বাচ্চা ছেলে খারাপ করে দিয়েছে মোবাইল, রাগে বাবাকে পিটিয়ে খুন করল প্রতিবেশীরা

বাচ্চা ছেলে খারাপ করে দিয়েছে মোবাইল, রাগে বাবাকে পিটিয়ে খুন করল প্রতিবেশীরা
প্রতীকী ছবি

খেলার সময় বাচ্চা ছেলে মোবাইল খারাপ করে দেওয়ায় বাবাকে পিটিয়ে খুন বলে অভিযোগ । তদন্তে কালিয়াচক থানার পুলিশ।

  • Share this:
#মালদহ: মালদহের কালিয়াচকে যুবককে পিটিয়ে খুন। মোবাইল নিয়ে বাচ্চাদের খেলার সময় একটি মোবাইল খারাপ হয়ে যাওয়া নিয়ে বিবাদের সূত্রপাত। পরে গোলমাল গড়ায় দুই পরিবারের মধ্যে। মৃত আলিমুল শেখ- 30 , সুজাপুর স্কুল পাড়ার বাসিন্দা । ঘটনার পর থেকে পলাতক পাঁচ অভিযুক্ত । খেলার সময় বাচ্চা ছেলে মোবাইল খারাপ করে দেওয়ায় বাবাকে পিটিয়ে খুন বলে অভিযোগ ।  তদন্তে কালিয়াচক থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটে মালদহের কালিয়াচকের সুজাপুর এলাকায়। এর আগে বিকেলে 7-8 বছরের কয়েকজন শিশু নিজেদের মধ্যে মোবাইল ফোন নিয়ে খেলছিল। সেই সময় একটি মোবাইল ফোন খারাপ হয়ে যায় মোবাইল নষ্ট করার অভিযোগ উঠে আলিমুল এর ছেলের বিরুদ্ধে। শিশুদের খেলার সময় মোবাইল খারাপ হওয়া নিয়ে প্রথমে বাচ্চারা নিজেদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ করে। পরে ঘটনায় দুই পরিবারের মহিলাদের মধ্যে বিবাদ বেঁধে যায়। শেষে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন দুই পরিবারের পুরুষ মানুষরা । বাচ্চারা মোবাইল খারাপ করা নিয়ে আলিমুলের  সঙ্গে প্রতিবেশী মোল্লা বাক্কাসের  তর্কাতর্কি  ও বিবাদ হয় । এর বদলা নিতে  বেশি রাতে দলবল নিয়ে আলিমুল এর বাড়িতে  হানা দেয়  মোল্লা বাক্কাস । ঘর থেকে টেনে বের করে বাঁশ, লোহার রড ও লাঠি দিয়ে এলোপাথাড়ি মারধর করা হয় আলিমুলকে  । হামলায়  রক্তাক্ত ও অচৈতন্য হয়ে পড়লে  তাঁকে ফেলে রেখে পালায়  দুষ্কৃতীরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে সুজাপুর হাসপাতালে নিয়ে যান । সেখান থেকে  তাঁকে পাঠানো হয় মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এদিন সকালে মালদা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয় । এরপরে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কালিয়াচক থানার দ্বারস্থ হয় মৃতের পরিবার ।
পুলিশ জানিয়েছে , মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই এলাকাছাড়া অভিযুক্তরা। তাদের খোঁজে শুরু হয়েছে পুলিশি তল্লাশি।  এদিকে যেভাবে সামান্য মোবাইলকে কেন্দ্র করে  খুনের ঘটনা হয়েছে তাতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। Sebak DebSarma
First published: February 23, 2020, 9:43 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर