যেতে চায় না অ্যাম্বুলেন্সও

খানাখন্দে ভরা বেহাল রাস্তা, অসুস্থ রোগীকে হাসপাতাল নিয়ে যেতে চায় না অ্যাম্বুলেন্সও

আউশগ্রামের ছোড়া বটতলা থেকে মানকর পর্যন্ত এই প্রায় ১৮ কিমি রাস্তা চলাচলের অযোগ্য

  • Share this:

#বর্ধমান: খানাখন্দে ভরা বেহাল রাস্তা। রাস্তার অবস্থা এতটায় খারাপ যে অসুস্থ রোগীকে হাসপাতাল নিয়ে যাওয়ার জন্য আসতে চায় না কোনও অ্যাম্বুলান্স! রাস্তার বেহাল অবস্থার কথা একবাক্যে স্বীকার করে নিয়ে পঞ্চায়েত সদস্য থেকে অঞ্চল সভাপতি সকলেই বলছেন, যাত্রীবাহী বাস চলার সময় রীতিমতো আতঙ্কে থাকতে হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনকে বার বার জানিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি। আউশগ্রামের ছোড়া বটতলা থেকে মানকর পর্যন্ত এই প্রায় ১৮ কিমি রাস্তা চলাচলের অযোগ্য। মাসের পর মাস যান যন্ত্রণা তাই বাসিন্দাদের ভবিতব্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাসিন্দারা বলছেন, বেহাল রাস্তার জন্য দুর্ঘটনা নিত্য সঙ্গী। প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে নিত্য যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন সকলেই। এই রাস্তা ধরেই চলে ছটি রুটের বাস। বাস চলে হেলেদুলে, নেচে নেচে চড়াই উতরাই পার হয়ে। যেকোনও সময় বাস উলটে বিপত্তি ঘটতে পারে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, রাস্তার বেহাল দশার কারণে গ্রামে আসতে চায়না কোনও অ্যাম্বুলান্স। আসতে চায়না ভাড়ার গাড়িও।রোগী নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয় বাসিন্দাদের। রাত বিরেতে রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার কোনও রকম উপায় থাকে না। করুণ অবস্থা হয় অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের।রাস্তার ঝাঁকুনিতে দুর্ঘটনা ঘটার নজিরও কম নয়।

ওভারলোডেড বালির গাড়ি ও পাথরের গাড়ি যাওয়ার ফলেই রাস্তার এই অবস্থা বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। অবিলম্বে রাস্তা সারাই হোক দাবি তুলছেন স্হানীয় বাসিন্দারা। পঞ্চায়েত সদস্যের এক্রাম হোসেন মল্লিকের  দাবি, রাস্তা নির্মাণে রাজ্য সরকার কিমি প্রতি এক কোটি টাকা করে খরচ করলেও  বছর দুই ঘুরতেই দুর্নীতির কারণে রাস্তার এই হাল হয়েছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জেলার প্রতিটি বেহাল রাস্তা সারানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এজন্য ব্লক পর্যায়ে কমিটিও গঠন করা হয়েছে। পুজোর আগেই যাতে আউশগ্রামের ছোড়া থেকে মানকর হয়ে জাতীয় সড়ক পর্যন্ত রাস্তা সারাই হয়ে যায় তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এ ব্যাপারে তৎপরতা বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Saradindu Ghosh

Published by: Ananya Chakraborty
First published: September 14, 2020, 6:10 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर