অনলাইনে মিটেছে চাহিদা, মদের দোকান খুললেও তেমন ভিড় নেই সুরাপ্রেমীদের

এখন প্রতিদিনই বেলা ১২ টা থেকে দুপুর তিনটে পর্যন্ত পছন্দের পানীয় সংগ্রহ করা যাবে। তাই তাড়াহুড়োর কিছু নেই। এছাড়া অনলাইনে মদ কেনার সুবিধা তো থাকছেই।

এখন প্রতিদিনই বেলা ১২ টা থেকে দুপুর তিনটে পর্যন্ত পছন্দের পানীয় সংগ্রহ করা যাবে। তাই তাড়াহুড়োর কিছু নেই। এছাড়া অনলাইনে মদ কেনার সুবিধা তো থাকছেই।

  • Share this:

Saradindu Ghosh

#বর্ধমান: বিধি নিষেধ কিছুটা শিথিলের কারণে মদের দোকান খুললেও সেভাবে ক্রেতাদের ভিড় চোখে পরলো না বর্ধমান শহরে। দোকান খোলা মাত্র সুরা প্রেমীরা পছন্দের পানীয় সংগ্রহের জন্য হামলে পড়বে বলে মনে করেছিলেন বাসিন্দাদের অনেকেই। মদের দোকানের সামনে বিশাল লাইন পড়বে এমনটাই মনে করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু বুধবার দোকান খোলার সময় থেকে শেষ পর্যন্ত এই শহরে তেমন ভিড় চোখে পড়েনি। তবে কি এক পক্ষের বিধিনিষেধের পর সুরায় আসক্তি কমেছে অনেকেরই?

গত মাসের মাঝামাঝি করোনার সংক্রমণ রুখতে সরকারি বিধি নিষেধ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে মদের দোকানের সামনে ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। সে দিন বর্ধমান শহরের বাদামতলা, বীরহাটা, তিনকোনিয়া বাস স্ট্যান্ড, মেহেদিবাগান, পুলিশ লাইন এলাকায় মদের দোকানের সামনে দীর্ঘ লাইন চোখে পড়েছিল। অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। অনেক জায়গায় বেলাইন রুখতে এবং গোলমাল এড়াতে পুলিশ পর্যন্ত মোতায়েন করতে হয়েছিল। পনেরো দিন পর মদের দোকান খুললেও তেমন ভিড় কিন্তু এদিন চোখে পড়লো না।

এ ব্যাপারে বিক্রেতারা বলছেন, লকডাউন দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে ধরে নিয়ে সুরাপ্রেমীদের অনেকেই পর্যাপ্ত পরিমাণে মদ মজুত করে নিয়েছিলেন। আবার অনেকেই নিয়মিত অনলাইনে প্রয়োজনমতো মদ সংগ্রহ করেছেন। দোকান খোলা না থাকলেও দোকানে এ বার মদের তেমন ঘাটতি ছিল না। অনেক বিক্রেতাই অনলাইনে মদ বিক্রি করেছেন। অনেক সূরা প্রেমী অনলাইনে দাম মিটিয়ে দোকানের বাইরে থেকে বা শহরের রাস্তার নির্দিষ্ট মোড় থেকে মদ ডেলিভারি নিয়েছেন। আবার কিছু কিছু জায়গায় বাড়তি দামেও মদ বিক্রি হয়েছে। সব মিলিয়ে সুরাপ্রেমীরা প্রয়োজনমতো পানীয় জোগাড় করে নিয়েছেন। তাই প্রথমদিন হামলে পড়ার মতো ভিড় দেখা গেল না। সুরাপ্রেমীরা বলছেন, দোকান খুললো। এখন প্রতিদিনই বেলা ১২ টা থেকে দুপুর তিনটে পর্যন্ত পছন্দের পানীয় সংগ্রহ করা যাবে। তাই তাড়াহুড়োর কিছু নেই। এছাড়া অনলাইনে মদ কেনার সুবিধা তো থাকছেই।

Published by:Simli Raha
First published: