হোম /খবর /পূর্ব বর্ধমান /
১৮৪ বছরের প্রাচীন এই মন্দির তৈরি হয়েছিল নদীপথে বয়ে আনা পাথর দিয়ে

Ancient Temple: ১৮৪ বছরের প্রাচীন এই মন্দির তৈরি হয়েছিল নদীপথে বয়ে আনা পাথর দিয়ে

X
ভোগ [object Object]

Ancient Temple: দীর্ঘ কুড়ি বছরের চেষ্টায় ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ, প্রায় ৮২ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট দ্বিতল , রথ আকৃতি রাধাগোবিন্দ জির এই পঞ্চরত্ন মন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়

  • Hyperlocal
  • Last Updated :
  • Share this:

পূর্ব বর্ধমান, কাটোয়া, জগদানন্দপুর: বৃন্দাবন, মথুরা ,মির্জাপুর থেকে নদীপথে পাথর বয়ে এনে তৈরি করা হয় রাধাগোবিন্দের এই পঞ্চরত্ন মন্দির। আজ থেকে প্রায় ১৮৪ বছর আগে এই মন্দির নির্মাণ করতে কারিগররা এসেছিলেন সুদূর উত্তরপ্রদেশ থেকে। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া মহকুমার অন্তর্গত জগদানন্দপুর গ্রামে রয়েছে এমনই এক অনন্য স্থাপত্যের নিদর্শন। শ্রী রাধাগোবিন্দের এই মন্দিরটি নির্মাণ করিয়েছিলেন পর্যটন প্রাণ ব্যক্তিত্ব প্রয়াত রাধামোহন ঘোষ চৌধুরী ।

ভ্রমণপিপাসু হওয়ার সুবাদে, রাধামোহন ঘোষচৌধুরী একসময় গিয়েছিলেন বৃন্দাবন ভ্রমণে। তিনি সেখানকার মন্দির ও স্থাপত্য দেখে মোহিত হয়ে যান । বৃন্দাবনের লালা বাবুর মন্দির দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি সিদ্ধান্ত নেন তার জন্মভূমি জগদানন্দপুর গ্রামে তিনি নির্মাণ করবেন এমনই এক মন্দির। সেইমতো নদী বেয়ে মথুরা বৃন্দাবন মির্জাপুর থেকে আসে পাথর । ভাগীরথী হয়ে দাঁইহাটের নিকট ভাগীরথীরই উপশাখা সাপুলা এবং সেখান থেকে ৮ কিমি খাল কেটে নৌকায় করে পাথর এসে পৌঁছয় জগদানন্দপুর গ্রামে। মন্দির নির্মাণ করতে কারিগররা আসেন উত্তরপ্রদেশ থেকে।

আরও পড়ুন :  একই বাড়িতে দুই স্ত্রীকে নিয়ে ভরা সংসার, সোশ্যাল মিডিয়ায় লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন ইউটিউবার সানি রাজপুতের

দীর্ঘ কুড়ি বছরের চেষ্টায় ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ, প্রায় ৮২ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট দ্বিতল , রথ আকৃতি রাধাগোবিন্দজির এই পঞ্চরত্ন মন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এই মন্দিরটির পূজা অর্চনা ও ভোগ প্রসাদের দায়িত্বে রয়েছে নবদ্বীপের গৌড়ীয় মঠের সদস্যরা। এই মন্দিরে নিয়ম মেনে প্রতিদিন ভোর থেকে শুরু হয় রাধা কৃষ্ণের পূজাঅর্চনা।

মন্দিরে আগত দর্শনার্থীদের জন্য রয়েছে ভোগ প্রসাদের ব্যবস্থাও। মন্দিরের দায়িত্বে থাকা গৌড়ীয় মঠের সদস্য জানান, মন্দিরে আগত দর্শনার্থীরা আগের দিন মন্দির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাঁদের ভোগ প্রসাদের বন্দোবস্ত করা হয়ে থাকে। মন্দিরের গায়ে, সুদক্ষ পাথরের কারুকার্য নজর কাড়ে দর্শনার্থীদের। সারা বছর এই মন্দিরের টানে দূরদূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা আসেন কাটোয়ার জগদানন্দপুর গ্রামে।

Published by:Arpita Roy Chowdhury
First published:

Tags: East Burdwan, Temple