রোগী ফেরাতে বাধ্য হচ্ছে হাসপাতাল, কালনায় বেড বাড়াতে উদ্যোগী মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, সেফ হোম ও হাসপাতালে যে পরিকাঠামো রয়েছে তাতে রোগীর চাপ সামাল দেওয়া যাচ্ছে না।

মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, সেফ হোম ও হাসপাতালে যে পরিকাঠামো রয়েছে তাতে রোগীর চাপ সামাল দেওয়া যাচ্ছে না।

  • Share this:

#কালনা: করোনা মোকাবিলায় কালনা মহকুমা হাসপাতালের বেড বাড়াতে উদ্যোগী হলেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। পরিকাঠামো বাড়িয়ে বেশি সংখ্যক আক্রান্তদের চিকিৎসা পরিষেবার আওতায় নিয়ে আসতে তিনি কালনা মহকুমা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকে কালনা মহকুমা হাসপাতালে সুপার অরূপরতন করণ, কালনার বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগ উপস্থিত ছিলেন।

কালনা মহকুমা ও সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ইতিমধ্যেই চল্লিশ বেডের কোভিভ ওয়ার্ড ও ছয় বেডের কোভিড এইচডিইউ চালু করা হয়েছে। এছাড়াও কালনা পৌরসভা ও হাসপাতালের উদ্যোগে একটি 30 বেডের সেফ হোম চালু করা হয়েছে। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাচ্ছে না। বেড খালি না থাকায় অনেক রোগীকে ফেরত পাঠিয়ে দিতে হচ্ছে। কালনা মহকুমা হাসপাতালে সুপার অরূপরতন করন বলেন, অনেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তাদের আর হাসপাতালে থাকার প্রয়োজন নেই। তারা বাড়িতে থেকেই পরবর্তী চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারেন। কিন্তু তারা হাসপাতালের বেড ছেড়ে যেতে চাইছেন না। তাই বেড ফাঁকা না থাকায় নতুন রোগী ভর্তি করা কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আলোচনায় সেই বিষয়টিও উঠে এসেছে।

মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, সেফ হোম ও হাসপাতালে যে পরিকাঠামো রয়েছে তাতে রোগীর চাপ সামাল দেওয়া যাচ্ছে না। শুধু কালনা মহকুমা নয়,পাশের হুগলি, নদীয়া ও মুর্শিদাবাদ থেকেও শ্বাসকষ্ট নিয়ে অনেকে হাসপাতালে ভর্তি হতে আসছেন। তাই বেড সংখ্যা যাতে আরও বাড়ানো যায় সে ব্যাপারে জোর দেওয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে অক্সিজেন প্ল্যান্ট তৈরির কাজ দ্রুত শেষ করে পাইপ লাইনের মাধ্যমে সরাসরি রোগীর কাছে অক্সিজেন পৌঁছে দেওয়ার পরিকাঠামো দ্রুত শেষ করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এরই মধ্যে হাসপাতালে সাতজন নার্স সহ ১৪ জন স্বাস্থ্যকর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়ে পড়েছেন। তারা  ডিউটি করতে পারছেন না। প্রতিদিনই  নতুন করে নার্স স্বাস্থ্যকর্মীরা  করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। তার ফলেও পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে। নার্সের সংখ্যা বাড়ানো বিষয়টিও দেখা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী।

Saradindu Ghosh

Published by:Debalina Datta
First published: