• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • স্টেশন থেকে ট্রেন ছাড়ার আগেই বিকল ইঞ্জিন, দুর্ভোগ নিত্য যাত্রীদের

স্টেশন থেকে ট্রেন ছাড়ার আগেই বিকল ইঞ্জিন, দুর্ভোগ নিত্য যাত্রীদের

সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছতে না পেরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন যাত্রীরা। দীর্ঘক্ষণ পর বিকল্প ইঞ্জিন এনে ট্রেন চালানোর ব্যবস্থা করা হয়।

সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছতে না পেরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন যাত্রীরা। দীর্ঘক্ষণ পর বিকল্প ইঞ্জিন এনে ট্রেন চালানোর ব্যবস্থা করা হয়।

সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছতে না পেরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন যাত্রীরা। দীর্ঘক্ষণ পর বিকল্প ইঞ্জিন এনে ট্রেন চালানোর ব্যবস্থা করা হয়।

  • Share this:

    Sebak Debsharma #মালদহ: স্টেশন থেকে ট্রেন ছাড়ার আগেই বিকল ইঞ্জিন। মালদা-কাটিহার ডিএমইউ প্যাসেঞ্জার ট্রেনটি স্টেশন ছাড়ার আগে বিকল ইঞ্জিন। এর জেরে দু'ঘণ্টা স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকল ট্রেন। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায় মালদা কোট স্টেশনে। সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছতে না পেরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন যাত্রীরা। দীর্ঘক্ষণ পর গাজলের একলাখী স্টেশন থেকে বিকল্প ইঞ্জিন এনে ট্রেন চালানোর ব্যবস্থা করতে হয়। মালদা-কাটিহার ডিএমইউ ট্রেনে যাতায়াত করেন প্রচুর নিত্যযাত্রী। একসময় মালদহ টাউন স্টেশন থেকে ছাড়ত এই ট্রেন। ২০১৫ সালের অক্টোবর মাস থেকে এই ট্রেন মালদা কোট স্টেশন থেকে চালানোর ব্যবস্থা নেয় রেল কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ, রেলের কাঠিহার ডিভিশনের অধীনে আশার পর থেকে এই স্টেশনে বারবারই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের। এর আগেও বেশ কয়েকবার একই ধরনের ঘটনা হয়েছে। যার জেরে দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে যাত্রীদের। এদিন সকাল ৮:৪৫ নাগাদ মালদা- কাটিহার ডিএমইউ ট্রেনটি ছাড়ার কথা ছিল। সেই মতো নির্দিষ্ট সময়ে ট্রেনে উঠে পড়েন যাত্রীরা। ট্রেনটি ছাড়ার সময় ইঞ্জিনে ত্রুটি ধরা পড়ে। বাধ্য হয়ে ট্রেন থেকে নেমে পড়তে হয় যাত্রীদের। ফলে বহু নিত্যযাত্রী এবং অফিসকর্মী সময়ে গন্তব্যে পৌঁছতে পারেননি। এরপর ক্ষুব্ধ যাত্রীরা স্টেশন ম্যানেজারের ঘরে বিক্ষোভ দেখান। যাত্রীদের অভিযোগ, স্টেশন থেকে দৈনিক ৪ জোড়া ট্রেন চলাচল করে। কিন্তু, পরিষেবার দিকে কর্তৃপক্ষের নজর নেই। ট্রেন ছাড়ার আগে কেন ইঞ্জিনের উপযুক্ত পরীক্ষার কাজ করা হয়নি তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন যাত্রীরা। শেষপর্যন্ত সকাল ১০:৪৫-টায় বিকল্প ইঞ্জিনের সাহায্যে ট্রেন ছাড়ে। মালদা কোর্ট স্টেশনের ম্যানেজার জানান, ট্রেন ছাড়ার সময় কিছু যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে। এজন্য ইঞ্জিন বদল করতে হয়।​

    First published: