• Home
  • »
  • News
  • »
  • off-beat
  • »
  • Viral Video: চিড়িয়াখানার পাঁচিল টপকে 'পালাল' পান্ডা! তুমুল ভাইরাল ভিডিও দেখুন

Viral Video: চিড়িয়াখানার পাঁচিল টপকে 'পালাল' পান্ডা! তুমুল ভাইরাল ভিডিও দেখুন

Viral Video

Viral Video

৬ বছর বয়সী মেঙ্গ লান নামের ওই পান্ডার পাঁচিল টপকানোর ভিডিও (Viral Video) দেখতে পেয়েছেন সমস্ত দর্শক।

  • Share this:

    #বেজিং: কী কাণ্ড। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া (Viral Video) সেই ভিডিও দেখে চোখ কপালে উঠছে নেটিজেনের। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, একটি বিশালাকার পান্ডা চিনের বেজিংয়ের চিড়িয়াখানার এনক্লোজারের পাঁচিল টপকাচ্ছে। সেখানকার সংবাদসংস্থার দাবি, চিড়িয়াখানায় সেই সময় উপস্থিত ছিলেন বহু দর্শক (Viral Video)। ৬ বছর বয়সী মেঙ্গ লান নামের ওই পান্ডার পাঁচিল টপকানোর ভিডিও (Viral Video) দেখতে পেয়েছেন সমস্ত দর্শক।

    আরও পড়ুন: বিয়ে বলে কথা, বরের সাজ দেখে চোখ কপালে কনের! তুমুল ভাইরাল ভিডিও...

    গত বুধবার ঘটে এই আজব কাণ্ড। কর্তৃপক্ষের তরফে সঙ্গে সঙ্গেই ঘোষণা করা হয় দর্শকদের পান্ডার থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে। তার পরেও, পাঁচিলের একেবারে সামনে গিয়ে পান্ডার টপকানোর ভিডিও মোবাইলে রেকর্ড করতে শুরু করেন অনেকে। প্রায় ৬ ফুট উঁচু পাঁচিল টপকে বেরিয়ে যায় পান্ডাটি। 'পাজি' পান্ডাকে দেখতে তখন উপচে পড়ছে ভিড়। এনক্লোজার থেকে বেরিয়ে যে অংশে দর্শকরা দাঁড়ান, সেখানে নেমে আসে পান্ডাটি। এর পর খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের সদস্যরা তাকে ফের ফেরায় খাঁচায়।

    আরও পড়ুন: 'ক্রিকেটার' হয়ে উঠতে গিয়ে গুরুতর চোট, ২৫টি সেলাই পড়ল শাহিদ কাপুরের হাতে!

    দর্শকদের অনেকেই সেই ভিডিও মোবাইলে তুলে রাখেন। এবং পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় সেটি। চিনের মাইক্রোব্লগিং সাইট ওয়েইবুতে পরে জানানো হয়েছে, মেঙ্গ লান কোনওদিন দর্শক দেখেনি এর আগে। মানুষের আওয়াজ বা উপস্থিতির কোনও অভিজ্ঞতাই এতদিন তার হয়নি। দর্শকের চিৎকার শুনেই সম্ভবত খাঁচা থেকে বেরিয়ে আসতে চেয়েছিল সে। পরে চিড়িয়াখানার কর্মী বুদ্ধি করে তাকে খাঁচায় ফেরায় খাবারের লোভ দেখিয়ে।

    চিড়িয়াখানা থেকে জানানো হয়েছে, স্বভাবে খুবই পাজি এই পান্ডাটি। দর্শকদের কেউ তাকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়েছিল কিনা তাও ফুটেজ দেখে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাকে রাখার এনক্লোজারটিকে নতুন করে তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে ফের এমন কাণ্ড না ঘটে।

    Published by:Raima Chakraborty
    First published: