ফুঁসছে ভাগীরথী, ভাঙনের গ্রাসে পূর্বস্থলীর জালুইডাঙা

বর্তমানে জালুইডাঙার যে অংশে ভাঙন শুরু হয়েছে তার থেকে ব্যান্ডেল কাটোয়া শাখার রেল লাইনের দূরত্ব পাঁচশ মিটারেরও কম

বর্তমানে জালুইডাঙার যে অংশে ভাঙন শুরু হয়েছে তার থেকে ব্যান্ডেল কাটোয়া শাখার রেল লাইনের দূরত্ব পাঁচশ মিটারেরও কম

  • Share this:

#বর্ধমান: টানা বৃষ্টির ফলে ফুঁসছে ভাগীরথী। শুরু হয়েছে ভাঙন। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর নসরতপুর পঞ্চায়েতের অন্তর্গত জালুইডাঙ্গা ও কিশোরীগঞ্জ এলাকায় ভাঙন ব্যাপক আকার নিয়েছে। বর্তমানে জালুইডাঙার যে অংশে ভাঙন শুরু হয়েছে তার থেকে ব্যান্ডেল কাটোয়া শাখার রেল লাইনের দূরত্ব পাঁচশ মিটারেরও কম। এভাবে যদি ভাঙন চলতে থাকে তাহলে খুব তাড়াতাড়ি রেল লাইন ধসে বন্ধ হয়ে যাবে ব্যান্ডেল কাটোয়া শাখার রেল চলাচল।

ভাঙনে আতঙ্কিত ভাগীরথী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা। একটু একটু করে জমি জিরেত গ্রাস করছে ভাগীরথী। এবার হয়তো তলিয়ে যাবে ঘরবাড়ি- আশংকা বাসিন্দাদের। এভাবেই গত কয়েক বছরে ভাগীরথীর গ্রাসে চলে গিয়েছে কয়েকশো বিঘা কৃষিজমি এমন অনেক বাসিন্দা রয়েছেন যারা জমি হারিয়ে এখন দিনমজুরের কাজ করছেন কৃষি জমির গা দিয়ে বইছে ভাগীরথী। রাতের অন্ধকারে সেটুকু অদৃশ্য হবে কিনা জানা নেই কারোরই। বাসিন্দারা বলছেন, কয়েক দশক আগেও খেলার মাঠ মন্দির অশ্বত্থ  গাছ সবই ছিল। বেশ কিছু বাড়ির সঙ্গে সেসব ভাগীরথীর গর্ভে তলিয়ে গিয়েছে। একটু একটু করে তলিয়ে যাচ্ছে জালুইডাঙ্গা গ্রাম। এখনই ব্যবস্থা না নিলে হয়তো কয়েক বছর পর পৃথিবীর মানচিত্র থেকে এই গ্রাম নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।

বাসিন্দারা বলছেন, এই এলাকায় ভাঙ্গনের সমস্যা দীর্ঘদিনের। অথচ সেই ভাঙ্গন মোকাবিলায় স্থায়ী কাজ হয়নি কোনও দিনই। যখন ভাঙ্গন শুরু হয় তখন তারের জাল দিয়ে বালির বস্তা ফেলা হয় অথচ এই কাজ যদি বর্ষার আগে করা যায় তবে বাসিন্দারা একটু নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন কিন্তু তা হয় না যখন ভাঙ্গন ব্যাপক আকার নাই তখন কাজ করার তৎপরতা শুরু হয় প্রবল স্রোতে ভেসে যায় সেসব বালির বস্তা বাসের কাঠামো সবকিছুই বলছেন, গতবার রাজ্য সরকারের উদ্যোগে ভাঙন রোধে কিছু কাজ হলেও রেলের তরফ থেকে কোনও কাজ হয়নি। তাছাড়া ভাঙন রোধে স্থায়ী কাজ কিছুই হচ্ছে না। সাময়িকভাবে ভাঙ্গন ঢুকতে বালির বস্তা বা বাঁশের মাচা করে বোল্ডার ফেলা হচ্ছে তাদের দাবি বরাবরের এই সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হোক।

Published by:Ananya Chakraborty
First published: