‌Cyclone Yaas: মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এলেন ৩ জন! জলে তলিয়ে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়ে নিয়ে এল NDRF

একেবারে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এলেন ৩ ব্যক্তি। প্রায় জলের তলিয়ে যাচ্ছিলেন তাঁরা। ওই অবস্থা থেকে বেঁচে না ফেরার সম্ভাবনা ছিল ৯০ শতাংশ।

একেবারে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এলেন ৩ ব্যক্তি। প্রায় জলের তলিয়ে যাচ্ছিলেন তাঁরা। ওই অবস্থা থেকে বেঁচে না ফেরার সম্ভাবনা ছিল ৯০ শতাংশ।

  • Share this:

    #পূর্ব মেদিনীপুর: একেবারে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এলেন ৩ ব্যক্তি। প্রায় জলের তলিয়ে যাচ্ছিলেন তাঁরা। ওই অবস্থা থেকে বেঁচে না ফেরার সম্ভাবনা ছিল ৯০ শতাংশ। খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় এনডিআরএফ (NDRF)। সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধারকাজ চালু করায় বাঁচানো যায় তিনজনকেই। ঘটনা পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরের কালিন্দী গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার।

    ইয়াসের দাপটে পূর্ব মেদিনীপুর বিধ্বস্ত। জলমগ্ন এলাকায় ভেসে যাচ্ছিলেন তিন ব্যক্তি। সেই খবর পৌঁছয় এনডিআরএফের কাছে। দেরী না করে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় তারা। ইনস্পেক্টর শরদ শিন্ডের উদ্যোগে তৎপর হন এনডিআরএফ (National Disaster Response Force) কর্মীরা। সেই সময়ে ৮০ থেকে ৯০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইছিল। জলের স্রোতও ছিল তীব্র। ফলে উদ্ধারকাজ চালানোও মোটেই সহজ ছিল না। কিন্তু সেই অবস্থাতেই জলে নেমে পড়েন এনডিআরএফ কর্মীরা। ইনস্পেক্টর শরদ শিন্ডে নিজেও নেমে যান। নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়েই তিনজনকে উদ্ধার করেন।

    এনডিআরএফ এর তৎপরাতেই প্রাণে বেঁচেছেন তিন ব্যক্তি সুশান্ত গিরি (৬০), ব্রজগোপাল মণ্ডল (৫২), ননীগোপাল জানা (৫৫)। ইনস্পেক্টর শরদ শিন্ডে তিন জনকে উদ্ধার করার পরে বলেন, "৯০ শতাংশও ওই অবস্থা থেকে বেঁচে না ফেরার সম্ভাবনা ছিল তিনজনেরই। জলের ওপর হাত ছিলো, একজায়গায় ২জন আর এক জায়গায় ১জন। ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে এমন উদ্ধার কাজ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। চোখের সামনে মৃত্যু মেনে নিতে পারছিলাম না। তাই নিজে ঝুঁকি নিয়ে ফেলি।"

    উদ্ধারের পরে তিন ব্যক্তিরই পরিবার এনডিআরএফ-কে ধন্যবাদ জানান। গ্রামবাসীরাও হাততালি দিয়ে তাঁদের কুর্ণিশ জানান। শিন্ডে বলছেন, "উদ্ধারের পর গ্রামবাসীদেন হাততালি আমাদের সব ক্লান্তি দূর করে দিয়েছে। ডিএম, এসপি, এসডিপিও রাও ধন্যবাদ জানিয়েছেন।"

    Published by:Swaralipi Dasgupta
    First published: