Bengal Lockdown: করোনা রুখতে কড়াকড়ি, কীভাবে সংসার চলবে ভেবে উঠতে পারছেন না অনেকেই

এই অবস্থায় কিভাবে সংসার চলবে তা ভেবে উঠতে পারছেন না বর্ধমানের ছোট ব্যবসায়ী, দোকানের কর্মচারীদের অনেকেই

এই অবস্থায় কিভাবে সংসার চলবে তা ভেবে উঠতে পারছেন না বর্ধমানের ছোট ব্যবসায়ী, দোকানের কর্মচারীদের অনেকেই

  • Share this:

#বর্ধমান: ফের লকডাউনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে রবিবার থেকে। এই অবস্থায় কিভাবে সংসার চলবে তা ভেবে উঠতে পারছেন না বর্ধমানের ছোট ব্যবসায়ী, দোকানের কর্মচারীদের অনেকেই। তাঁরা বলছেন, বাজার খোলা-বন্ধের ক্ষেত্রে কয়েকদিন আগে থেকেই সময়সীমা নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল।  তবুও কিছু সময়ের জন্য দোকান বাজার খোলা রাখা যাচ্ছিল। কিন্তু রবিবার থেকে দুই সপ্তাহের জন্য বেশিরভাগ দোকান বাজার খোলা রাখা যাবে না। তার ফলে সংসার চালানো কঠিন হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন তারা। যদিও করোনার মহামারি রুখতে রাজ্য সরকারের কড়া বিধিনিষেধ আরোপের এই সিদ্ধান্তকে সঠিক বলেই মনে করছেন তাঁর । ব্যবসায়ীদের অনেকেই বলছেন, অন্য কয়েকটি রাজ্যে ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ লকডাউন চালু হয়ে গিয়েছে। যেভাবে করোনার সংক্রমণ ও তার জেরে মৃত্যু বাড়ছে তাতে এই বিধিনিষেধ আরোপ করা ছাড়া রাজ্য সরকারের কাছে অন্য কোনও পথ খোলা খোলা ছিল না।

বর্ধমান শহরে পোশাক থেকে শুরু করে ফুটপাতে নানান সামগ্রীর পসরা সাজিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন অনেকেই। অনেকে কাপড়ের দোকানে কর্মচারীর কাজ করে সংসার চালান।সেই সব দোকানের কর্মচারীরা বলছেন, গতবছর লকডাউনের সময় অনেককেই কাজ হারাতে হয়েছিল। রাতারাতি কাজ হারিয়ে খুবই সমস্যার মধ্যে পড় ছিলেন অনেকেই। নিউ নরমালে সংসার চালাতে পাড়ায় পাড়ায় সবজি বিক্রির কাজ খুঁজে নিয়েছিলেন কেউ কেউ। আবার সেই পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে চলেছি আমরা।

তাঁরা বলছেন,সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী বেলা বারোটা থেকে দুপুর তিনটে পর্যন্ত কাপড়ের দোকান খোলা রাখা যাবে। কিন্তু ট্রেন বাস সহ যাবতীয় গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। তার ফলে দোকান খোলা থাকলেও ক্রেতাদের দেখা মিলবে না বললেই চলে। বিক্রি বাটা কমে যাওয়ায় অনেক মালিকই দোকান বন্ধ রাখবেন। ফলে কাজ হারাতে হবে কর্মচারীদের। একই কথা বলছেন বর্ধমান শহরের হকারদের অনেকেই।

কয়েক হাজার যুবক টোটো, ই রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। তাঁরা বলছেন, সারাদিন টোটো চালিয়ে দু চারশো টাকা আয় হচ্ছিল। তাতে কোনও রকমে সংসার চলে যাচ্ছিল। আগামীকাল থেকে সেই উপার্জনটুকুও বন্ধ। তাই কিভাবে সংসার চলবে তা ভেবে উঠতে পারছি না।

রাজ্যের অন্যান্য অংশের পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ব্যাপক আকার নিয়েছে।এই জেলায় ইতিমধ্যেই 27 হাজার বাসিন্দা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আড়াইশো কাছাকাছি বাসিন্দা করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। প্রতিদিনই এখন শয়ে শয়ে বাসিন্দা নতুন করে করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন।সেই পরিস্থিতি বিচার করে এই বিধি-নিষেধকে স্বাগত জানাচ্ছেন সকলেই।কিন্তু দিন আনি দিন খাই বাসিন্দারা কিভাবে সংসার চালাবেন তা ভেবে উঠতে পারছেন না।

Published by:Ananya Chakraborty
First published: