Oxygen black marketing: অক্সিজেন সিলিন্ডারের কালোবাজারি করছে অ্যাম্বুলেন্স চালকরা! গ্রেফতার তিন

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের এই তিন অ্যাম্বুলেন্স (Corona Ambulance) চালক কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সামনে স্ট্যান্ডে থাকত। সেখানেই রোগী পরিবহণের জন্য রাখা থাকত তাদের অ্যাম্বুলেন্স>

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের এই তিন অ্যাম্বুলেন্স (Corona Ambulance) চালক কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সামনে স্ট্যান্ডে থাকত। সেখানেই রোগী পরিবহণের জন্য রাখা থাকত তাদের অ্যাম্বুলেন্স>

  • Share this:

#কালনা: মোটা টাকা মুনাফা লোটার জন্য বেআইনিভাবে অক্সিজেন সিলিন্ডার মজুত (Illegal Oxygen Cylinder store) করছে পূর্ব বর্ধমানে জেলার (Bengal Coronavirus) অ্যাম্বুলান্স চালকদের অনেকেই! এই অভিযোগ উঠেছিল গত কয়েকদিন ধরেই। রবিবার কালনা থানার পুলিশ শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে 3 অ্যাম্বুলেন্স চালককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷ তাদের কাছ থেকে সাতটি অক্সিজেন সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত (Oxygen Cylinder Black Marketing)করা হয়েছে বলে জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। ধৃতদের এদিন কালনা মহকুমা আদালতে তোলা হয়। নিজেদের হেফাজতে নিয়ে ধৃতদের বিস্তারিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

চারদিকে যখন অক্সিজেনের হাহাকার তখন লাখ লাখ কালোবাজারিতে সক্রিয় অ্যাম্বুলেন্স চালকদের অনেকেই। গোপন সূত্রে এই খবর পেয়ে পূর্ব বর্ধমানের কালনায় অ্যাম্বুলেন্স চালকদের বাড়িতে বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। তাতেই পর্দা ফাঁস হয়ে গিয়েছে এই অক্সিজেন কালোবাজারি চক্রের। তিন অ্যাম্বুলেন্স চালককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের নাম সমীর হাজরা,কমল ঘোষ,চিন্ময় রায়। তারা এই করোনা পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অক্সিজেনের কালোবাজারি জন্য বেআইনিভাবে বাড়িতে সিলিন্ডার মজুত করেছিল বলে অভিযোগ। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে ধৃতদের আত্মীয়-পরিজনরা। তাদের বক্তব্য, অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবার প্রয়োজনেই এই অক্সিজেন বাড়িতে রাখা হয়েছিল।

আরও পড়ুনCorona India: বাঁচবে কী করে! গতবারের তুলনায় করোনা সংক্রমণ বেড়েছে ৩০০%, ICU বেড বেড়েছে মাত্র ১৯%

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের এই তিন অ্যাম্বুলেন্স চালক কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সামনে স্ট্যান্ডে থাকত। সেখানেই রোগী পরিবহণের জন্য রাখা থাকত তাদের অ্যাম্বুলেন্স। অভিযোগ,করোনা আক্রান্তের অক্সিজেন প্রয়োজন হলে সুযোগ মতো হাজার হাজার টাকার বিনিময়ে অক্সিজেন ব্যবস্থা করছিল তারা। আজ  তাদের কালনা মহকুমা তোলা হয়। হেফাজতে নিয়ে তাদের বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করবে পুলিশ। তদন্তকারী পুলিশ অফিসারদের সূত্রে জানা গিয়েছে, এই কালোবাজারি চক্রের সঙ্গে কারা কারা যুক্ত, কোথা থেকে কত টাকা দিয়ে অক্সিজেন সিলিন্ডার জোগাড় করেছিল তারা, কত টাকায় তা করোনা আক্রান্তদের দেওয়া হচ্ছিল যে সব ব্যাপারেই ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। একই সঙ্গে তারা কতজনকে এভাবে অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ করেছিল তাও জানার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

Published by:Pooja Basu
First published: