দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদে চেয়ারম্যান শুভেন্দু বিরোধিতার প্রধান মুখ জ্যোতির্ময় কর

দিঘা শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের মাথায় জ্যোতির্ময় কর।

রাজনৈতিক মহলের ব্যখ্যা অধিকারীদের বিরোধিতার পুরস্কার পাচ্ছেন তিনি।

  • Share this:

#কাঁথি: দিঘা শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের নতুন চেয়ারম্যান হলেন প্রাক্তন বিধায়ক জ্যোতির্ময় কর। পটাশপুর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক জ্যোতির্ময় কর এবার দক্ষিণ কাঁথি কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী ছিলেন। ভোটে হারলেও অধিকারী পরিবারের বিরোধী হিসেবে পরিচিত জ্যোতির্ময় করকে এবার দিঘা শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের দায়িত্ব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। শুক্রবারই এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে।

১৩ জনের এই বোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পাচ্ছেন জ্যোতির্ময় কর। দায়িত্ব নিয়েই তিনি আসন্ন যশ দুর্যোগ মোকাবেলায় ঝাঁপিয়ে পড়বেন বলে নিউজ এইট্টিন বাংলাকে টেলিফোনে জানিয়েছেন। আসন্ন যশ সাইক্লোন সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রশাসনের গাইডলাইন অনুযায়ী কাজ করব। প্রত্যেকে সতর্ক থাকতে হবে। রাজনৈতিক মহলের ব্যখ্যা অধিকারীদের বিরোধিতার পুরস্কার পাচ্ছেন তিনি। দায়িত্ব নিয়েই জ্যোতির্ময় কর শুক্রবার বলেন, যেমন দায়িত্ব দেবে দল তেমনই পালন করব। দিঘা নেত্রীর স্বপ্ন, চেষ্টা করব দায়িত্ব পালন করতে।

সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা ভোটে দক্ষিণ কাঁথি থেকে মরিয়া লড়াই করেন জ্যোতির্ময়। যদিও শেষমেশ হেরে যান তিনি। তার পরেও কেন এই পদ? রাজনৈতিক মহলের যুক্তি, শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দিতেই পূর্ব মেদিনীপুরের সমস্ত সমীকরণ বদলে ফেলছিল তৃণমূল। এই পদ থেকে সরানো হয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীর বাবা শিশির অধিকারীকে। ইতিমধ্যে বিজেপিতে গিয়েছেন সৌমেন্দুও। শুধুমাত্র দিব্যেন্দু অধিকারী এখন তৃণমূলের। তবে দলের সঙ্গে সম্পর্ক তাঁর ক্ষীণ। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল অখিল গিরিকে দিঘা শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের দায়িত্ব দিয়েছিল। কিন্তু বিধানসভা ভোটে জিতে রামনগরের বিধায়ক অখিল গিরি মৎস্যমন্ত্রী হয়েছেন। সেক্ষেত্রে দরকার ছিল একটি বিকল্প মুখ। জ্যোতির্ময় প্রথম থেকে অধিকারীদের বিরোধিতার একটি মুখ। সেই কারণেই তাঁকে এই জায়গা দেওয়া।

-সুজিত ভৌমিক

Published by:Arka Deb
First published: