Siliguri Market: শিলিগুড়ির বিখ্যাত হংকং মার্কেট, বিধান মার্কেট ধুঁকছে! শপিংমল কিংবা অনলাইনের শীতবস্ত্র মন কাড়ছে ক্রেতাদের, চেনা বাজারের 'উষ্ণতা' ম্লান

Last Updated:

Siliguri Market: শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে না শীতবস্ত্রের চাহিদা। শিলিগুড়ির বিধান মার্কেট, হংকং মার্কেট, মহাবীরস্থান-সহ ছোট-বড় নানা বাজারে ব্যবসা মার খাচ্ছে। অনলাইন কিংবা শপিংমলের দিকে ঝুঁকছে ক্রেতাদের মন।

+
শিলিগুড়ির

শিলিগুড়ির বাজারে শীতবস্ত্রের ব্যবসা মার খাচ্ছে

শিলিগুড়ি, ঋত্বিক ভট্টাচার্য: শীতের আমেজ শহরে স্পষ্ট। ভোরের কুয়াশা, রাতের ঠান্ডা হাওয়া-সব মিলিয়ে শীত যে জাঁকিয়ে এসেছে, তা বুঝতে কারও অসুবিধা নেই। কিন্তু সেই শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে না শীতবস্ত্রের চাহিদা। ফলে দোকান সাজিয়েও লাভের মুখ দেখছেন না শিলিগুড়ির বহু শীতবস্ত্র ব্যবসায়ী।
এক সময় শীত নামলেই পাহাড় থেকে বহু মানুষ ছুটে আসতেন সমতলের দিকে। শিলিগুড়ির বিধান মার্কেট, হংকং মার্কেট, মহাবীরস্থান-সহ ছোট-বড় নানা বাজারে তখন ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যেত। শীতের আগে পাহাড় ভ্রমণে আসা পর্যটকরাও একবার অন্তত ঢুঁ মারতেন এই শহরের ব্যস্ত বাজারগুলিতে। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই চিত্র অনেকটাই বদলে গিয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুনঃ মাংস খাওয়ার লালসা! বস্তাবন্দি করে লুকিয়ে রাখা বাঘরোল, উলুবেড়িয়ায় ভয়ঙ্কর অমানবিক দৃশ্য
বর্তমানে অনলাইন কেনাকাটা আর ঝাঁ চকচকে শপিংমল দখল করে নিয়েছে মানুষের পছন্দের তালিকা। পর্যটক আসছেন ঠিকই, কিন্তু পরিচিত বাজারগুলিতে আর আগের মতো পা পড়ছে না তাঁদের। শহরের দামি মল কিংবা মোবাইল অ্যাপেই এখন সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ছে কেনাকাটা। তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের উপর।
advertisement
advertisement
আরও পড়ুনঃ কড়া থেকে নামাতেই নিমেষে শেষ! জলপাইগুড়ির এই দোকানের কচুরির ফ্যান পাহাড় থেকে সমতল, ছয় দশক ধরে স্বাদ অটুট
শিলিগুড়ির বিধান মার্কেটে প্রায় ২৫ বছর ধরে শীতবস্ত্রের দোকান করে আসছেন উৎপল পাল। তাঁর কথায়, “বাজারে এখন চাহিদাই নেই। রবিবারে একটু-আধটু ভিড় হয় ঠিকই, কিন্তু তাতে পুরো মাস চলে না। আগে যে পরিমাণ বিক্রি হত, এখন তার দশ শতাংশও হয় না।” তাই বাধ্য হয়ে কম পরিমাণ শীতবস্ত্র তোলা হচ্ছে, যার জেরে গোটা শীতে পণ্য বিক্রি অসম্পূর্ণ থেকে যাচ্ছে।
advertisement
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
একই ছবি ফুটপাতের দোকানদারদের মধ্যেও। দীর্ঘদিন ধরে ফুটপাথে শীতবস্ত্র বিক্রি করা তাপস মহন্ত জানালেন, শহরের উন্নয়নের নামে ফুটপাত দখলমুক্ত হওয়ায় দোকান ছোট করে অন্যত্র সরাতে হচ্ছে। পাশাপাশি মানতে হচ্ছে নানা বিধি-নিষেধ। “দোকান ছোট হয়ে যাওয়ায় চোখেই পড়ে না। উপরন্তু ফুটপাতের দোকানগুলো নিচু করে দেওয়ায় ক্রেতারা ঝুঁকে জিনিস দেখতে চান না। পাশ কাটিয়েই চলে যান,” আক্ষেপ তাপসের। তার উপর আবার ফুটপাতে শীতবস্ত্রের দোকানের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় তৈরি হয়েছে তীব্র প্রতিযোগিতা, যা ব্যবসায়ীদের আরও কোণঠাসা করে তুলছে।
advertisement
তবে ক্রেতাদের দৃষ্টিভঙ্গিও বদলাচ্ছে। দার্জিলিং থেকে আসা বিনয় লেপচা জানান, সমতলে শীতবস্ত্রের দাম পাহাড়ের তুলনায় অনেকটাই কম। “জিনিস ভাল, দামও বেশি নয়। তাই প্রতি বছরই আসি। কিন্তু দোকান এত বেশি যে বুঝে উঠতে সমস্যা হয়। দশটা দোকান ঘুরে শেষে এক জায়গা থেকে কিনতে হয়,” বললেন তিনি। তবে বিনয়ের আক্ষেপ, পাহাড়েও এখন অনলাইন পরিষেবা আর শপিংমল চলে আসায় তাঁর অনেক বন্ধুই আর সমতলে আসতে আগ্রহী নন।
advertisement
সব মিলিয়ে শীত থাকলেও বাজারে নেই সেই পুরনো উষ্ণতা। বদলে যাওয়া সময়, প্রযুক্তি আর ভোক্তাদের অভ্যাসের চাপে ধুঁকছে শিলিগুড়ির ঐতিহ্যবাহী শীতবস্ত্র বাজার। প্রশ্ন উঠছে-আগামী দিনে এই ছোট ব্যবসায়ীরা কীভাবে টিকে থাকবেন?
Click here to add News18 as your preferred news source on Google.
কলকাতা এবং পশ্চিমবঙ্গের সব লেটেস্ট ব্রেকিং নিউজ পাবেন নিউজ 18 বাংলায় ৷ থাকছে দক্ষিণবঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গের খবরও ৷ দেখুন ব্রেকিং নিউজ এবং সব গুরুত্বপূর্ণ খবর নিউজ 18 বাংলার লাইভ টিভিতে ৷ এর পাশাপাশি সব খবরের আপডেট পেতে ডাউনলোড করতে পারেন নিউজ 18 বাংলার অ্যাপ ৷ News18 Bangla-কে গুগলে ফলো করতে  ক্লিক করুন এখানে ৷ 
view comments
বাংলা খবর/ খবর/উত্তরবঙ্গ/
Siliguri Market: শিলিগুড়ির বিখ্যাত হংকং মার্কেট, বিধান মার্কেট ধুঁকছে! শপিংমল কিংবা অনলাইনের শীতবস্ত্র মন কাড়ছে ক্রেতাদের, চেনা বাজারের 'উষ্ণতা' ম্লান
Next Article
advertisement
Amartya Sen Hearing Notice: মায়ের সঙ্গে বয়সের ব্যবধান ১৫ বছরের কম! অমর্ত্য সেনের শান্তিনিকেতনের বাড়িতে গেল কমিশনের নোটিস
মায়ের সঙ্গে বয়সের ব্যবধান ১৫ বছরের কম! অমর্ত্য সেনের বাড়িতে নোটিস দিয়ে এল কমিশন
  • অমর্ত্য সেনের বাড়িতে নির্বাচন কমিশনের দল৷

  • এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিতে নোটিস৷

  • অমর্ত্য সেনকে শুনানিতে ডাক, গতকালই দাবি করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়৷

VIEW MORE
advertisement
advertisement