লাঠি হাতে ঘুরছেন মহিলারা! হনুমানের হামলায় আতঙ্কে বাড়ছে জামালপুরে !

বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দেড় মাস ধরে একটি হনুমান এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। যত দিন যাচ্ছে ততোই সে হিংস্র হয়ে উঠছে।

বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দেড় মাস ধরে একটি হনুমান এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। যত দিন যাচ্ছে ততোই সে হিংস্র হয়ে উঠছে।

  • Share this:

#বর্ধমান: হনুমানের তান্ডবে ঘুম উড়েছে গ্রামবাসীদের। যখন তখন তার হামলায় আতঙ্কিত বাসিন্দারা। তার আঁচড় কামড়ে জখম হয়েছেন অনেকেই। তাই ছেলে বুড়ো সবাই এখন সেই হনুমানের হামলা ঠেকাতে লাঠি হাতে ঘোরাফেরা করছে। খবর দেওয়া হয়েছিল বনদফতরে। বনদফতরের কর্মীরা কলা নিয়ে খাঁচা পেতে তিন দিন অপেক্ষা করেও হনুমানটিকে বাগে আনতে পারেনি। এখন তারাও রণেভঙ্গ দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বাসিন্দারা। এই পরিস্থিতিতে কি করণীয় তা ভেবে উঠতে পারছেন না সকলেই। অনেকেই হনুমানের হামলার ভয়ে গৃহবন্দি থাকছেন। সবমিলিয়ে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের আবুঝাটি এলাকার বাসিন্দা এখন হনুমানের হামলার ভয়ে উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দেড় মাস ধরে একটি হনুমান এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। যত দিন যাচ্ছে ততোই সে হিংস্র হয়ে উঠছে। এদিন পর্যন্ত ওই হনুমানের হামলা তিরিশ জনেরও বেশি শিশু পুরুষ মহিলা জখম হয়েছে। তাদের কয়েকজনকে গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার আবুঝাহাটি সহ আশপাশ এলাকায় এই হামলা চালাচ্ছে হনুমানটি।

এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, আগে গ্রামে সেভাবে হনুমান দেখা যেত না। কিন্তু ইদানিং খাবারের অভাবের কারণে গ্রামে আনাগোনা বেড়েছে হনুমানের দলের। কয়েক মাস আগে একদল হনুমান এই গ্রামে ডেরা বাঁধে। তাদের মধ্যে একটি হনুমান ক্ষেপে গিয়ে ক্রমাগত বাসিন্দাদের উপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। যখন তখন তার হামলার শিকার হচ্ছে পুরুষ-মহিলারা। বুধবার রাতে বাড়ির ভেতরে ঢুকে এক বৃদ্ধার হাত ক্ষতবিক্ষত করেছে ওই হনুমানটি।স্বাভাবিকভাবেই আবুঝহাটি, কুলিনগ্রাম, গোকুল সহ আশপাশ এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

কুলিনগ্রামের বাসিন্দারা জানান, গত দেড় মাস ধরে হনুমানের হামলা চলছে। বারবার জানানো হয়েছে প্রসাশনকে। এক দুবার পুলিশ এসেছিল। কিন্তু তারা হনুমানটির হদিশ করতে পারেনি। বন দফতরের আধিকারিকরা এলেও তারাও আটক করতে পারেনি ওই হনুমানটিকে। জামালপুরের বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার জানান, বন দফতরের পক্ষ থেকে হনুমানটিকে ধরার বারবার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। কিন্তু বনকর্মীরা নির্দিষ্টভাবে হিংস্র হনুমানটিকে চিহ্নিত করতে পারছে না। যার ফলে সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে গ্রামবাসীদের।

Saradindu Ghosh

Published by:Piya Banerjee
First published: