advertisement

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অনুষ্ঠিত হল মিলন মেলা

Last Updated:

প্রতিবছর ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সহযোগিতায় মিলন মেলায় অংশ নেয় দুই পারের হাজার হাজার মানুষ।

UTTAM PAUL
#হেমতাবাদ: কাঁটাতারের বেড়াটাকে আঁকড়ে ধরে চোখের জল ধরে রাখতে পারলেন না দুই দেশের মানুষ। দেশ ভাগের যন্ত্রণাময় স্মৃতিকে উসকে দিয়ে শুক্রবার সকাল থেকেই উত্তর দিনাজপুর জেলার হেমতাবাদ ব্লকের ১ নম্বর চৈনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত মকরহাট গ্রামের ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে অনুষ্ঠিত হল মিলন মেলা। প্রতিবছর ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সহযোগিতায় মিলন মেলায় অংশ নেয় দুই পারের হাজার হাজার মানুষ।
advertisement
কাঁটাতারের বেড়া বাংলার মাটিকে আলাদা করলেও আলাদা হয়নি আপামর বাঙালির হৃদয়। বদলায়নি বাংলা ও বাঙালির সমৃদ্ধিশালী ঐতিহ্য। তাই বছরভর অপেক্ষার পর হাজার মানুষের মাঝে মিলেমিশে থাকা প্রিয়জনের চেনা মুখটি খুঁজে পেতে মিলন মেলায় দু’পারের মানুষের এতো আকুলতা। বছরের অন্যান্য সময় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কড়া নজরদারি থাকলেও মেলারদিন উপস্থিত মানুষদের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন তাঁরা। এদিন মিলন মেলায় অংশ নেওয়া দুপার বাংলার মানুষ একে অপরের উদ্দেশ্যে নতুন জামাকাপড় মিষ্টির পেকেট ছুঁড়ে দিয়েছেন নিজস্ব আবেগে। দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে যে আবেগ অনুভুতি মিশে য়ায় অখণ্ড সোনার বাংলায়। যেখানে এই মানুষ গুলির একটাই পরিচয় তারা বাঙালি।
advertisement
advertisement
স্থানীয়দের কাছে জানা গেছে শতবর্ষ প্রাচীন বাংলাদেশের এক কালী পুজোকে কেন্দ্র করে প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও এই মিলন মেলার আয়োজন হয়েছে। অবিভক্ত বাংলার দিনাজপুর জেলার এক গ্রামে মহাসমারহে কালী পুজো করা হত। বর্তমানে কাঁটাতারের বেড়ার ওপারে এই পুজো নিয়ম নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করছেন সেখানকার হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা।
এই পুজোকে কেন্দ্র করে দেশ ভাগের আগেও মেলা হতো এখনও মেলা হয়। বাংলাদেশের সাথে সাথে কাঁটাতারের এপারেও বসে বিশাল মেলা। দেশ ভাগ হয়ে যাবার ফলে কাঁটাতারের বাঁধন পড়েছে। ফলে বাড়ির পাশে থাকা আত্মীয়ের সঙ্গে সর্বক্ষণের সাক্ষাতেও বাঁধন পরেছে। কিন্তু এই পুজোকে কেন্দ্র করে মেলার দিন নিজের আত্মীয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ কেউ হাতছাড়া করতে রাজী নয়। তাইতো শুধু হেমতাবাদ ব্লক নয় গোটা উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর বিহার এবং শিলিগুড়ি থেকেও প্রচুর লোকের সমাগম হয় এই মকরহাটে।
advertisement
কেউ কেউ আগের দিন এসে আত্মীয়ের বাড়িতে থেকে যান। কেউবা গাড়ী ভাড়া করে চলে এসেছেন কাঁটাতারের বেড়ার ফাঁকা দিয়ে শুধু একবার ওপার দেশে থাকা নিকট আত্মীয়ের মুখ দর্শন করবেন বলে। গোটা দিন অপেক্ষা করার পর সামান্য সময়ের জন্য এপার ওপার বাংলার মানুষ দু'দিকের কাঁটাতার ঘেঁষে দাঁড়িয়ে সামনে থাকা আত্মীয় পরিজনের সাথে চিৎকার করে কথা বলতে বলতে চোখের জল আর ধরে রাখতে পারেননা। আত্মীয় পরিজনদের কথা ও কান্নার রোল বেশ কয়েক কিলোমিটার দূর থেকে শোনা যায়। এখানে যারা আসেন তারা সবাই কেঁদে বাড়ি ফেরেন সেই কারণে এই মেলা কাঁদাকাঁদির মেলা বলে এলাকায় বিশেষ ভাবে পরিচিত।ভারতীয় নাগরিক শীল জানিয়েছেন, একবছর পর দিদির সঙ্গে দেখাতে এসেছিলেন। দেখা হয়েছে। আবার একবছরের অপেক্ষা।দিদিকে তিনি আপেল দিলেন। দিদি তাকে বিস্কুট দিয়েছেন। দিদির জিনিস পেয়ে খুশী।
view comments
বাংলা খবর/ খবর/উত্তরবঙ্গ/
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অনুষ্ঠিত হল মিলন মেলা
Next Article
advertisement
‘এটাই হয়তো আমার শেষ ছবি...’ ‘ICU’-র শ্যুটিং ফ্লোরেই পরিচালককে জানিয়েছিলেন রাহুল, ছবি মুক্তি পাবে শীঘ্রই
‘এটাই হয়তো আমার শেষ ছবি...’ ‘ICU’-র শ্যুটিং ফ্লোরেই পরিচালককে জানিয়েছিলেন রাহুল, ছবি মুক্তি পাবে শীঘ্রই
  • ‘এটাই হয়তো আমার শেষ ছবি...’

  • ‘ICU’ ছবির শ্যুটিং ফ্লোরেই পরিচালককে জানিয়েছিলেন রাহুল

  • আইসিইউ মুক্তি পাবে শীঘ্রই

VIEW MORE
advertisement
ফরচুন কুকি
ফরচুন কুকি ভাঙুন আর ঝটপট জেনে নিন, আজ আপনার জীবনে কী সারপ্রাইজ লুকিয়ে আছে!
fortune cookie
advertisement