corona virus btn
corona virus btn
Loading

শহরে ইতালির তিন মহিলা, করোনা আতঙ্কে মাস্ক-গ্লাভস পরে ছুটল পুলিশ!

শহরে ইতালির তিন মহিলা, করোনা আতঙ্কে মাস্ক-গ্লাভস পরে ছুটল পুলিশ!

মুহূর্তে সে খবর ছড়িয়ে পড়ে জেলা জুড়ে।

  • Share this:

#গুসকরা: ইতালির তিন মহিলা এসেছেন গুসকরায়। মুহূর্তে সে খবর ছড়িয়ে পড়ে জেলা জুড়ে। তাঁরা করোনায় আক্রান্ত নন তো! হতেও তো পারে তাঁরা নিজেদের অজান্তেই করোনা ভাইরাস বহন করছেন! প্রশ্ন সব মহলেই। খবর পেয়ে ছুটল পুলিশ। গেলেন বিডিও অফিসের কর্মী আধিকারিকরাও। পুলিশ গেল নাকে মুখে মাস্ক লাগিয়ে। দূর থেকে বিদেশিনীদের মুখে মাস্ক লাগিয়ে তারপর কথা। বলা তো যায় না। কোথা থেকে কি হয়। ওই তিন মহিলা অবশ্য জানিয়েছেন, তাঁরা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত নন। সুস্থই রয়েছেন। এলাকার পিছিয়ে পড়া শিশুদের উন্নয়নে কাজ করছেন তাঁরা।

এমনিতেই করোনা আতঙ্ক দেশ জুড়ে। দিন দিন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। করোনায় আক্রান্ত ইতালিও। সেখানে অবস্থা আরও ভয়াবহ। সেই দেশের তিন মহিলাকে এলাকায় দেখা মাত্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের গুসকরায়। করোনা সতর্কতায় বাড়তি তৎপরতা দেখায় প্রশাসনও। গুসকরা ফাঁড়ির পুলিশ নিয়ে গুসকরার  ৪ নম্বর ওয়ার্ডে পৌঁছে যান বিডিও অফিসের আধিকারিকরা। সেখানেই ছিলেন ওই তিন ইতালিয় মহিলা।  খবর পেয়েই পুলিশ ও ব্লক প্রশাসনের প্রতিনিধিরা সেখানে যান। টপাটপ মুখে মাস্ক হাতে গ্লাভস পরে নেন পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তারা। ওই তিন মহিলাকেও মাস্ক পরানো হয়। এরপর তাঁরা সতর্কতার সঙ্গে ওই তিন মহিলার পাসপোর্ট, ভিসা খতিয়ে দেখেন।  তিনজনের নাম ফ্রাঙ্কা কাসেতি, এনটুনেল্লা ব্রাজেরিয়া ও ফ্রানচেস্কা কারোজা। তাঁরা পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্তাদের আশ্বস্ত করেন, কাশি বা জ্বর নিয়ে নয়, দিন পনের আগে সুস্থ অবস্থাতেই তাঁরা এদেশে এসেছেন। আদিবাসী মহিলা পরিচালিত একটি হস্তশিল্প প্রকল্প দেখতে এসেছেন তাঁরা। এলাকার পিছিয়ে পড়া পরিবারের শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করছে তাঁদের সংস্থা।

জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, করোনায় আক্রান্ত হয়ে ইতালি থেকে মহিলারা এসেছেন এমন খবর স্থানীয় সূত্রে এসেছিল। সে জন্যই দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছিল। সেজন্যই কর্মীরা বাড়তি সাবধানতা নিয়েছিলেন। তাঁরা সুস্হই রয়েছেন। তাঁদের নথিপত্রও দেখা হয়েছে।

Saradindu Ghosh

First published: March 12, 2020, 8:48 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर