গভীর প্রেম মেনে নেয়নি পরিবার, চরম সিদ্ধান্ত যুগলের

গভীর প্রেম মেনে নেয়নি পরিবার, চরম সিদ্ধান্ত যুগলের
প্রতীকী ছবি

গলায় দড়ি জড়ানো অবস্থায় জমি থেকে দু'জনের দেহ উদ্ধার হয়।

  • Share this:

#কালিয়াগঞ্জ: আত্মহত্যার পর দড়ি ছিঁড়ে মাটিতে পড়ল যুগল। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ থানার বরুনা গ্রাম পঞ্চায়েতের চন্ডিপুরে। গলায় দড়ি জড়ানো অবস্থায় জমি থেকে দু'জনের দেহ উদ্ধার হয়। মৃত যুগলের বাড়ি কালিয়াগঞ্জ থানার পূর্ব গোয়ালগাঁও গ্রামে। বুধবার সকালে গ্রামবাসিরা সুজন রায় এবং মামনি রায়ের মৃতদেহ দেখতে পান।পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। তদন্তে নেমে পুলিশ একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, দুই পরিবার প্রেমের সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় আত্মহত্যা পথ বেছে নিয়েছেন তাঁরা।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কালিয়াগঞ্জ ব্লকের পূর্ব গোয়ালগাঁওয়ের বাসিন্দা মাধব রায়ের ছেলে সুজন রায়ের সঙ্গে প্রায় দু'বছর ধরে সম্পর্ক প্রতিবেশী  রঞ্জিত রায়ের মেয়ে মামনি রায়ের। মামনির বয়স ১৭ বছর। দুই পরিবারই তাঁদের সম্পর্কের কথা জানলেও, পরিবারের কেউ এই সম্পর্ক মেনে নিতে পারেননি। পরিবারের সদস্যদের দাবি, গতকাল রাতে দু'জনই বাড়ি থেকে বেরিয়ে হয়ে যায়। আজ সকালে গ্রাম থেকে বেশ কিছুটা দূরে চন্ডীপুর গ্রামের কাছে যুগলের মৃতদেহ গ্রামবাসিরা দেখতে পান। চন্ডীপুর গ্রামে একটি কদম গাছে তাঁরা গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন। এমনকি ফাঁস লাগানো অবস্থায় গলার দড়ি ছিড়ে মাটিতে পড়ে যান দুজনেই। গাছের ধারে একটি জলাশয়ের মধ্যে মেয়েটির দেহ পড়ে থাকতে দেখেন সা্থানীয়রা। তার পাশেই পড়েছিল সুজনের মৃতদেহ।

দুই পরিবারের লোকেরা এসে দেহ দুটি শনাক্ত করে। কালিয়াগঞ্জ থানার পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ হাসপাতাল মর্গে নিয়ে এসেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। মৃত সুজনের বাবা মাধব রায় জানিয়েছেন, গতকাল রাতে ছেলে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়। ছেলে নিখোঁজ হওয়ার পর পাশের বাড়ি মামনির বাড়িতে খোঁজ নিয়ে দেখা যায় তাঁকেও পাওয়া যাচ্ছে না। দুই পরিবারই তাঁদের সন্ধানে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করলেও তাঁদের কোনও সন্ধান মেলেনি। সকালে বাড়ি থেকে প্রায় কিলোমিটার খানেক দূরে দু'জন দেহ উদ্ধার হয়। খবর পেয়ে সুজনের পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ছেলের দেশ শনাক্ত করেন। এই মৃত্যুর ঘটনায় কোন অভিযোগ দায়ের হয়নি।  

Uttam Paul

First published: March 11, 2020, 8:26 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर