Home /News /south-bengal /
Bardhaman: বর্ধমানে দামোদরে চলছে ঝুঁকির পারাপার, খোঁজ নিচ্ছে প্রশাসন 

Bardhaman: বর্ধমানে দামোদরে চলছে ঝুঁকির পারাপার, খোঁজ নিচ্ছে প্রশাসন 

প্রতিদিন প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ লোকের পারাপার। সেই পারাপারের তালিকায় আছে শিশু থেকে বয়স্ক সকলেই।

  • Share this:

বর্ধমান: রাজ্যে নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটে মাঝেমধ্যেই। তাতেও হুঁশ ফেরে নি।জেলাপ্রশানের নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলছে প্রতিনিয়ত ঝুঁকির খেয়া পারাপার।

বর্ধমান ২ নং ব্লকের হাটশিমূল গ্রামের বামুনিয়া ফেরিঘাট। বড় বড় করে লেখাও আছে সে কথা। প্রতিদিন প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ লোকের পারাপার। সেই পারাপারের তালিকায় আছে শিশু থেকে বয়স্ক সকলেই। এমনকি বাদ যায়না সাধের সাইকেল, মোটর বাইক থেকে ঘরের গবাদিপশুও। পারাপারে লাগে জনপ্রতি ৫ টাকা। মোটর বাইক বা অনান্য সামগ্রি থাকলে ১০ টাকা।কিন্তু নিরাপত্তা? ফেরি ঘাটের মালিকের সাফ জবাব, সবাই সাঁতার জানে। আর বড় কোনও দূর্ঘটনা ঘটলে অন্য নৌকা আছে তাদের উদ্ধার করার জন্য।লাইফ জ্যাকেট ? তা নেই।

এইভাবে প্রতিদিন সকাল ৫ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত চলছে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খেয়া পারাপার। বামুনিয়া ফেরিঘাট। যার মাঝখান দিয়ে বয়ে চলেছে দামোদর নদ।এদিকে বর্ধমান ২ নং ব্লকের হাটশিমূল গ্রাম আর অন্যদিকে রায়নার বামুনিয়া,বাঁধগাছা, হিজলনা ও  জাকতা গ্রাম। চিকিৎসা, শিক্ষা, বাজার ও ব্যবসার প্রয়োজনে প্রতিদিনই রায়নার হিজলনা,বাঁধগাছা,জাকতা ও বামুনিয়া গ্রাম-সহ একটা বিশাল এলাকার মানুষকে বর্ধমান শহরে আসতে হয়।বর্ধমান শহরের আসার সহজ পথ এটাই বলে দাবি বাসিন্দাদের।নয়ত ঘুর পথে ১৮ কিমি দূরে জামালপুর সেতু না হয় ১৫ কিমি দূরে সদরঘাটের সেতু পেরিয়ে তবে যাবে বর্ধমান শহরে পৌঁছানো যায়।তাও রাস্তার অবস্থা বেহাল বলে অভিযোগ খেয়া পারাপারকারী যাত্রীদের।

বর্ষার প্রভাবে দামোদরে জল বাড়ছে, আগামীদিনে বর্ষার বৃষ্টি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে  জল আরও বাড়বে। যেকোনো মুহূর্তেই ঘটে যেতে পারে বড়সড় দূর্ঘটনা তবুও এইভাবেই চলছে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খেয়া  পারাপার। এই বিষয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারণ) অনির্বাণ কোলে জানান, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বিডিওকে খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। ফেরিঘাটের অনুমতি আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।যাত্রী নিরাপত্তার সঙ্গে কোনও আপোস করা হবে না। ফেরি ঘাটটি আইন মোতাবেক হলে প্রয়োজনে জেলাপ্রশাসন নিরাপত্তার বিষয়টি দেখবে।না হলে সম্পূর্ণভাবে তা বন্ধ করে দেওয়া হবে।

Saradindu Ghosh

Published by:Siddhartha Sarkar
First published:

Tags: Bardhaman

পরবর্তী খবর